শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা দেশে এলে তাকে দুইটি হাতকড়া নিয়ে রিসিভ করা হবে।
এটি শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন। ওই দিন উপজেলার রতনপুর গ্রামে অসহায় বৃদ্ধা গোলাপী বেগমের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের স্বার্থে লুটপাট করে এ দেশের সমস্ত কিছু নিয়ে গেছে। তবে এখন তারা সেই লুটপাটের টাকা খেতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবে এবং তার ফাঁসি হবে।
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, মাঝে মাঝে শোনা যায়, উঁকি দিয়ে বলা হয়, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাকি শেখ হাসিনা এখানে আসবে। তিনি জানান, এই কথাগুলো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বলা হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট আমলের যারা লুকিয়ে আছে, তারা যেন পুলকিত হয়, সে কারণে এসব কথা বলা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা তো বলি, আপনি ৩১ ডিসেম্বর কেন, কালকেই আসেন। আমরা আপনাকে আইনের মাধ্যমে রিসিভ করব। সঙ্গে দুইটি হাতকড়া থাকবে।
বিমানমন্ত্রী বলেন, আপনি (শেখ হাসিনা) যে মানবতাবিরোধী অমানবিক আচরণ করেছেন বাংলাদেশের মানুষের ওপর, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। এই বিচার করার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। তিনি জানান, আমরা পার্শ্ববর্তী দেশকে অনুরোধ করেছি, অতিসত্বর শেখ হাসিনাসহ তার দোষীদের আমাদের কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনসহ ৪২টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালায় ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপী প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে সাইকেল র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
সমাবেশটি পাইকগাছার মাহমুদকাটী এলাকার অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে সাইকেল র্যালি শুরু হয়। র্যালিটি কপিলমুনি ও কাশিমনগর হয়ে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এই সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে প্রচার চালানো হয়।
সমাবেশে সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র।
নিখিল চন্দ্র ভদ্র মন্তব্য করেন, "এ মুহূর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই। উপকূলজুড়ে এ জ্বালানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "উপকূলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য প্রচুর জমি রয়েছে। রামপাল ও মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিদ্যমান জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এ ছাড়া উপকূলের বেড়িবাঁধ ও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যেতে পারে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন।"
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, জীবাশ্ম জ্বালানি বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত করার পাশাপাশি বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে। দূষণের কারণে সৌর প্যানেলে ধুলার স্তর জমে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। বক্তারা বলেন, "তাই বায়ুদূষণ কমানো গেলে সৌর প্যানেলের কার্যকারিতাও বাড়বে।"
তারা আরও বলেন, "নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার সঙ্গেও যুক্ত। আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ঝুঁকি কমাতে দেশের নিজস্ব নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য সুস্পষ্ট পথনকশা, কার্যকর পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন।"
বক্তারা এ পরিবর্তনটি শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, "এ ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ৪২টি সংগঠন যৌথভাবে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক প্রচারাভিযানের উদ্যোগ নিয়েছে।"
সমাবেশে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীরণ দে, অনির্বাণ লাইব্রেরির সহসভাপতি বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র, উন্নয়নকর্মী এস এম আফজাল হোসেন এবং পরিবেশকর্মী শহিদুল ইসলামও বক্তব্য দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি উচ্চবিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলির আক্রমণে অন্তত একজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিনদানো প্রদেশের দক্ষিণ কোতাবাতোর বাঙ্গা ন্যাশনাল হাইস্কুলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
তবে হতাহতদের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের বক্তব্যের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ কোতাবাতোর গভর্নর রেইনালদো তামায়ো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি হামলাকারীর পরিচয় বা সে নিহত বা আহতদের মধ্যে রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। অন্যদিকে, স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে বাঙ্গা পৌরসভার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সকল শ্রেণি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। প্রাথমিক সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে ফিলিপাইন রেড ক্রসের একটি চিকিৎসা দল পাঠানো হয়েছে।
ফিলিপাইনের শিক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে শান্ত থাকার এবং যাচাই না করা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ফিলিপাইনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা ও ব্যবহার তুলনামূলক বেশি হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা একেবারেই বিরল। এর আগে গত জুন মাসে দেশটির মধ্যাঞ্চলের একটি স্কুলে সহপাঠীদের গুলিতে ৩ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, সে সময় পুরোনো বিরোধ ও বুলিংয়ের কারণে ওই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শহীদ বীর আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, রংপুরবাসী গর্বিত যে এমন একজন সন্তান তাদের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "আমি রংপুরে এসেছি এই বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য। যে স্থানে দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ দুই হাত উঁচু করে সাহসের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। যা সারা বাংলাদেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের বীজ এই রংপুর থেকেই বপন করেছিলেন বীর শহীদ আবু সাঈদ।"
তিনি আরও বলেন, "আবু সাঈদ আমাদের শিখিয়ে গেছেন কীভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। তার সেই দৃশ্য সারা বাংলাদেশের মানুষকে নাড়া দিয়েছিল এবং দেশের জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই করার সাহস জুগিয়েছিল।"
আবু সাঈদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "রংপুরবাসী ও স্থানীয় প্রশাসনকে আবু সাঈদের পরিবারের পাশে থাকতে হবে। এই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, আবু সাঈদের নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে লেখা থাকবে।"
বেরোবির শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই। তাদের নেতৃত্বে এই রংপুর থেকে আবু সাঈদের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়েছিল এবং সেই লড়াই ৫ আগস্ট শেষ হয়। যে জাতি রক্ত দিতে জানে, যে জাতি মরতে জানে, সেই জাতিকে কেউ হারাতে পারে না।"
এ সময় আবু সাঈদের আন্দোলনের সময়কার ফুটেজ ধারণ ও প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "সবশেষে আমি প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। যারা পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়ে সেই ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন এবং প্রকাশ করেছিলেন। এই একটি দৃশ্য বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম ভূমিকা রেখেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা "ছাত্রদলের রাকিবকে অনুসরণ করুন" মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
উপাচার্য জানান, তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নয়, বরং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে অনুসরণ করতে বলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ছাত্রদলের ওই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাকিবের কাজের প্রতি আগ্রহ, সক্রিয়তা ও কর্মনিষ্ঠার উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছিল। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা যেন রাকিবের মতো আরও দায়িত্বশীল ও কর্মনিষ্ঠ হন।
অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন আরও উল্লেখ করেন, তাঁর বক্তব্যের একটি অংশ পরবর্তী সময়ে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা থেকে মনে হয়েছে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে একজন নির্দিষ্ট ছাত্রনেতাকে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন।
তিনি বলেন, "রাকিবের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, তার কর্মনিষ্ঠার বিষয়টিই আমি উদাহরণ হিসেবে বলেছি।" উপাচার্যের মতে, কোনো ব্যক্তির একটি ইতিবাচক গুণের প্রশংসা করা মানেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান বা মতাদর্শকে সমর্থন করা নয়।
এছাড়া, তিনি জানান, ভালো গুণ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের একক বিষয় নয়। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির কিংবা অন্য কোনো সংগঠনের মধ্যে ভালো বৈশিষ্ট্য থাকলে সেটি উদাহরণ হিসেবে সামনে আনা যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তির একটি ভালো দিক অনুসরণ করার অর্থ তাঁর সব রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুসরণ করা নয়।
নিজের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, "কোনো বক্তব্যের একটি অংশ আলাদা করে বিচার না করে সেটি কোন পরিস্থিতিতে এবং কাদের উদ্দেশে বলা হয়েছিল তা বিবেচনা করা উচিত।"
সমালোচনার বিষয়ে অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, "দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভুল হলে গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হেয় করা উচিত নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কল্যাণকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জবি ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ওই বক্তব্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাকিবকে অনুসরণ করার আহ্বান জানানোর বিষয়টি সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ