ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২৫০ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২৫০ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংক, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার।

ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে বিগত ৫ মাসে সারা দেশে ২৫০ টির বেশি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চলতি বছরের ২৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে নিয়মিত অভিযান। বেশ কিছু অভিযানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ২৫০ টির বেশি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করা হয়েছে। ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের সময় দেওয়া হয়েছে। যেসব ক্লিনিকের লাইসেন্সের মেয়াদ নেই, তাদেরও সময় দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ক্লিনিক তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে। আরও ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলো যাচাই বাছাই করে অনুমোদন করা হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশজুড়ে অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম এবং নিম্নমানের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে ১ হাজার ২৮৫টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধভাবে চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিভাগে।

এরপর রংপুরে ১১১, ময়মনসিংহে ২৫২, রাজশাহীতে ৫৫, চট্টগ্রামে ২৪০, বরিশালে ৪৮, খুলনায় ১৫৬ এবং সিলেটে রয়েছে ৮টি।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

জানা গেছে, গত কয়েক মাস অভিযান চালিয়ে রাজধানীর প্রায় ২৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও তদন্তকারী দল এসব প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত করে এবং তাদের মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানে জরিমানা, আবার অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কিছু প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও ফরিদপুরে চারটি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৬টি ক্লিনিক, শরীয়তপুরে ২টি ক্লিনিক, নরসিংদীতে ২টি, পাবনায় ২টি ক্লিনিক, মানিকগঞ্জে ২টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডে ১টি, রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১টি ক্লিনিক দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা মিলিয়ে প্রায় ২ শতাধিক অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও ব্লড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যেকোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলেই তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি বলেন, রাজধানী থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান ধাপে ধাপে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যারা অবৈধভাবে হাসপাতাল বা ক্লিনিক পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, সারা দেশে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতালের অনিয়ম দূরীকরণ এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে লাইসেন্স যাচাই, চিকিৎসা সরঞ্জামের মান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং চিকিৎসকদের বৈধ সনদপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষনিকভাবে জরিমানা, সিলগালা বা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভুয়া ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদনের পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদনের পদক্ষেপ

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে। এটি সূচিত হয়েছে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি নিশ্চিত করার পর।

এটি জানা গেছে যে, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান এবং পরবর্তী দিন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলির ঘটনার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান এবং তৎকালীন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এই আবেদন করা হয়েছে।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং পুলিশের ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত আইজিকে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রথম পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেছেন, জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ আশঙ্কা করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গেছেন। আশা করা হচ্ছে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হবে।

আদেশক্রমে আরও বলা হয়েছে যে, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের যারা বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার (ইন্টারপোল) সংশ্লিষ্ট বিধিমালার ভিত্তিতে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া, চিঠিতে অগ্রগতির বিষয় জানাতে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এই চিঠিটি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এনসিবি), বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা ছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। এছাড়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, তৎকালীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ এবং গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার। সাংবাদিকদের মধ্যে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিংসুক আত্মীয়কে সরাসরি ব্লক না করে দূরে রাখার তরুণদের নতুন কৌশল ‘সফট ব্লকিং’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


হিংসুক আত্মীয়কে সরাসরি ব্লক না করে দূরে রাখার তরুণদের নতুন কৌশল ‘সফট ব্লকিং’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে সরাসরি ব্লক না করে নিজের ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখা সম্ভব। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠে আসছে এমন একটি নিরব কৌশল, যার নাম হচ্ছে ‘সফট ব্লকিং’।

কার সঙ্গে কোথায় ঘুরতে গেলেন, কোথায় খেতে গেলেন বা ব্যক্তিগত জীবনে কী ঘটছে, এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহজেই অনেকের নজরে চলে আসে। বিশেষ করে যদি আত্মীয় বা স্বজনের কেউ নিয়মিত এসব খোঁজ খবর নিতে থাকে, তখন অনেকেই সাধারণত অস্বস্তিতে পড়েন।

সরাসরি ব্লক করে দিলে পারিবারিক বা সামাজিক সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিন্তু তাইও, কেউ পুরোপুরি ব্লক না করে ধীরে ধীরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূরত্ব তৈরি করার সুযোগ নিচ্ছেন অনেকে।

সফট ব্লকিং কী?

সফট ব্লকিং এর অর্থ হলো কাউকে সরাসরি ব্লক না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সঙ্গে নীরবে দূরত্ব তৈরি করা। এই পদ্ধতিতে রয়েছে কয়েকটি উপায়।

কারও পোস্ট বা গল্প নিজের সামনে না আসার জন্য তাঁকে নীরব করে রাখা যেতে পারে। আবার নিজের পোস্ট বা গল্প নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা যায়।

এছাড়া কাউকে অনুসরণ না করা, নিজের অনুসারীর তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া বা তাঁকে বার্তার উত্তর দেওয়ার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়াও এই পদ্ধতির মধ্যে পড়ে।

কেন এই পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকে?

প্রথমত, গোপনীয়তা রক্ষা করার কারণেই এটি করা হচ্ছে। অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সব তথ্য সবার সঙ্গে ভাগ করতে চান না, তাই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য আড়াল করতেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর, প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে সরাসরি বিরোধে না গিয়ে দূরত্ব বজায় রাখতে এটি একটি উপায় হতে পারে।

দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলার জন্যও অনেকে নীরবভাবে এই দূরত্ব বৃদ্ধি করেন। কাউকে সরাসরি কিছু বলতে গেলে অশান্তি বা তর্ক তৈরি হতে পারে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে তাঁরা এই ব্যবস্থা নেন।

সফট ব্লকিংয়ে কষ্ট বেশি হতে পারে?

সরাসরি কাউকে ব্লক করলে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায়। তবে সফট ব্লকিংয়ের ক্ষেত্রে কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে, তা অনেক সময় বোঝা যায় না।

ফলে যিনি এই পরিস্থিতির মুখে পড়েন, তার মনে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হতে পারে—কী ভুল হয়েছে, কেন তাঁকে এড়িয়ে চলা হচ্ছে, কিংবা তিনি আদৌ কোনো ভুল করেছেন কি না। এই অনিশ্চয়তা মানসিক অস্বস্তি বৃদ্ধি করতে পারে।

সব সময় কি সফট ব্লকিং ভালো?

এটি উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। বিচ্ছেদের পর নিজের মানসিক শান্তির জন্য প্রাক্তন সঙ্গীর কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এটি কার্যকর হতে পারে, যা ব্যক্তিগত সীমারেখা রক্ষার একটি উপায়।

কিন্তু যদি কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধবোধে ভোগানো হয়, তাঁর কাছ থেকে বারবার জানতে চাওয়া বা নিজের পেছনে ছুটতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হয়, তাহলে তা মানসিক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হতে পারে।

সুতরাং, দীর্ঘদিনের বন্ধু বা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে হুট করে নীরবে দূরত্ব না বাড়িয়ে প্রয়োজনে খোলাখুলি কথা বলাই শ্রেয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে শরিক হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে শরিক হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি সেখানে পৌঁছান।

সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

এতে তার সঙ্গে আরও উপস্থিত রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


চার দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে, বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগের, তথ্য আদান-প্রদানের এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট এমন অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা অথবা অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন দূতাবাস।

দূতাবাস আরও জানায়, এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়, যা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থী, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছে এমন বিষয় থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংযত ও সম্মানজনক আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি ঝামেলা এড়ানো সম্ভব এবং এর মাধ্যমে প্রবাসে নিজেদের অবস্থান ও জাতীয় মর্যাদা সুসংহত থাকবে বলেও দূতাবাস প্রত্যাশা করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনার আলোকে প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দূতাবাস এই ধরনের সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%