বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু ঘটেছে শফিকুল আজিম ওরফে সুমন (৪৬) নামে এক স্কুল শিক্ষকের।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলার জয়নাল আবেদীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে হাজী সফি মঞ্জিলের সামনে চৌমুহনী-মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ছিলেন উত্তর কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। তিনি কাদিরপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ঘাটলা গ্রামের মাস্টার আবুল খায়েরের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে সুমন চৌমুনহী পৌরসভার চৌরাস্তা এলাকা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে জেলা শহর মাইজদীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। যাত্রার সময় তিনি হাজী সফি মঞ্জিলের সামনে চৌমুহনী-মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি বেপরোয়া গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, "বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র জাফলং ব্রাঞ্চের উদ্যোগে মৃত্যুদাবির চেক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জাফলং ব্রাঞ্চের কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস.কে. বদিউজ্জামান রিপন।
জাফলং মেট্রোর ব্রাঞ্চ ইনচার্জ সালাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং ইউ.এম. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. রকিব উদ্দিন, অগ্রণী ব্যাংক জাফলং শাখার ম্যানেজার সুধাংশু শেখর দত্ত, টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়ন বৃহত্তর জৈন্তার সভাপতি হুমায়ুন আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রমজান মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে মৃত গ্রাহকের পরিবারের সদস্যদের হাতে মৃত্যুদাবির চেক তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, বীমা কেবল ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে না, বরং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। গ্রাহকদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, ইসলামী শরিয়াহর নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচালিত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠান শেষে মৃত গ্রাহকের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমায় প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে আসছেন রামায়া কৃষ্ণান। তার গোপন প্রেমের কাহিনী এখনও সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বাহুবলির মা হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রী বিয়ের আগে এক পরিচালকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন, যা শেষ পর্যন্ত গর্ভপাতের মতো ঘটনার দিকে নিয়ে যায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে দক্ষিণী পরিচালক কে এস রবিকুমারের সঙ্গে প্রথম সিনেমায় কাজ শুরু করেন রামায়া। এরপর ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বিবাহিত এই পরিচালকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্কের খবর অন্দরমহলে গোপন ছিল না।
সকলেই তাদের প্রেমের বিষয়টি জানতেন। কে এসের অনেক সিনেমায় রামায়া কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাদের সম্পর্ক পরিণয়ের দিকে এগোয়। একসময় অভিনেত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এই খবর জানাজানি হলে রবিকুমারের স্ত্রী হুমকি দেন রামায়াকে।
এই পরিস্থিতিতে সন্তানের জন্ম ও পরিচয় দিতে অস্বীকার করেন পরিচালক। ফলে একপর্যায়ে রামায়া গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য তিনি নাকি কে এস রবিকুমারের কাছে ৭৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন।
যদিও গণমাধ্যমের সামনে প্রেম ও গর্ভপাতের বিষয়টি উভয়েই অস্বীকার করেছেন তারা। তবে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের এই ‘গোপন সম্পর্কের’ কথা এখনও মাঝে মাঝে আলোচনায় আসে।
পরবর্তীতে ২০০৩ সালে পরিচালক কৃষ্ণা বামসির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রামায়া। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে, যার নাম হৃত্বিক কৃষ্ণান। বর্তমানে কৃষ্ণা বামসির সঙ্গে সুখের সংসার করছেন এই অভিনেত্রী।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, রামায়া কৃষ্ণান দক্ষিণের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি দুই যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন এবং তার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬০টি সিনেমা সম্পন্ন করেছেন। সর্বশেষ তাকে রজনীকান্তের সঙ্গে ‘জেলার’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষাজীবনের বহু আকাঙ্ক্ষিত সমাবর্তনের দিনগুলো আসন্ন, ঠিক সেই সময় চিকিৎসকদের পূর্বাভাসকে অস্বীকার করে নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেয় একটি কন্যাসন্তান। প্রসূতি হওয়ার মাত্র ১০ দিন পর, সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন গাউন পরে সমাবর্তন মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সবাইকে বিস্মিত করেছেন ২৪ বছর বয়সী তরুণী গ্রেস শিমচ্যাক।
এই ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের বিগ র্যাপিডসে অবস্থিত ফেরিস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে। গ্রেসের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও মাতৃত্বের এই অভূতপূর্ব মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, গ্রেস শিমচ্যাক, যিনি মিশিগানের বাসিন্দা, তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠান বা গ্র্যাজুয়েশন ১৫ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তিন দিন পর সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হওয়ার কথা ছিল, তবে ৬ ডিসেম্বর হঠাৎ করেই জন্ম নেয় মেয়ে অ্যানাবেল। সদ্য প্রসূতি হয়েও, দীর্ঘদিনের কষ্টে অর্জিত ডিগ্রি গ্রহণের বিশেষ মুহূর্তটি তিনি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাননি।
অনুষ্ঠানের দিন, মাত্র ১০ দিন বয়সী সদ্যোজাত কন্যাকে একটি বেবি ক্যারিয়ারে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে বেঁধে নেন গ্রেস। তার ওপর দিয়েই পরে নেন গ্র্যাজুয়েশন গাউন। যখন গ্রেস মঞ্চে হেঁটে নিজের অনারারি ডিগ্রি নিচ্ছিলেন, পুরো সময়টি ছোট্ট অ্যানাবেল মায়ের উষ্ণতায় শান্তভাবে ঘুমিয়ে ছিল।
গ্রেস ফেরিস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশনে’ অসাধারণ ফলাফলের জন্য ‘ম্যাগনা কাম লডে’ সম্মাননাসহ ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ, সংসার ও মাতৃত্বের কঠিন দায়িত্ব সমানভাবে পালন করেছেন। সমাবর্তন শেষ হওয়ার পর, তিনি মিশিগানের ট্রাভার্স সিটিতে শিশুদের একটি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে গ্রেস বলেন, "ডিগ্রি অর্জনের পেছনে আমার বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম ছিল।" তিনি আরও বলেন, "মেয়ে আগেই জন্ম নিলেও সহপাঠীদের সাথে সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আমি সরিনি, আবার এক মুহূর্তের জন্যও সদ্যোজাতকে নিজের কোলছাড়া করতে চাইনি।"
পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল পাতায় গাউনের ভেতর ছোট্ট অ্যানাবেলকে জড়িয়ে রাখা গ্রেসের ছবিটি প্রকাশিত হলে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নিজের এই অভিজ্ঞতা অন্য সব ব্যস্ত ও সংগ্রামী বাবা-মাকে পড়াশোনা শেষ করার প্রেরণা জোগাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার নিকটবর্তী এলাকায় ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর হামলার চেষ্টা নিয়ে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র মক্কা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ও পবিত্রতম স্থান; সেখানে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সকলের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘পবিত্র মক্কা নগরী আল্লাহ তা’য়ালার ঘর কা’বার কারণে সম্মানিত। এটি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও পবিত্রতম স্থান। এখানে যেকোনো প্রকার হামলা চালানো হলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং নিন্দা জানানো আমাদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ‘এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। হামলাকারী হুতি হোক কিংবা যে কেউ হোক, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এর আগে, সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা ভূপাতিত হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলেও দাবি করা হয়েছে।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনাক্ত করে ধ্বংস করে। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয় এবং এর ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে গিয়ে পড়ে।
আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয়বারের মতো হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও সেখানে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে জোট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর একদিন আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ