প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঝুম বৃষ্টিতে ভিজছে বন। চারপাশে ঘন সবুজের সমারোহ। এর মাঝেই একটি বিশাল গাছের নিচে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে বুনো হাতির পাল। নিজেদের বাঁচানোর জন্য বৃষ্টির হাত থেকে আড়াল করতে গাছের ছাউনির নিচে আশ্রয় নেওয়া হাতিদের দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে।
থাইল্যান্ডের কুই বুড়ি ন্যাশনাল পার্কে সম্প্রতি এমন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা গেছে। বৃষ্টির সময় বড় একটি গাছের নিচে একত্রিত হয়েছিল বুনো এশীয় হাতির দল। পরে পার্ক কর্তৃপক্ষ সেই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে।
পার্কের ফেসবুক পেজে ছবিগুলোর সঙ্গে লেখা হয়, ‘It’s raining… so let’s take shelter for a while’ অর্থাৎ, ‘বৃষ্টি হচ্ছে… তাই কিছুক্ষণ আশ্রয় নেওয়া যাক।’
ছবিতে দেখা যায়, বিশাল গাছটির বিস্তৃত পাতার ছাউনির নিচে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি হাতি। গাছের বাইরে তখনো ঝরছে বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ধুয়ে যাওয়া ঘন সবুজ বন এবং গাছতলায় আশ্রয় নেওয়া হাতিদের মিলিত দৃশ্যটি যেন প্রকৃতির আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস।
পোস্টে পার্ক কর্তৃপক্ষ আরও লিখেছে, ‘The happiness of wildlife is nature’s reward’ অর্থাৎ, ‘বন্যপ্রাণীর সুখই প্রকৃতির পুরস্কার।’
ছবিগুলো প্রকাশের পর দর্শনার্থী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকে মজা করে দৃশ্যটিকে ‘Elephant Tree’ বা ‘হাতির গাছ’ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় হাতিদের এভাবে একসঙ্গে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আচরণের একটি চমৎকার উদাহরণ।
থাইল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বন্য হাতি পর্যবেক্ষণস্থলগুলোর মধ্যে কুই বুড়ি ন্যাশনাল পার্ক অন্যতম। প্রাচুয়াপ খিরি খান প্রদেশে অবস্থিত প্রায় ৯৬৯ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উদ্যানে বুনো এশীয় হাতির পাশাপাশি গাউরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও পাখির দেখা মেলে।
বৃষ্টিভেজা বনের নীরবতার মাঝে গাছের নিচে হাতিদের আশ্রয় নেওয়ার দৃশ্যটি শুধু একটি সুন্দর মুহূর্ত নয়, প্রকৃতির সঙ্গে বন্যপ্রাণীর নিবিড় সহাবস্থানের একটি মনোমুগ্ধকর প্রতিচ্ছবি।
সূত্র: খাওসদ ইংলিশ , ব্যাংকক পোস্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন