ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে প্রথম ইউনিট


রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে প্রথম ইউনিট

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতি এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এর অপেক্ষায় রয়েছে।

এই পর্যায়ে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন ঘটানো হবে, যা চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে। এর আগে ইউনিটটির সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবনের ভোগান্তি লাঘবে সবাই এখন এই নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে নাগাদ আসবে এই বিদ্যুৎ?

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়েছে।

এর পরবর্তী ধাপ হলো বি-টু। এই ধাপে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়। এরপর আসে ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

এই ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে, রূপপুরের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি পাসে আকিজ গ্রুপে চাকরির সুযোগ, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


এসএসসি পাসে আকিজ গ্রুপে চাকরির সুযোগ, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আকিজ গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: অপারেটর

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় এসএসসি/এইচএসসি

অন্যান্য যোগ্যতা: প্রক্রিয়া, ফ্রাইং এবং প্যাকিং মেশিন পরিচালনায় দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২–৬ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: কারখানায়

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ

বয়সসীমা: ২০ থেকে ৩৫ বছর

কর্মস্থল: ঢাকা (ধামরাই)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরি দিচ্ছে স্কয়ার গ্রুপ, বয়স ২৪ হলেই আবেদনের সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


চাকরি দিচ্ছে স্কয়ার গ্রুপ, বয়স ২৪ হলেই আবেদনের সুযোগ

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারী ব্যক্তিরা ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: কল সেন্টার, টিম লিড/এজেন্ট

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/ডিপ্লোমা

অন্যথায় যোগ্যতা: কল সেন্টারে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে এটি অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে গন্য হবে।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই

কর্মস্থল: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ পানির জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


নিরাপদ পানির জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

সরকার দেশের মানুষের কাছে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, যা প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "আমরা আজকে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ইউনিসেফের সঙ্গে কথা বলেছি। সেটা হচ্ছে কীভাবে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে আমরা নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে পারি। আপনারা জানেন যে, পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। কিন্তু এই পানি যদি দূষিত হয়, যদি জীবাণুপূর্ণ হয়, তাহলে এই পানি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।"

তিনি আরও বলেন, "আজকের দুনিয়ায় একদিকে পানি মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য, অন্যদিকে এই পানি আবার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।"

ড. আবদুল মঈন খান জানান, "আমাদের নদীতে অনেক পানি আছে, কিন্তু সেই নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে উজান, নদীর উজানগুলোতে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলশ্রুতিতে একদিকে যেমন আমাদের উত্তরের জেলাগুলোতে ডেজার্টিফিকেশন হচ্ছে, অর্থাৎ মরুভূমিজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, আবার এর দ্বিতীয় একটি প্রভাব রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।"

মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে পানি বঙ্গোপসাগরে যায়। এই পানির পরিমাণ কমে গেলে সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এ কারণে দক্ষিণাঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরে উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে পানীয় জলের বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দক্ষিণাঞ্চলের অধিবাসী অথবা আপনারা যদি তাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে জানতে পারবেন যে সুপেয় পানি কীভাবে মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।"

মন্ত্রী বলেন, "সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে আমাদের দায়িত্ব মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যে আমরা কীভাবে জাতিসংঘের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি, তার অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।"

সুপেয় পানির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ জানতে চাইলে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "আজকে আমরা সম্মিলিতভাবে যে প্রকল্প নিয়ে আলাপ করেছি, সেখানে শুধু ইউনিসেফ নয়; বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে। সবাইকে মিলিয়ে যোগ করলে প্রায় এটা ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের দাঁড়াবে। তার অর্থ হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো।"

মন্ত্রী জানান, বৈঠকে ইউনিসেফ ছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "এসব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা করার চেষ্টা চলছে।"

মন্ত্রী বলেন, "আমাদের যে লিড মিনিস্ট্রি, যেটাকে আপনারা এলজিআরডি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের প্রধান একটি প্রধান কাজ হচ্ছে মানুষের যে জীবন, যে পানি, সেই নিরাপদ পানি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।"

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দাতা সংস্থার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে। তবে সেই সহায়তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। ফরচুনেটলি বাংলাদেশ কিন্তু বাইলেটারাল এবং মাল্টিলেটারাল ডোনার উভয়পক্ষ থেকে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা সহায়তা আমরা পেয়েছি। তবে, আমি কিন্তু খোলাখুলি একটা কথা বলবো, সেই সহায়তা কিন্তু আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি নাই। বর্তমানে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণও কমে আসছে। ধনী দেশগুলো নিজেরাও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তার পরিমাণ কমছে।"

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "আজকে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৭ বছর পরে যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার ফিরে এসেছে, আমরা যেভাবে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার গঠন করে মানুষের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি, সেই পরিস্থিতিতে বিগত ১৭ বছরে যে অপচয় হয়েছে, যে দুর্নীতি হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের, যারা তাদের গায়ের রক্ত জল করে, যারা পরিশ্রম করে এই দেশকে তারা গড়ে তুলেছে, তাদের সেই সম্পদ যে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিগত ১৭ বছরে, আমরা সেটা বন্ধ করেছি ইতিমধ্যেই, আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে।"

তিনি বলেন, "ভবিষ্যতে আমি বিশ্বাস করি এই দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে, জনগণের সেবায় সঠিকভাবে নিয়োজিত করবো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র আবু সাঈদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র আবু সাঈদ

জন্ম নিবন্ধন নম্বর জালিয়াতি ও গরমিলের কারণে পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ওসমানপুর ব্রাহ্মণশাসন ইউনিয়নের আলিম পড়ুয়া মাদরাসাছাত্র মো. আবু সাঈদ।

নিয়ম অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আঙুলের ছাপ ও ছবি তুলতে গিয়ে আবু সাঈদ জানতে পারেন, তার জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ‘মো. মাকনুন’ নামের এক প্রবাসী দুবাইয়ে অবস্থান করে ইতিমধ্যে দুইবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ অনুসারে, আবু সাঈদ তার বৈধ জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করেন এবং ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেট পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে তা জমা দেন। কিন্তু ছবি ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার সময় তাকে জানানো হয় যে, ওই জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে মো. মাকনুন নামের একজন ব্যক্তি ২০১৮ সালে প্রথমবার এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৩ সালে দ্বিতীয় দফায় পাসপোর্ট নিয়েছেন।

এদিকে, আবু সাঈদের জন্ম নিবন্ধনটি ২০০৯ সালের ৪ মার্চ রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছিল এবং এতে তার পিতা মো. শফিকুর রহমান ও মাতার নাম সঠিকভাবে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত মো. মাকনুনের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও বাবা-মায়ের নাম আবু সাঈদ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও পাসপোর্টের ডেটাবেজে কীভাবে আবু সাঈদের নম্বরটি যুক্ত হলো, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। দুই প্রার্থীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন কপি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আবু সাঈদের জন্ম নিবন্ধন নম্বরের শেষ পাঁচ সংখ্যা ২৬৩৮৫ এবং এটি ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪ মার্চ ২০০৯ তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত।

অপরদিকে, একই ইউনিয়ন থেকে ইস্যু করা মো. মাকনুনের জন্ম নিবন্ধনের শেষ পাঁচ সংখ্যা ১লাইনি বা ১১৪৯০ এবং তার বাবা-মায়ের নাম যথাক্রমে মো. শুয়াইবুর রহমান ও মোছাম্মৎ আবিদা খাতুন। নথিপত্রের এই স্পষ্ট ব্যবধান সত্ত্বেও মাকনুন আবু সাঈদের নম্বর ব্যবহার করে সিলেট বিভাগীয় অফিস থেকে ১৯৩ ও ৪২৭ শেষ তিন সংখ্যার দুটি পাসপোর্ট নিয়েছেন।

এমন অপ্রত্যাশিত বিড়ম্বনায় পড়ে আবু সাঈদের বাবা মো. শফিকুর রহমান গত এক সপ্তাহ ধরে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তার দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি। কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে গেলে তাকে জানানো হয় এটি পাসপোর্ট অফিসের কোনো ভুল নয় এবং তাকে জন্ম নিবন্ধন পরিবর্তন বা সংশোধন করার পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশ্ন তুলেছে, সঠিক ও মূল নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা কেন বিনা কারণে নিজেদের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন বা জটিলতায় জড়াবেন।

এ বিষয়ে উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র দেব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো ভুল করা হয়নি এবং দুইজনের জন্ম নিবন্ধনের নম্বরও সম্পূর্ণ আলাদা।

তার মতে, এই গরমিল কীভাবে হলো তার সঠিক জবাব কেবল পাসপোর্ট অফিসই দিতে পারবে। এদিকে অভিযুক্ত মো. মাকনুন বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করায় এবং তার পাসপোর্টের প্রদত্ত নম্বরে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হুদা জানিয়েছেন যে, প্রথমবার যখন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা ছিল এবং তখনকার রিপোর্ট যাচাই করে এ বিষয়ে পরবর্তী কথা বলতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%