সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২১ পি.এম
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি বিরল বাছুর সাত পা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। এই বাছুরটির শরীরের স্বাভাবিক চার পায়ের পাশাপাশি পিঠ ও পেছনের অংশে তিনটি অতিরিক্ত পা রয়েছে। এই বিরল ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী পৌরসভার দুদু মিয়ার পাহাড় এলাকায় খামারি মো. মাসুদ একটি গাভীর মাধ্যমে বাছুরটির জন্ম দেন। মাসুদ স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহেরের পুত্র।
বাছুরটির অস্বাভাবিক শারীরিক গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেটি দেখার জন্য ভিড় করতে শুরু করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত বাছুরটি জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যায়। তবে খামারি বাছুরটি তাদের দেখাতে সম্মতি দেননি।
হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাবিল ফারাবী জানিয়েছেন, মালিকপক্ষকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, বাছুরটির চিকিৎসাসেবা বা প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য তারা সহযোগিতা করবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কী ধরনের জিনগত ত্রুটি বা শারীরিক কারণে বাছুরটির এই অস্বাভাবিক গঠন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি পরবর্তীতে গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পড়তে বা লিখতে অক্ষম হলেও, ছোটবেলা থেকেই রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শুনে পবিত্র কোরআনের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা গড়ে উঠেছিল। সেই ভালোবাসা থেকেই কোরআন মুখস্থ করার চেষ্টা শুরু করেন তিনি। জীবনের নানা দায়িত্ব ও প্রতিকূলতার কারণে বারবার থেমে গিয়েছিল সেই যাত্রা। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। অবশেষে ৭১ বছর বয়সে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন মিশরের সানা আবদেল সাত্তার।
সানা মিশরের মনুফিয়া প্রদেশের শোহাদা এলাকার মিত শাহালা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি নিয়মিত মুখস্থ কোরআন পুনরাবৃত্তি করছেন। মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়ির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন প্রায় পাঁচ পারা কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন তিনি।
সানা পড়তে বা লিখতে জানেন না, তাই অন্যদের মতো কোরআন দেখে দেখে হিফজ করেননি। বরং তিনি শুনে শুনে, মনে রেখে এবং বারবার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে পুরো কোরআন মুখস্থ করেছেন। ছোটবেলা থেকেই রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শোনা ছিল তার কোরআনের সঙ্গে পরিচয়ের অন্যতম মাধ্যম।
জীবনের বিশের কোঠার শুরুতেই কোরআন হিফজ শুরু করেন সানা। কিন্তু বিয়ের পর সংসারের দায়িত্ব, তিন সন্তানের লালন-পালনসহ নানা ব্যস্ততায় তার হিফজের পথ কঠিন হয়ে ওঠে।
এরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন তার স্বামী। প্রায় ছয় মাস স্বামীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি। এই সময় কোরআন হিফজের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্বামীর মৃত্যুর পরও বিভিন্ন কারণে কিছু সময়ের জন্য থেমে থাকে তার হিফজের যাত্রা।
তবে কোরআন হিফজের ইচ্ছা থেকে কখনো সরে যাননি সানা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও শুরু করেন মুখস্থ করার কাজ। একই সঙ্গে এমন নারীদের সঙ্গে নিয়মিত বসতে শুরু করেন, যাদের সঙ্গে কোরআন মুখস্থ করা এবং একে অপরকে শুনিয়ে তা পুনরাবৃত্তি করা যায়।
বর্তমানে ২০ জনের বেশি নারীর সঙ্গে নিয়মিত কোরআনের মজলিসে অংশ নেন তিনি। বিভিন্ন বয়সী এসব নারী পরস্পরকে কোরআন শুনিয়ে মুখস্থ করা অংশগুলো পুনরাবৃত্তি করেন। সানার এক প্রতিবেশী ও বান্ধবীও পড়তে-লিখতে জানেন না। তিনিও পুরো কোরআন হিফজ করেছেন।
সানার হিফজ জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা হলো এক বৈঠকে পুরো কোরআন মুখস্থ থেকে তিলাওয়াত করে শোনানো। ফজরের নামাজের পর তিনি তিলাওয়াত শুরু করেন এবং মাগরিবের সময় পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখেন। এভাবে প্রায় ১৪ ঘণ্টায় পুরো কোরআন মুখস্থ থেকে শুনিয়েছেন তিনি।
৭১ বছর বয়সে এসেও কোরআনের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। বয়সের ভারকে উপেক্ষা করে প্রতিদিন নিয়মিত হিফজ করা কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন সানা। তার ভাষায়, বর্তমানে কোরআন পুনরাবৃত্তি তার প্রতিদিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
সানার এই কোরআন হিফজের গল্প প্রমাণ করে, বয়স কিংবা জীবনের প্রতিকূলতা—কোনোটিই দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির পথে চূড়ান্ত বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে দেশটির রাজধানী টোকিওসহ কান্তো অঞ্চল এবং পূর্ব জাপানের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানায়, টাইফুনটি টোকিও মহানগরীর ওপর দিয়ে বা তার খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেখানকার আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক হতে পারে।
ইতোমধ্যে চিবা প্রিফেকচার এবং ইজু দ্বীপপুঞ্জসহ উপকূলীয় অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু করে কিছু এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার বিকেল থেকে কান্তো অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
টাইফুনের প্রভাবে মধ্য জাপানের আইচি প্রিফেকচারে চলমান এশিয়ান গেমসের অশ্বারোহী ইভেন্টিং প্রতিযোগিতা মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। আয়োজক কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেলোয়াড় ও পশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, কান্তো ও মধ্য জাপানের কিছু এলাকায় ‘লিনিয়ার রেইন ব্যান্ড’ বা একটানা মুষলধারে বৃষ্টি ঘটানোর জন্য শক্তিশালী মেঘমালা তৈরি হতে পারে। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি জমে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধস ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় অধিবাসীদের আগাম সতর্ক থাকতে এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা মেনে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ সুদানের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য ট্রোম্যান খীসা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
এই দুর্ঘটনাটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কর্তব্যরত অবস্থায় ঘটে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ট্রোম্যান খীসার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
নৌবাহিনী জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে ট্রোম্যান খীসার আত্মত্যাগ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের গৌরবময় অবদানের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এর ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। পরে তারা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অভিমুখে লংমার্চ করে।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘আই টিটি দেখে যা, রেলপথে তোর বাপেরা’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী তার চাচাকে রিসিভ করার জন্য রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছিলেন। সেখানে থাকা কয়েকজন রেলওয়ে কর্মচারীর সঙ্গে তার কথোপকথন হয়। একপর্যায়ে অভিযোগ করা হয়, ওই কর্মচারীরা তার ওপর হামলা চালান। বর্তমানে আইয়ুব আলী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেকে) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে এবং তারা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে। এদিকে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ