ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ম্যাখোঁর


ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ম্যাখোঁর

ফ্রান্সে চলমান সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতাকে অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত করার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ তীব্র ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি একে 'বাজে বকবক' বা বোকামি হিসেবে অভিহিত করেছেন। ফরাসি সরকার জানিয়েছে, এই সহিংসতার পেছনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বা অভিবাসনের যোগসূত্র নেই।

সম্প্রতি ফ্রান্সের স্কুলশিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সহিংসতা ও লুটপাটে রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইউরোপ যদি তাদের সীমান্ত বন্ধ না করে এবং অপরাধীদের বহিষ্কার না করে, তবে ইউরোপের পতন নিশ্চিত। তিনি ফ্রান্সের চলমান সংকটকে অভিবাসন নীতির ব্যর্থতা হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেন। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, ফরাসি বা ইতালির এই অস্থিরতা স্কুল বা শিক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি অভিবাসনের ফল।

এমন মন্তব্যের জবাবে কাতার সফরকালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ স্পষ্টভাবে জানান, এই দাঙ্গার পেছনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা অভিবাসনের কোনো প্রমাণ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক বিদেশি নেতার এমন মন্তব্য সম্পূর্ণ বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরাও ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে একে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমুদ্রসৈকত বন্ধ ঘোষণা

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মেরুকরণ এবং নিজেদের অভিবাসনবিরোধী নীতির পক্ষে জনমত তৈরি করতেই ট্রাম্প ইউরোপের এই সংকটকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। সূত্র: আল জাজিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে সাগরে গোসল করতে গিয়ে ১২ বছরে ৮৪ পর্যটকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


কক্সবাজারে সাগরে গোসল করতে গিয়ে ১২ বছরে ৮৪ পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নতি ঘটেনি। পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নজরদারির অভাবের কারণে পর্যটকেরা চরম ঝুঁকি নিয়ে সাগরে গোসল করতে নামছেন। গত ১২ বছরে সৈকত থেকে সাগরে নেমে ভেসে যাওয়ার সময় অন্তত ৮৪ জন পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন।

টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে সুগন্ধা পয়েন্টে সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম হয়েছে। লাইফগার্ডদের হিসাব অনুযায়ী, সেখানে লাখেরও বেশি পর্যটক সাগরে নামছেন। অথচ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন মাত্র আটজন লাইফগার্ড। এর মানে হলো, প্রতি ১২ হাজার ৫০০ পর্যটকের জন্য একজন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করছেন।

সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ বছরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সাগরে নেমে ভেসে যাওয়া ১ হাজার ২০০ পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৪ জন।

ঝুঁকিতে পর্যটকদের চাপ সৈকতের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে। অন্যান্য পয়েন্টেও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে পর্যটকদের অভিযোগ, সমুদ্রস্নানের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক লাইফগার্ড ও নিরাপত্তাকর্মী নেই। কিছু এলাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা চোখে পড়ে না।

সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মী আব্দুর রশীদ মন্তব্য করেন, ‘বর্তমানে সুগন্ধা বিচে আটজন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হলেও তাদের তুলনায় লাইফগার্ডের সংখ্যা অনেক কম। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লাইফগার্ডের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই অসুস্থ পর্যটকদের হাসপাতালে নিতে হয়। এসময় নানা প্রতিকূলতা ও মানুষের বিরূপ মন্তব্যের মুখেও পড়তে হয় আমাদের। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও লাইফগার্ডরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে সরকারের এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া জরুরি।’

পর্যটক রিয়াজ উদ্দিন জানান, ‘সমুদ্রে গোসল করতে নেমে অনেকের প্রাণহানি ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে নিখোঁজ ব্যক্তিদের মরদেহও উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। তাই কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন হতে হবে।’

সৈকতের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নিরাপত্তাকর্মী না থাকার অভিযোগ জানিয়ে আরেক পর্যটক সোয়েব ইফতিখার বলেন, ‘প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়া সহজ হতো। এ জন্য প্রশাসনের আরও নজরদারি প্রয়োজন।’

পর্যটক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই সৈকতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি লাইফগার্ডের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।’

সম্প্রতি পেচারদ্বীপ সৈকতে সাগরে নেমে চার পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। তাকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে লাইফগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার দূরে হিমছড়ি পয়েন্টে দুই দলের কয়েকজন পর্যটক সাগরে গোসল করতে নেমে স্রোতে ভেসে যান। তাদের মধ্যে একজনকে জীবিত ও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আরও একজনকে সকালে উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।’

পর্যটকদের সাগরে নামার আগে লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘যে স্থানে গোসল করতে নামবেন, সেখানে লাইফগার্ডের নিরাপত্তাসেবা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। যেখানে এ সেবা নেই, সেখানে কোনোভাবেই সাগরে নামা উচিত নয়।’

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতজুড়ে লাইফগার্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত করার পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

হোটেল কক্স-টুডের মহাব্যবস্থাপক আবু তালেব শাহ বলেন, ‘পর্যটকেরা মূলত সমুদ্রসৈকত উপভোগ করতেই কক্সবাজারে আসেন। তাই শৈবাল পয়েন্ট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত পুরো সৈকত এলাকায় লাইফগার্ডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সৈকতে নিরাপত্তাবেষ্টনী ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়, যা তাদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প সম্পর্কেও বিরূপ ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই পর্যটকদের নির্বিঘ্নে সৈকত উপভোগের সুযোগ করে দিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক পাচারের দৃশ্য দেখে ফেলায় বসতবাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


মাদক পাচারের দৃশ্য দেখে ফেলায় বসতবাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের দৃশ্য দেখে ফেলার কারণে একটি বসতবাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে মান্নান বাহিনীর বিরুদ্ধে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার এলাকায় হাফেজ জয়নালের বসতবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় দুই চাচাতো ভাই আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী আহমেদ নুর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত আহমেদ নুর মিনাবাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে এবং আরাফাত একই এলাকার মোস্তাকের ছেলে।

আহতদের চাচা হাফেজ জয়নাল জানিয়েছেন, বুধবার রাতে মোস্তাক হোয়াইক্যংয়ের মিনাবাজার সীমান্তসংলগ্ন খালে জাঁকিজাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্ত পেরিয়ে মিনাবাজার এলাকার ইউসুফ আলীর দুই ছেলে মান্নান ডাকাত ও সালেহ ডাকাতকে মাদকের চালান নিয়ে আসতে দেখেন তিনি। এরপর ভয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন মোস্তাক।

মোস্তাক বাড়িতে ফিরে আসার খবর পাওয়ার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হাফেজ জয়নালের বাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ সময় শিশু আহমেদ নুরের পেটে গুলি লাগে এবং আরাফাত ছুরিকাঘাতে আহত হন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পুলিশ আসছে—এমন খবর পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে জানান হাফেজ জয়নাল।

তিনি আরও জানান, আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুলিবিদ্ধ আহমেদ নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরাফাত বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের দলের কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাফিজ জানিয়েছেন, ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে যান।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিনাবাজারের এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে, জানতে চাইলেন জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে, জানতে চাইলেন জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌঁড়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজেকে সেনা সদস্যসহ আহত ৬, দুই ঘণ্টা গোলাগুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


সাজেকে সেনা সদস্যসহ আহত ৬, দুই ঘণ্টা গোলাগুলি

রাঙামাটির সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন সদস্য এবং পুলিশের দুই সদস্য রয়েছেন। এই তথ্য বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী উজোবাজারে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।’

তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরো পড়ুন

নভেম্বরের শুরুতেই ৩ দিনের ছুটি, পাবে যারা

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উজোবাজারে সাজেক সড়কে অবরোধ চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ি নেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অবরোধকারীরা প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়লেও এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পর্যটকরা নিরাপদে দিঘিনালার কাছাকাছি পৌঁছেছেন।

পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানান, সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে উজোবাজারে অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন

চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, আবেদন চলবে যত দিন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%