০২:৪৯ পি.এম
জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসিকিউশন আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করতে চায় বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলার অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
এ মাসে তিনটি মামলার রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে স্বাভাবিক গতিতে ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ চলমান রয়েছে। তার চেয়ে দ্রুত বিচার কাজ করা হলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তবে জুলাইয়ের সব বিচার আগামী এক বছরের মধ্যে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন। তাদের কর্মী বাহিনী ইতিমধ্যে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
'জুলাইয়ের মামলার পাশাপাশি গুম-খুনের মামলাগুলোও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। দেশে ৩ হাজারের বেশি ক্রসফায়ারের অভিযোগ রয়েছে। সেই সকল বিষয় তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থা', যোগ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো পলাতক আসামি আইনের কোনো সুবিধা পাবে না। শেখ হাসিনাসহ যতগুলো মামলার রায়ের পর আপিল হয়েছে, সেগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি জন্য কাজ চলছে। দ্রুতই শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, যাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ বা জরিমানার নির্দেশ আদালতের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে, সেগুলো কী প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে তা আইনকানুন পর্যালোচনা করে কার্যকর করা হবে। আন্তর্জাতিক আইন পর্যালোচনা করেও পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও, গুম ও ক্রসফায়ারের দুই মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও তারেক সাঈদকে ১০ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন