সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৫ পি.এম
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে করার পরিকল্পনা করছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে চাই।" প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপের জন্য ১৩ ডিসেম্বর, এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া, আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।
প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে, আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি।" সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করবে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, "আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।" প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন এ নির্বাচন কমিশনার। আইন সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন।"
আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি) ২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করবে। ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেলচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে। সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক ট্রেনে ৪০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং ট্রেনের গতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা এবং এর দুই পাশের শিল্পাঞ্চল গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের মধ্যে যানজট ও গাড়ির চাপ কমাতে এই রুটটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট লিংক হিসেবে কাজ করবে। পুরোনো ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের কারণে বর্তমানে ট্রেনগুলো কাঙ্ক্ষিত গতিতে চলতে সক্ষম নয় এবং যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ট্রিপও প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।
এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে রেলওয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এটি চালু হলে প্রতিদিন গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রী দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ গণপরিবহন সুবিধা লাভ করবেন।
এই উদ্যোগের আওতায় ট্রেনের পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ডিজেল থেকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত হবে। রেললাইনের ওপর দিয়ে ‘ওভারহেড ওয়্যার’ বা বিদ্যুতের তার স্থাপন করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে বিশেষায়িত ‘ট্রাকশন সাবস্টেশন’ নির্মাণ করা হবে।
নিরাপদ ও মসৃণ চলাচল নিশ্চিত করতে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ‘ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট’ (ইএমইউ) ট্রেন, বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন এবং কম্পিউটারভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ট্রেন অর্থনীতি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় বৈদ্যুতিক ট্রেন অনেক দ্রুতগতিতে চলতে এবং থামতে সক্ষম। ফলে স্টেশনে থামার পর দ্রুত সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে যাতায়াতের সময় অর্ধেকের বেশি কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩ হাজার ৯৩ কিলোমিটার নেটওয়ার্কে ডিজেলচালিত ট্রেন পরিচালনা করছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেনে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলক বেশি হলেও এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম। এই ব্যবস্থা অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব।
কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু হলে পরিচালনা ব্যয় ৩৫ শতাংশ এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমবে।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রেলওয়ে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের ৬৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৮ হাজার ৮১২ কিলোমিটার বিদ্যুতায়ন করেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বৈদ্যুতিক ট্রাকশন চালুর জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
সাংসদ মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও প্রকল্পের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেন চলবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে সম্প্রতি হাইকোর্ট যে রায় প্রদান করেছে, তা আপাতত বহাল রেখেছে চেম্বার আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের রায় স্থগিত করার জন্য গ্রামীণ কল্যাণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। আদালত জানায়, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তারা এই মামলায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।
এদিন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করার জন্য আবেদন করা হয় চেম্বার আদালতে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ দ্বারা সহযোগিতা পান।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে দুটি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। এনবিআর যে অতিরিক্ত ট্যাক্স দাবি করেছে, সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করার জন্য যে দুটি রিট করা হয়েছিল, সেগুলো গত ১০ তারিখে নামঞ্জুর হয়েছে। এজন্য তারা একটি স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন, চেম্বার জজের কাছে সিএমপি ফাইল করে। চেম্বার জজ বলেন, যেহেতু হাইকোর্ট এখনও কোনো রায় দেয়নি এবং তারা তা পাননি, তাই এই বিষয়ে তারা কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। সুতরাং, রায় প্রকাশ হলে তার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেয়। ওইদিন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় প্রদান করে। রায়ে আদালত উল্লেখ করে, আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেটে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে এবার বড় পরিসরে ‘বোলার হান্ট’ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। পূর্বে আলাদাভাবে পেসার হান্ট ও স্পিনার হান্ট আয়োজন করা হলেও, এবার বিসিবি পেসার কিংবা স্পিনার, কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সব ধরনের বোলারকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার লক্ষ্য এবারের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশে ক্রিকেটের প্রতিভা অন্বেষণের কার্যক্রম নতুন নয়। বিসিবির পূর্বের আয়োজনে পেসার হান্ট থেকে উঠে এসে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন একাধিক ক্রিকেটার। গ্রামীণফোন পেসার হান্ট থেকে জাতীয় দলের সাবেক পেসার রুবেল হোসেন এবং পরবর্তীতে রবি পেসার হান্টের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন ইবাদত হোসেন। উভয়েই পরবর্তীতে জাতীয় দলের হয়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন।
সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় বিসিবি এবার আরও বিস্তৃত পরিসরে প্রতিভা খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ‘বোলার হান্টে’ পেসার ও স্পিনারদের জন্য আলাদা আয়োজন থাকবে না। বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সম্ভাবনাময় সব বোলার একই আয়োজনে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।
বিসিবির এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ঘরোয়া ক্রিকেটের পাইপলাইন আরও শক্তিশালী করা। জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের জন্য নিয়মিত নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার পাশাপাশি সুযোগের অভাবে হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেটারদেরও সামনে নিয়ে আসতে চায় দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি স্পিনেও বাংলাদেশের রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহ্য। তাই কোনো একটি বিভাগকে আলাদা গুরুত্ব না দিয়ে সব ধরনের বোলিং প্রতিভাকে একই আয়োজনের আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সঠিক বাছাই প্রক্রিয়ার পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগ দেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। রুবেল ও ইবাদতের মতো আরও প্রতিভাবান বোলারের উঠে আসার পথ তৈরি হতে পারে এই ‘বোলার হান্ট’ থেকে।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বোলার হান্ট’ নিয়ে বিস্তারিত জানাবে বিসিবি। জানা গেছে, এবারের বড় পরিসরের এই কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে রবি। মিরপুরে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বোলার হান্টের কার্যক্রম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পরও নির্ধারিত সরকারি দায়িত্ব পালনে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।
দুর্ঘটনাটি ঘটে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে, যখন ইউএনওর সরকারি গাড়িটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাহেব সরকার বাড়ি গেট এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসনের একটি মিটিংয়ে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ইউএনও মেহেদী হাসান এবং তার গাড়িচালক হেলাল মিয়া আহত হন।
ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চালক হেলাল মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং এক্স-রে করানো হয়েছে। তবে ইউএনও মেহেদী হাসান গুরুতর আহত না হওয়ায়, দুর্ঘটনার পরও তিনি হবিগঞ্জে গিয়ে মিটিংয়ে অংশ নেন। দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি মাধবপুর থানায় আটক রয়েছে এবং পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে।
দুর্ঘটনার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সরকারি দায়িত্বকে গুরুত্ব দিয়ে মিটিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য ইউএনও মেহেদী হাসানের দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। ব্যক্তিগত অসুবিধার মধ্যেও দায়িত্ব পালনে তার এই আন্তরিকতা একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় বহন করে বলে অনেকেই মনে করছেন।
সাংবাদিক শাবানা চৌধুরী মন্তব্য করেন, "ইউএনও সাহেব অত্যন্ত দায়িত্বপরায়ণ। দুর্ঘটনার পরও সরকারি দায়িত্ব পালনে তিনি হবিগঞ্জে গিয়েছেন।"
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ বলেন, "বিষয়টি আমি জেনেছি। ইউএনও তেমন আহত হননি বলে জানতে পেরেছি।"
ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, "আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ আছি। বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ