বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০১ পি.এম
মঙ্গলবার দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে কামরুল হাসান রাজধানীর কাওরান বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসেন। তিনি প্যাডেলচালিত তিন চাকার ভ্যান শিকল দিয়ে তালা লাগিয়ে বাজারে প্রবেশ করেন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাজার ঘুরে তিনি কিছুই কিনতে পারেননি।
কামরুল যুগান্তরকে জানান, "গতকাল ভোররাত থেকে পণ্য পরিবহণ শেষে ৬৬৫ টাকা ইনকাম করেছি। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ভ্যান নিয়ে বের হতে পারি। এই টাকার মধ্যে ভ্যান মালিকের জমা দিতে হবে। পাশাপাশি পরিবারের ৫ সদস্যের জন্য খাবার কিনতে হবে। কিন্তু বাজারে পণ্যের যে দাম, তা শুনেই মাথা ঘুরছে। শুক্রবার বাজার করতে এসেছিলাম। এখন এসে দেখি অনেকগুলো পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।"
মঙ্গলবার রাজধানীর একাধিক খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা, যা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির আগের দিন অর্থাৎ শনিবার ছিল ৫৫ টাকা। প্রতিকেজি বেগুন আকার ও মানভেদে ৯০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৮০-১২০ টাকা। প্রতিকেজি শসা সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু এই একই শসা শনিবার সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ১২০ থেকে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল সর্বনিম্ন ৮০ টাকা। প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়, যা আগে ১৫০ টাকা ছিল। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৮০ টাকা, যা আগে ১৬০ টাকা ছিল।
খুচরা পর্যায়ে বড় দানার মসুর ডাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০০ টাকা, যা আগে ৯০-১০০ টাকা ছিল। প্রতিকেজি খোলা আটা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৪৮ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতিকেজি খোলা ময়দা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, যা আগে ৬৫ টাকা ছিল। খোলা পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে লিটারপ্রতি ১৭০ টাকা, যা আগের দিনও ১৬৬ টাকা ছিল। প্যাকেটজাত তরল দুধ প্রতিলিটার বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, যা আগে ১০০ টাকা ছিল।
বিক্রেতারা বলছেন, "সরকার তেলের দাম বাড়িয়েছে, তাই পণ্যের দাম বেড়েছে। মনে হচ্ছে একটা সময় আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ নেতারা এই বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
বর্তমানে প্রায় তিন বছর পূর্ণ করতে চলা এই সংঘাতের কারণে ইসরাইল মারাত্মক কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে।
সম্মেলনে বিশ্বনেতারা গাজার পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতা জাতিগত নির্মূলের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ বলে অভিহিত করেছেন। কাতার এবং জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা ও ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
এটি শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ নয়, পশ্চিমা মিত্ররাও ইসরাইলের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নীতি নিরাপত্তার বদলে উলটো হুমকি বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার নিন্দা জানালেও, তিনি বলেন যে, এটি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেয় না। এছাড়া ব্রাজিল, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও কড়া ভাষায় ইসরাইলি সরকারের সমালোচনা করেছেন।
বক্তৃতার মঞ্চের বাইরেও এই ক্ষোভ এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর, জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার মানবিক সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।
এছাড়া ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরাইলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি মাত্র ৬ বছর বয়সি চীনা শিশু রুবিকস কিউব মেলানোর প্রতিযোগিতায় নারীদের বিভাগে নতুন বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছে। লিয়ান ইউংঝি নামের এই শিশুটি মাত্র তিন দিনের মধ্যে চীনের গুয়াংজু ও উহান শহরে অনুষ্ঠিত দুটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায় নিজের পূর্ববর্তী রেকর্ড নিজেই ভেঙে ফেলেছে।
গড়ে ৪.২৭ সেকেন্ড সময়ে ৩×৩ আকারের রুবিকস কিউব মিলিয়ে সে এই চমকপ্রদ রেকর্ড গড়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি-এর তথ্য অনুযায়ী, চেংদু শহরের এই খুদে স্পিড কিউবার প্রথম নারী হিসেবে সাড়ে চার সেকেন্ডের কম সময়ে কিউব মেলানোর অনন্য রেকর্ড গড়লেন। ‘ঝিঝি’ ডাকনামের এই শিশুটি ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩০০-র বেশি রুবিকস কিউব সলভিং অ্যালগরিদম আয়ত্ত করেছে।
লিয়ানের মা লিন ইয়াংসি জানিয়েছেন, তার মেয়ে প্রতিদিন নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা রুবিকস কিউব নিয়ে চর্চা করে। নাচ ও সঙ্গীতের পাশাপাশি শখের বশে কিউব ক্লাসে ভর্তি হলেও পরবর্তীতে মেয়ের মেধা ও আগ্রহ দেখে তারা এই স্পিড কিউবিংয়ের প্রতি বেশি মনোযোগ দেন।
মায়ের মতে, নিয়মিত রুবিকস কিউব চর্চা শিশুদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং যৌক্তিক চিন্তাভাবনা বৃদ্ধিতে দারুণভাবে সহায়তা করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক লে. কর্নেল (বরখাস্ত) তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে কারাগারে উচ্ছৃঙ্খল ও অশোভন আচরণ এবং কারাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার জান্নাত-উল-ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাস্তির অংশ হিসেবে তাকে টেলিফোনে যোগাযোগ ও পারিবারিক সাক্ষাতসহ সব ধরনের যোগাযোগ এক মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া, মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জেল সুপার জানান, প্রশাসনিক কারণে গত ৫ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে তারেক সাঈদকে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয়। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ প্রদর্শন করছিলেন এবং কারাবিধি না মেনে নিজের ইচ্ছামতো চলাফেরা করতেন। কারাকর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গেও তিনি অসম্মানজনক আচরণ করতেন।
তিনি বলেন, ২ সেপ্টেম্বর মুন্সিগঞ্জ কারাগারে দায়িত্বে আসার পর অন্যান্য সেলে আটক বন্দিদের পরিদর্শনে গেলে তারেক সাঈদ তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং সেল এলাকা থেকে চলে যেতে বলেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে কারাবিধি অনুযায়ী তার পারিবারিক সাক্ষাৎ এক মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয়।
এছাড়া, ১৬ সেপ্টেম্বর সেল এলাকায় সাপ্তাহিক পরিদর্শনের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক বন্দি মো. কামাল হোসেন আগে থেকে সেলে রাখা ময়লাযুক্ত পানি তার দিকে ছুড়ে মারেন।
জিজ্ঞাসাবাদে কামাল হোসেন দাবি করেন, ২ সেপ্টেম্বর তারেক সাঈদকে শাস্তি দেওয়ার পর তারেকই তাকে এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা ও ইন্ধন দেন। বিনিময়ে প্রতিদিন পাওয়া সিগারেট তাকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল বলেও কামাল জানান।
জেল সুপার বলেন, পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে তারেক সাঈদের উপস্থিতিতে কামাল হোসেন জানান, এ ধরনের ঘটনা ঘটালে তাকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে এবং কারা কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অন্য লোক দিয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করার বিষয়েও তাকে বলা হয়েছিল।
এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধেই কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কামাল হোসেনকে এক মাসের ডান্ডাবেড়ি পরানো এবং অন্য কারাগারে বদলির শাস্তি দেওয়া হয়। আর তারেক সাঈদের টেলিফোনে যোগাযোগ ও পারিবারিক সাক্ষাৎসহ সব ধরনের যোগাযোগ এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার শাস্তি দেওয়া হয়।
জেল সুপার বলেন, তারেক সাঈদের আচরণ উগ্র, বদমেজাজি, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উচ্ছৃঙ্খল। তাকে নিয়ন্ত্রণে কারা কর্তৃপক্ষ কঠোর ভূমিকা নিলে তিনি বিভিন্নভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানির চেষ্টা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেল সুপার জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, ৪-৫ জন কারারক্ষী দিয়ে মারধরের বিষয়টি সঠিক নয়। তার বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণে তিনি বা তার স্বজনদের মাধ্যমে কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করার উদ্দেশে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তারেক সাঈদ মোহাম্মদ নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা দুটি মামলাতেও তিনি বিচারাধীন বন্দি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদী থেকে একটি চরম ক্লান্ত হাতিশাবক উদ্ধার করা হয়েছে, যা পরে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মানবিকতার নজির স্থাপন করেছে স্থানীয় সাহসী মৎস্যজীবীদের একটি দল। উদ্ধারকৃত শাবকটি সুস্থভাবে তার মায়ের সঙ্গে গভীর জঙ্গলে ফিরে গেছে।
এই ঘটনা ঘটেছিল গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের গাজলডোবা এলাকায়। খবরটি প্রকাশ করেছে গাল্ফ নিউজ।
উল্লেখযোগ্য, উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সদস্যরা প্রথমে তিস্তা ব্যারাজের কাছে নদীতে শাবকটিকে ভেসে থাকতে দেখেন। এরপর মৎস্যজীবী মিথু দাস, রাজেশ দাস, বিশ্বনাথ দাস, গোপাল দাস এবং বাবলু দাস নৌকায় করে দ্রুত মাঝনদীতে পৌঁছান। তারা সবাই মিলে সাবধানে হাতিশাবকটিকে তাদের নৌকায় তুলে নিরাপদে নদীর তীরে নিয়ে আসেন।
তীরে পৌঁছানোর পর শাবকটিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদিও নদীতে ভেসে থাকার কারণে শাবকটি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, তবে শারীরিকভাবে এটি সুস্থ ছিল।
এদিকে, কিছুক্ষণের মধ্যেই শাবকের খোঁজে তার মা নদীর তীরে চলে আসে। অবশেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মা ও শাবকের একটি আবেগঘন পুনর্মিলন ঘটে এবং তারা নিরাপদে বনের ভেতরে চলে যায়।
উল্লেখ্য, জলপাইগুড়ি জেলার গাজলডোবা এলাকায় প্রায়ই বন্য হাতির দল যাতায়াত করে। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের হাতিশাবকের প্রতি এই মানবিক উদ্যোগ বন্যপ্রাণী রক্ষায় একটি দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ