বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১০ পি.এম
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) মুদ্রানীতির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের বাজারে এই দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ২ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮১ ডলার ৮৯ সেন্টে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৭ ডলার ৯০ সেন্টে নেমে এসেছে।
এএনজেডের বিশ্লেষক সোনি কুমারী মন্তব্য করেন, "জ্বালানি বাজারে এখনো ব্যাপক অনিশ্চয়তা থাকায় স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে।"
বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে হুথি গোষ্ঠীর নতুন হামলার পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়ে গেছে।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় স্বর্ণে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ার সঙ্গে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কাও স্বর্ণের দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
গত সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা ও উৎপাদক মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ছিল। জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়াই এর অন্যতম কারণ। এতে কঠোর মুদ্রানীতির পক্ষে যুক্তি আরও জোরালো হয়েছে।
তবে আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের বৈঠকে ফেড সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখতে পারে বলে অর্থনীতিবিদদের অধিকাংশের ধারণা।
গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার আরও ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়াতে পারে। এতে নীতিনির্ধারণী সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা বেড়ে ৪ থেকে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন বাজারের লেনদেনকারীরা।
এদিকে, আগামী ২৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি পরিমাপের গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকের দিকে নজর রাখছে ফেড। এই তথ্য সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পর্কে নতুন ইঙ্গিত দিতে পারে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের জলবায়ু ও পণ্যবাজারবিষয়ক অর্থনীতিবিদ হামাদ হুসেইন বলেন, "পিসিইর তথ্য ফেডের কাছে মূল্যবৃদ্ধির হার উদ্বেগজনকভাবে বেশি থাকার ইঙ্গিত দিতে পারে।" এতে ফেডের কর্মকর্তারা কঠোর মুদ্রানীতির পক্ষে অবস্থান নিতে পারেন, যা স্বর্ণের দামের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও কমেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৫ ডলার ৮৬ সেন্টে নেমেছে।
প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৮৬ ডলার ২২ সেন্টে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন।
অন্যদিকে, প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫২ ডলারে নেমেছে। এর আগে ধাতুটির দাম ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে চলমান সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতাকে অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত করার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ তীব্র ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি একে 'বাজে বকবক' বা বোকামি হিসেবে অভিহিত করেছেন। ফরাসি সরকার জানিয়েছে, এই সহিংসতার পেছনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বা অভিবাসনের যোগসূত্র নেই।
সম্প্রতি ফ্রান্সের স্কুলশিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সহিংসতা ও লুটপাটে রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইউরোপ যদি তাদের সীমান্ত বন্ধ না করে এবং অপরাধীদের বহিষ্কার না করে, তবে ইউরোপের পতন নিশ্চিত। তিনি ফ্রান্সের চলমান সংকটকে অভিবাসন নীতির ব্যর্থতা হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেন। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, ফরাসি বা ইতালির এই অস্থিরতা স্কুল বা শিক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি অভিবাসনের ফল।
এমন মন্তব্যের জবাবে কাতার সফরকালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ স্পষ্টভাবে জানান, এই দাঙ্গার পেছনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা অভিবাসনের কোনো প্রমাণ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক বিদেশি নেতার এমন মন্তব্য সম্পূর্ণ বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরাও ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে একে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মেরুকরণ এবং নিজেদের অভিবাসনবিরোধী নীতির পক্ষে জনমত তৈরি করতেই ট্রাম্প ইউরোপের এই সংকটকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। সূত্র: আল জাজিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নতি ঘটেনি। পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নজরদারির অভাবের কারণে পর্যটকেরা চরম ঝুঁকি নিয়ে সাগরে গোসল করতে নামছেন। গত ১২ বছরে সৈকত থেকে সাগরে নেমে ভেসে যাওয়ার সময় অন্তত ৮৪ জন পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন।
টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে সুগন্ধা পয়েন্টে সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম হয়েছে। লাইফগার্ডদের হিসাব অনুযায়ী, সেখানে লাখেরও বেশি পর্যটক সাগরে নামছেন। অথচ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন মাত্র আটজন লাইফগার্ড। এর মানে হলো, প্রতি ১২ হাজার ৫০০ পর্যটকের জন্য একজন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করছেন।
সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ বছরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সাগরে নেমে ভেসে যাওয়া ১ হাজার ২০০ পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৪ জন।
ঝুঁকিতে পর্যটকদের চাপ সৈকতের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে। অন্যান্য পয়েন্টেও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে পর্যটকদের অভিযোগ, সমুদ্রস্নানের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক লাইফগার্ড ও নিরাপত্তাকর্মী নেই। কিছু এলাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা চোখে পড়ে না।
সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মী আব্দুর রশীদ মন্তব্য করেন, ‘বর্তমানে সুগন্ধা বিচে আটজন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হলেও তাদের তুলনায় লাইফগার্ডের সংখ্যা অনেক কম। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লাইফগার্ডের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই অসুস্থ পর্যটকদের হাসপাতালে নিতে হয়। এসময় নানা প্রতিকূলতা ও মানুষের বিরূপ মন্তব্যের মুখেও পড়তে হয় আমাদের। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও লাইফগার্ডরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে সরকারের এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া জরুরি।’
পর্যটক রিয়াজ উদ্দিন জানান, ‘সমুদ্রে গোসল করতে নেমে অনেকের প্রাণহানি ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে নিখোঁজ ব্যক্তিদের মরদেহও উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। তাই কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন হতে হবে।’
সৈকতের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নিরাপত্তাকর্মী না থাকার অভিযোগ জানিয়ে আরেক পর্যটক সোয়েব ইফতিখার বলেন, ‘প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়া সহজ হতো। এ জন্য প্রশাসনের আরও নজরদারি প্রয়োজন।’
পর্যটক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই সৈকতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি লাইফগার্ডের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।’
সম্প্রতি পেচারদ্বীপ সৈকতে সাগরে নেমে চার পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। তাকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে লাইফগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।
সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার দূরে হিমছড়ি পয়েন্টে দুই দলের কয়েকজন পর্যটক সাগরে গোসল করতে নেমে স্রোতে ভেসে যান। তাদের মধ্যে একজনকে জীবিত ও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আরও একজনকে সকালে উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।’
পর্যটকদের সাগরে নামার আগে লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘যে স্থানে গোসল করতে নামবেন, সেখানে লাইফগার্ডের নিরাপত্তাসেবা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। যেখানে এ সেবা নেই, সেখানে কোনোভাবেই সাগরে নামা উচিত নয়।’
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতজুড়ে লাইফগার্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত করার পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
হোটেল কক্স-টুডের মহাব্যবস্থাপক আবু তালেব শাহ বলেন, ‘পর্যটকেরা মূলত সমুদ্রসৈকত উপভোগ করতেই কক্সবাজারে আসেন। তাই শৈবাল পয়েন্ট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত পুরো সৈকত এলাকায় লাইফগার্ডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সৈকতে নিরাপত্তাবেষ্টনী ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়, যা তাদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প সম্পর্কেও বিরূপ ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই পর্যটকদের নির্বিঘ্নে সৈকত উপভোগের সুযোগ করে দিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের দৃশ্য দেখে ফেলার কারণে একটি বসতবাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে মান্নান বাহিনীর বিরুদ্ধে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার এলাকায় হাফেজ জয়নালের বসতবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় দুই চাচাতো ভাই আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী আহমেদ নুর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত আহমেদ নুর মিনাবাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে এবং আরাফাত একই এলাকার মোস্তাকের ছেলে।
আহতদের চাচা হাফেজ জয়নাল জানিয়েছেন, বুধবার রাতে মোস্তাক হোয়াইক্যংয়ের মিনাবাজার সীমান্তসংলগ্ন খালে জাঁকিজাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্ত পেরিয়ে মিনাবাজার এলাকার ইউসুফ আলীর দুই ছেলে মান্নান ডাকাত ও সালেহ ডাকাতকে মাদকের চালান নিয়ে আসতে দেখেন তিনি। এরপর ভয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন মোস্তাক।
মোস্তাক বাড়িতে ফিরে আসার খবর পাওয়ার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হাফেজ জয়নালের বাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ সময় শিশু আহমেদ নুরের পেটে গুলি লাগে এবং আরাফাত ছুরিকাঘাতে আহত হন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পুলিশ আসছে—এমন খবর পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে জানান হাফেজ জয়নাল।
তিনি আরও জানান, আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুলিবিদ্ধ আহমেদ নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরাফাত বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের দলের কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাফিজ জানিয়েছেন, ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে যান।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিনাবাজারের এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌঁড়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ