ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হবে


বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হবে

বর্তমান সরকার যে বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে, তা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে হলে, মানুষের অবশ্যই কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যথানিয়মে সব সৃষ্টির যত্ন ও পরিচর্যা করা মানব সমাজের দায়িত্ব। বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সঙ্গে এটি প্রমাণিত সত্য যে, বাস্তুতন্ত্র এবং মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। বাস্তুতন্ত্রের নিরাপদ লালন এবং বিকাশের সঙ্গে মানব সমাজের নিরাপদ বেড়ে ওঠা একভাবে জড়িত। সুতরাং আজকের এই পরিবেশ মেলা এবং বৃক্ষমেলার আয়োজন, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বলেই আমি মনে করি।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা নিয়ে নতুন করে আরও কিছু বলার নেই। বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন সম্পর্কে আমরা সবাই কিছুটা অবগত। আপনার-আমার-আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য সবুজায়ন জরুরি। একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে, আসুন আমরা একটি করে গাছের মাধ্যমে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি। একজন নবজাতকের সঙ্গে একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন এগিয়ে যাক।

তারেক রহমান বলেন, সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকার পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠন অসম্ভব নয়। তবে মনে রাখতে হবে, ইচ্ছেমতো গাছ রোপণ করলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। বরং কোন পরিবেশে, কিসের মাটিতে, কী ধরনের আবহাওয়ায়, কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা উচিত, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ইউক্যালিপটাস কিংবা আকাশমণি প্রজাতির গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে, কিন্তু পরিবেশের জন্য এ ধরনের গাছ কেমন উপযোগী, তা অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ওষুধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয়, বনজ, ফলদ, অর্থকরী এবং বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তারেক রহমান বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা এবং তারা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটির নিশ্চিতকরণ তার চেয়েও বেশি জরুরি। স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমি আশা করি বনবিভাগ ব্যবস্থা নেয়। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর ভবিষ্যতের উদ্বেগের বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, সর্বোপরি জন জীবনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বাস্তবতায়, বর্তমান সরকার পরিবেশকে আলাদা খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো, একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন এবং জলবায়ু-সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ সমান্তরালভাবে এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি, সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখননের যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, সেটি শুধু কৃষকদের জন্য বছরজুড়ে কৃষি সেচ সুবিধা নিশ্চিত করবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কিংবা খাল খননের ওপর নির্ভর করে না। রাজধানী এবং বিশেষ করে সারাদেশের প্রতিটি নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনাও অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে, জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল এই থ্রিআরএস নীতির বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে আনতে হলে এটি শুধুমাত্র নগর প্রশাসন কিংবা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন ছোট-বড় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ। আমি প্রতিটি নাগরিককে আহ্বান জানাচ্ছি, অনুগ্রহ করে যেখানে সেখানে বর্জ্য বা উচ্ছিষ্ট ফেলবেন না। ঘর ও বাইরের সবসময় সব বর্জ্য নির্ধারিত স্থনে ফেলুন। নিজে সুস্থ থাকুন এবং পরিবারের জন্য পরিবেশ সুন্দর রাখুন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাধারণ জ্বরের আড়ালেই ডেঙ্গু-হাম, প্রয়োজন সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


সাধারণ জ্বরের আড়ালেই ডেঙ্গু-হাম, প্রয়োজন সতর্কতা

ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখা এবং সচেতন হওয়া গেলে সামনে দিনগুলোতে ডেঙ্গুর রোগীর সংখ্যা কমে আসা সম্ভব বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালগুলোতে সব বয়সের ডেঙ্গু রোগী মিলছে। অন্যদিকে, আগের তুলনায় হামের রোগী সংখ্যা হাসপাতালগুলোতে কমে যাচ্ছে।

ডেঙ্গু মৌসুম শুরুর আগে হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীরা পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় চার মাস ধরে চলতে থাকা হামের প্রকোপের কারণে অনেকেই হাম এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছেন।

হাসপাতালের বিছানায় শিশু থেকে বৃদ্ধ বিভিন্ন রকমের রোগী আছে, যাদের মধ্যে অনেকেই তীব্র শরীর ব্যথা, জ্বর নিয়ে ভুগছেন। তারা কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং অনেকেই এখন সুস্থতার পথে এগোচ্ছেন।

ডেঙ্গু থেকে রেহায় পেতে সচেতনতার বিকল্প নেই, জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। জ্বরের প্রথম দুই দিনের মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ তাদের।

প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে হলেও তা ডেঙ্গু বা হামের লক্ষণ হতে পারে। তারা নিকটস্থ ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি না ঘটানোর দিকে মনোযোগ দেবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস ধর্ষণ মামলা, রায় হবে ১৪ জুলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


এমসি কলেজ ছাত্রাবাস ধর্ষণ মামলা, রায় হবে ১৪ জুলাই

সিলেটের এমসি (মুরারিচাঁদ) কলেজ ছাত্রাবাসে ঘটে যাওয়া স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে।

বুধবার (৮ জুলাই) আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রায় ঘোষণার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিকে, সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন জানিয়েছেন যে, বুধবার উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে নিজেদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত রায় ঘোষণার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং তারপর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলাটির মধ্যে মোট ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ভুক্তভোগী গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।

মামলার বিবরণে দেখা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও মাত্র তিন দিন সময়ের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত ছয়জন ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেফতার করে। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

মামলার আসামিরা হলেন: সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমান। এরা সকলেই ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক

সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক বর্তমানে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে সীমান্তের জাদুকাটা নদী ও রক্তি নদীর পানি বেড়ে গিয়ে এবং পাহাড়ি ঢলের পানির কারণে সড়কের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকা অবস্থিত ‘১০০ মিটার’ নামক জায়গাটি প্লাবিত হয়েছে। এতে সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন হয়নি, তবে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন ও স্থানীয় লোকজন চলাচল করছেন।

সূত্র থেকে জানা যায়, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে সীমান্তের জাদুকাটা ও রক্তি নদীর পানি বুধবার (৮ জুলাই) থেকেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পাশাপাশি তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। রক্তি নদীর পানি শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে ১১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি বিপৎসীমার ০ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে আজ সকালে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের শক্তিয়ারখলা এলাকার ১০০ মিটার নামের স্থাপনাটি পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়।

তাহিরপুর আলিম মাদরাসার প্রভাষক আশিকুর রহমান বলেন, আমি সকালে মাদরাসায় যাওয়ার পথে শক্তিয়ারখলা এলাকায় পৌঁছালে দেখি, পাকা সড়কের বেশ কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানে পানি প্রায় দেড় ফুটের উপরে রয়েছে, ফলে সবাই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ মো. এমদাদুল হক জানান, ভারি বৃষ্টির ফলে জাদুকাটা এবং রক্তি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি ঢলের পানির কারণে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। তিনি জানান, এই পানি বেশিক্ষণ থাকবে না।

বিশ্বম্ভরপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, সড়ক প্লাবিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন যে, যে অংশটুকু প্লাবিত হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে এটি প্রতি বছর কয়েকবার প্লাবিত হয়ে থাকে। তিনি আরও জানিয়েছেন, পাহাড়ি ঢল কমলে সড়কের এই প্লাবিত অংশ আবার জেগে উঠবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাইভেটকার থেকে ১৬ হাজার ইয়াবা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


প্রাইভেটকার থেকে ১৬ হাজার ইয়াবা জব্দ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশির সময় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার এবং নতাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার নাসিরাবাদ এলাকার মো. ফিরোজ (৪৬) এবং অপরজন হলেন মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মো. মিলন গাজী (৩৮)।

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে একটি প্রাইভেটকারযোগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিল ইয়াবার একটি চালান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা টোল প্লাজার এলাকায় ওই প্রাইভেটকারটি আটক করে তল্লাশি চালান। তল্লাশির সময় ওই যানবাহন থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। ঘটনাটির সাথে জড়িত দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%