ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭ বছরের অনুষ্কার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫–৬ লাখ টাকা


৭ বছরের অনুষ্কার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫–৬ লাখ টাকা

প্রায় সাত বছর আগে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মানিক শীলের পরিবারে একমাত্র সন্তান অনুষ্কার জন্ম হয়। পরিবারের সদস্যরা মেয়েকে ঘিরে যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, তা হঠাৎ করেই ভেঙে পড়ে। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করালে জানা যায়, তার ব্রেন টিউমার রয়েছে।

শুরুতে সাধারণ অসুস্থতা মনে হলেও, অনুষ্কার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। এরপর তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার ব্রেন টিউমারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকেরা দ্রুত অপারেশনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। অপারেশন ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। তবে, এই অর্থ সংগ্রহ করা স্বল্প আয়ের পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

অনুষ্কার বাবা মানিক শীল পেশায় একজন চুল কাটার কর্মী। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। একমাত্র সন্তানকে বাঁচানোর জন্য তিনি সরকার, দানশীল ব্যক্তি, সমাজের বিত্তবান এবং মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

মানিক শীল বলেন, "আমার মেয়েকে বাঁচাতে অপারেশন করাতে হবে। কিন্তু এত টাকা আমার একার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। সমাজের মানুষের সহযোগিতা পেলে আমার মেয়েটা হয়ত নতুন জীবন ফিরে পাবে।"

মঠবাড়িয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, "আমরা এই পরিবারের পাশে দাঁড়াব। আর্থিক সহায়তার জন্য আমাদের কাছে আবেদন করলে পরিবারটিকে সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার ব্যবস্থা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

ছোট্ট অনুষ্কার চিকিৎসার জন্য এখন মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। মানুষের সহযোগিতায় হয়ত একটি শিশুর জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে, এবং তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সহযোগিতার জন্য বিকাশঃ 01725-097633 (শিশুটির বাবা)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে স্বজনের গ্রিন কার্ড স্পনসর হতে প্রয়োজনীয় আয় জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে স্বজনের গ্রিন কার্ড স্পনসর হতে প্রয়োজনীয় আয় জানুন

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিক ও বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের বিদেশে অবস্থানরত স্বজনদের গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে নির্দিষ্ট আর্থিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা আবশ্যক। এই প্রক্রিয়ায় স্পনসরকে সাধারণত ফর্ম আই-৮৬৪, অর্থাৎ অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট জমা দিতে হয়। এই নথির মাধ্যমে স্পনসর আইনগতভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে যুক্তরাষ্ট্রে আগত অভিবাসী প্রয়োজন হলে তার আর্থিক সহায়তা পাবেন এবং সরকারি সহায়তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, অধিকাংশ পরিবারভিত্তিক অভিবাসন আবেদনে এই আর্থিক সহায়তার নথি প্রয়োজন হয়। কিছু নির্দিষ্ট কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসন ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হতে পারে, যদি আবেদনকারীর হয়ে কোনো মার্কিন নাগরিক, বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা মার্কিন নাগরিকত্বধারী আত্মীয় আবেদন করেন।

মূল বিষয় হলো, স্পনসরের আয় তার পরিবারের মোট সদস্যসংখ্যার জন্য নির্ধারিত ফেডারেল দারিদ্র্যসীমার অন্তত ১২৫ শতাংশ হতে হবে। অর্থাৎ, সবার জন্য একই আয়সীমা প্রযোজ্য নয়। স্পনসরের পরিবারে সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আয়ের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।

২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের দারিদ্র্য নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪৮টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই সদস্যের পরিবারের দারিদ্র্যসীমা ২১ হাজার ৬৪০ ডলার। এর ১২৫ শতাংশ হলো ২৭ হাজার ৫০ ডলার। তিন সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে দারিদ্র্যসীমা ২৭ হাজার ৩২০ ডলার এবং ১২৫ শতাংশের হিসাব দাঁড়ায় ৩৪ হাজার ১৫০ ডলার। চার সদস্যের পরিবারের জন্য দারিদ্র্যসীমা ৩৩ হাজার ডলার এবং ১২৫ শতাংশ হলো ৪১ হাজার ২৫০ ডলার। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনীয় আয়ও বাড়ে।

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। স্পনসরের নিজের আয় যদি তার নির্ধারিত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ১২৫ শতাংশ সীমা পূরণ করে, তাহলে অন্য পরিবারের সদস্যদের আয় যোগ করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে পরিবারের সদস্যসংখ্যা হিসাবের বাইরে থাকবে। বরং আই-৮৬৪ ফর্মে স্পনসরের পরিবারের সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেই প্রয়োজনীয় আয়ের সীমা ঠিক করা হয়।

পরিবারের সদস্যসংখ্যা নির্ধারণের সময় স্পনসরের স্বামী বা স্ত্রী, নির্দিষ্ট সন্তান, আয়কর রিটার্নে নির্ভরশীল হিসেবে দেখানো ব্যক্তি, যে অভিবাসীকে স্পনসর করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অন্যান্য অভিবাসী আবেদনকারীকেও হিসাবের মধ্যে রাখতে হয়। যদি কোনো অ-নির্ভরশীল আত্মীয় একই বাড়িতে থাকেন এবং তার আয় ব্যবহার করতে চান, তাহলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ফর্ম আই-৮৬৪এ প্রয়োজন হতে পারে।

যদি স্পনসরের নিজের আয় প্রয়োজনীয় সীমায় না পৌঁছায়, তখন আবেদন বাতিল হয়ে যায় না। এ ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রয়েছে। একজন যোগ্য যৌথ স্পনসর বা জয়েন্ট স্পনসর অতিরিক্ত আর্থিক দায়িত্ব নিতে পারেন। অথবা একই পরিবারের যোগ্য সদস্যের আয় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে হিসাবের সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ফর্ম ও আর্থিক প্রমাণ জমা দিতে হয়।

আয়ের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে সম্পদও ব্যবহার করা যায়। স্পনসরের আয় নির্ধারিত সীমার নিচে থাকলে সঞ্চয়, শেয়ার, বন্ড বা নির্দিষ্ট সম্পদের মূল্য ব্যবহার করে ঘাটতি পূরণের সুযোগ রয়েছে। তবে সম্পদের ক্ষেত্রে আলাদা হিসাব ও প্রমাণের নিয়ম আছে। সাধারণভাবে সম্পদের নিট মূল্য এবং আয়ের ঘাটতির অনুপাত নির্দিষ্ট নিয়মে বিবেচনা করা হয়।

আবেদনের সঙ্গে আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী সাম্প্রতিক বেতন স্লিপ, চাকরির প্রমাণ, নিয়োগকর্তার চিঠি, আয়কর-সংক্রান্ত নথি বা অন্যান্য আর্থিক কাগজপত্র জমা দিতে হতে পারে। কোনো স্পনসরের আয় দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকলে অতিরিক্ত আয় বা সম্পদের প্রমাণ চাওয়া হতে পারে।

স্পনসর হওয়ার জন্য শুধু পর্যাপ্ত আয় থাকা যথেষ্ট নয়। সাধারণভাবে আর্থিক স্পনসরকে অন্তত ১৮ বছর বয়সী এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অথবা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। পাশাপাশি তার যুক্তরাষ্ট্রে ডমিসাইল বা প্রধান বসবাসের ভিত্তি থাকতে হবে।

ফর্ম আই-৮৬৪ স্বাক্ষর করার পর এটি আইনগতভাবে কার্যকর একটি অঙ্গীকারে পরিণত হয়। সাধারণভাবে স্পনসরের আর্থিক দায়িত্ব তখন পর্যন্ত চলতে পারে, যতক্ষণ না স্পনসর করা ব্যক্তি মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন, সামাজিক নিরাপত্তা আইনের অধীনে ৪০টি যোগ্য কর্ম-ত্রৈমাসিক অর্জন করেন বা আইনে নির্ধারিত অন্য কোনো সমাপ্তির শর্ত পূরণ হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো

রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে সম্ভাবনাময় পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), যা তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যেসব পণ্যের দেশে এবং বিদেশে বাজার তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে রপ্তানিযোগ্য শিল্পে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ইপিবি দেশের সব জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন সম্ভাবনাময় পণ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। জেলা প্রশাসনগুলো স্থানীয় উদ্যোক্তা, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এসব তালিকা তৈরি করছে।

ইপিবি কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। বছরে প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের অবদান প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার। তাই রপ্তানি আয়ের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি একাধিক সম্ভাবনাময় খাত গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানিয়েছেন, দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জেলা ইতোমধ্যে তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে— এমন বিভিন্ন পণ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলোও স্থানীয় উদ্যোক্তা, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ করছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা থেকে পাওয়া প্রাথমিক তালিকাকেই চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। ইপিবি এসব পণ্য কারিগরি দিক থেকে যাচাই করবে। প্রয়োজনে মাঠপর্যায়ে গিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের মান, সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা এবং রপ্তানির প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হবে।

ইপিবির এ উদ্যোগে প্রতিটি জেলার নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা ও স্থানীয় সম্পদকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনো জেলায় উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানির উপযোগী কি না, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা সম্ভব কি না এবং বিদেশি ক্রেতাদের জন্য নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত উৎপাদন বাড়ানো যাবে কি না— এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ওই পণ্যের চাহিদা ও সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে। এরপর যেসব পণ্যের টেকসই রপ্তানি সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ইপিবির উদ্দেশ্য শুধু বিভিন্ন জেলায় কী কী পণ্য উৎপাদিত হয়, তা খুঁজে বের করা নয়। বরং কোন পণ্যকে টেকসই রপ্তানি শিল্পে পরিণত করা সম্ভব, সেটিই চিহ্নিত করতে চায় ইপিবি।

এক্ষেত্রে পণ্যের মান উন্নয়ন, উৎপাদনোত্তর ক্ষতি কমানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, আন্তর্জাতিক সনদ, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থা, অর্থায়ন এবং বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ তৈরির মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আগামী রোববার খাগড়াছড়ি সফরের মধ্য দিয়ে মাঠপর্যায়ে এ কার্যক্রম শুরু হবে। সেখানে সম্ভাবনাময় পণ্য পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, খাগড়াছড়ি থেকে প্রাথমিকভাবে আম, আদা, হলুদ ও আনারসসহ চার-পাঁচটি কৃষিপণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় হস্তশিল্পসহ অন্যান্য পণ্যও বিদেশের বাজারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ইপিবি সরাসরি উৎপাদকদের সঙ্গে কাজ করতে চায়, যাতে তারা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পান। বিশেষ করে পণ্যের মান, উৎপাদন পদ্ধতি, প্যাকেজিং এবং বিদেশি বাজারের মানদণ্ড সম্পর্কে তাদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

রপ্তানির প্রকৃত সম্ভাবনা রয়েছে— এমন পণ্য চিহ্নিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও নীতিগত প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, পণ্যের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী হিমাগার, উন্নত সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং সুবিধা, অর্থায়ন এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মতো সহায়তা দেওয়া হতে পারে। মৎস্যজাত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে ব্রুড মাল্টিপ্লিকেশন সেন্টার বা মাছের পোনা উৎপাদন ও সরবরাহের অবকাঠামোও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এসব সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ভবিষ্যতের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবে ইপিবি।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, তৈরি পোশাক খাতের মাধ্যমে বাংলাদেশ রপ্তানি বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে একটি খাতের ওপর রপ্তানি আয়ের অতিরিক্ত নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি খাতের স্থিতিস্থাপকতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

তাই তৈরি পোশাকের বাইরে নতুন নতুন পণ্য ও খাত চিহ্নিত করে সেগুলোকে ধীরে ধীরে বাণিজ্যিকভাবে সফল রপ্তানি শিল্পে পরিণত করতে চায় ইপিবি।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের বিকল্প হিসেবে একটি মাত্র খাত গড়ে তোলার প্রয়োজন নেই। বরং কয়েকটি মাঝারি ও বড় আকারের রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব হলে প্রতিটি খাত থেকেই বছরে কয়েক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় করা যেতে পারে। এতে দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি রপ্তানি ঝুঁকিও কমবে।

ইপিবি মনে করছে, জেলা ভিত্তিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, স্থানীয় সম্পদ ও উৎপাদন সক্ষমতাকে নতুন রপ্তানি সম্ভাবনায় রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কৃষি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্প, মৎস্যসহ বিভিন্ন খাতে নতুন শিল্প গড়ে উঠতে পারে এবং ধীরে ধীরে বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়ি আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে প্রথম ইউনিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে প্রথম ইউনিট

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতি এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এর অপেক্ষায় রয়েছে।

এই পর্যায়ে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন ঘটানো হবে, যা চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে। এর আগে ইউনিটটির সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবনের ভোগান্তি লাঘবে সবাই এখন এই নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে নাগাদ আসবে এই বিদ্যুৎ?

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়েছে।

এর পরবর্তী ধাপ হলো বি-টু। এই ধাপে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়। এরপর আসে ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

এই ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।’

এদিকে, রূপপুরের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি পাসে আকিজ গ্রুপে চাকরির সুযোগ, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


এসএসসি পাসে আকিজ গ্রুপে চাকরির সুযোগ, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আকিজ গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: অপারেটর

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় এসএসসি/এইচএসসি

অন্যান্য যোগ্যতা: প্রক্রিয়া, ফ্রাইং এবং প্যাকিং মেশিন পরিচালনায় দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২–৬ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: কারখানায়

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ

বয়সসীমা: ২০ থেকে ৩৫ বছর

কর্মস্থল: ঢাকা (ধামরাই)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%