শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৫ পি.এম
ঝুম বৃষ্টিতে ভিজছে বন। চারপাশে ঘন সবুজের সমারোহ। এর মাঝেই একটি বিশাল গাছের নিচে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে বুনো হাতির পাল। নিজেদের বাঁচানোর জন্য বৃষ্টির হাত থেকে আড়াল করতে গাছের ছাউনির নিচে আশ্রয় নেওয়া হাতিদের দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে।
থাইল্যান্ডের কুই বুড়ি ন্যাশনাল পার্কে সম্প্রতি এমন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা গেছে। বৃষ্টির সময় বড় একটি গাছের নিচে একত্রিত হয়েছিল বুনো এশীয় হাতির দল। পরে পার্ক কর্তৃপক্ষ সেই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে।
পার্কের ফেসবুক পেজে ছবিগুলোর সঙ্গে লেখা হয়, ‘It’s raining… so let’s take shelter for a while’ অর্থাৎ, ‘বৃষ্টি হচ্ছে… তাই কিছুক্ষণ আশ্রয় নেওয়া যাক।’
ছবিতে দেখা যায়, বিশাল গাছটির বিস্তৃত পাতার ছাউনির নিচে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি হাতি। গাছের বাইরে তখনো ঝরছে বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ধুয়ে যাওয়া ঘন সবুজ বন এবং গাছতলায় আশ্রয় নেওয়া হাতিদের মিলিত দৃশ্যটি যেন প্রকৃতির আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস।
পোস্টে পার্ক কর্তৃপক্ষ আরও লিখেছে, ‘The happiness of wildlife is nature’s reward’ অর্থাৎ, ‘বন্যপ্রাণীর সুখই প্রকৃতির পুরস্কার।’
ছবিগুলো প্রকাশের পর দর্শনার্থী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকে মজা করে দৃশ্যটিকে ‘Elephant Tree’ বা ‘হাতির গাছ’ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় হাতিদের এভাবে একসঙ্গে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আচরণের একটি চমৎকার উদাহরণ।
থাইল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বন্য হাতি পর্যবেক্ষণস্থলগুলোর মধ্যে কুই বুড়ি ন্যাশনাল পার্ক অন্যতম। প্রাচুয়াপ খিরি খান প্রদেশে অবস্থিত প্রায় ৯৬৯ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উদ্যানে বুনো এশীয় হাতির পাশাপাশি গাউরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও পাখির দেখা মেলে।
বৃষ্টিভেজা বনের নীরবতার মাঝে গাছের নিচে হাতিদের আশ্রয় নেওয়ার দৃশ্যটি শুধু একটি সুন্দর মুহূর্ত নয়, প্রকৃতির সঙ্গে বন্যপ্রাণীর নিবিড় সহাবস্থানের একটি মনোমুগ্ধকর প্রতিচ্ছবি।
সূত্র: খাওসদ ইংলিশ , ব্যাংকক পোস্ট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কাফরুল এলাকায় মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার খবর পায়।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাহজান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের বাসটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওয়ানা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মিরপুর সুপার লিংক মালিক সমিতির একটি যাত্রীবাহী বাসে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
বাসটির নম্বর (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৭২৩৭)।
এর আগে, জুমার নামাজের পর মালিবাগ রেলগেট সংলগ্ন সড়কে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এরপর সন্ধ্যার দিকে মহাখালী এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। প্রায় একই সময়ে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবন সংলগ্ন এলাকায় সড়কের ওপর আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পরে যাত্রাবাড়ীতে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুর্বৃত্তরা। এতে এক রিকশাচালক আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী এলাকায় ঘটনার সময় যানবাহন ও মানুষের চলাচল ছিল। হঠাৎ পরপর কয়েকটির ককটেল বিস্ফোরণে পথচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা অবস্থায় থাকতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, শনিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। শুক্রবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় এবং শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিন কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, যেকোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া, না জানার কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তারিখে দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার এবং শরীফ ম্যানশন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ এবং শাঁখারী বাজার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আওতায়, বেসরকারি খাত থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ইতোমধ্যে ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এসব প্রকল্পের জন্য প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের মূল্য ৯ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপিডিবির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই বিদ্যুতের দাম পূর্বে চুক্তিবদ্ধ একই ধরনের প্রকল্পগুলোর তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৫ সেন্ট কম। নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে সরকার একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়, ব্যাটারিসহ ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০ শতাংশ মুনাফার হার এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ হাজার ৮৫২ দশমিক ০৬ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত এবং ৩৭৮ দশমিক ৫৬ মেগাওয়াট অফ-গ্রিড।
এছাড়া, বিপিডিবি নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৯ মেগাওয়াট গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুরের ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান করিম জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার তিনটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ করছে। তিনটি প্রকল্পই ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে।
বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রকল্পটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নির্মাণ করা হবে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট করে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়া, বাগেরহাটের মোংলায় নির্মাণ করা হবে আরও একটি ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। ঈশ্বরদীতে ৭০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো মৌলভীবাজারের বিবিয়ানা, নীলফামারীর জলঢাকা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, মৌলভীবাজার সদর, চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং নোয়াখালীর সুধারামে স্থাপন করা হবে। এসব প্রকল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ১০ মেগাওয়াট থেকে ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানিয়েছেন, আইপিপিগুলোর সঙ্গে করা এসব চুক্তি সরকারের বৃহত্তর জ্বালানি মিশ্রণ কৌশলের অংশ। এর লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং প্রচলিত, বিশেষ করে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো।
তিনি আরও জানান, বিপিডিবি রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, অবকাঠামো বিনিয়োগ সহায়তা কোম্পানি (আইআইএফসি) ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াটের গ্রিড-সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করেছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
বিপিডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করেছে বিপিডিবি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।
বিপিডি দুই বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে নিজেদের ভবন ও জমিতে ১৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল। কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ক্লিন) প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ হাসান মেহেদী মন্তব্য করেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাংলাদেশকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করতে পারে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকার দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা।
সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ২০২৬-২০৩০-এর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, বায়ু, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ এবং অ্যাগ্রিভোলটাইক্সসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
হাসান মেহেদী বলেন, সরকার যদি সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলে এ খাতে সরকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ