বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৭ পি.এম
স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সেলস অফিসার
বিভাগ: কোল্ড চেইন বিজনেস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস
অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে, ডিস্ট্রিবিউটর ও আউটলেট পর্যায়ে ফ্রিজার/তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা তদারকিতে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩০ বছর
কর্মস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং কুমিল্লায়।
বেতন: আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক বেতন
অন্যান্য সুবিধা: কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী সুবিধাদি প্যাকেজ প্রদান করা হবে।
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন। ১৭ বছর পর তিনি আবার মাতৃত্বের স্বাদ নিতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এনে, এই নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।
মাহিরা প্রথমবার মা হন ২৪ বছর বয়সে। তার তৎকালীন স্বামী আলি আসকারির সঙ্গে ছেলে আজলানের জন্ম হয়। ২০০৭ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল, যা ২০১৫ সালে বিচ্ছেদের দিকে গড়ায়। এরপর ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী সেলিম করিমকে বিয়ে করেন মাহিরা। দ্বিতীয় বিয়ের প্রায় তিন বছর পর এবার তাদের ঘরে আসছে নতুন অতিথি।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরা শুধু চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেননি, বরং সেখানেই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টিও সবার সামনে আসে। উৎসবের একটি আলোচনায় তিনি দক্ষিণ এশিয়ার গল্প ও শিল্পীদের বিশ্ব চলচ্চিত্রে আরও বেশি জায়গা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কথা বলেন।
তবে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্তটি তার জন্য সহজ ছিল না। মাহিরা জানান, তিনি সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে পছন্দ করেন না। তাই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনা নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি ছিল তার।
এছাড়া পোশাক নিয়েও চিন্তায় ছিলেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লালগালিচায় হাঁটার অভিজ্ঞতা তার জন্য একেবারেই নতুন। শেষ পর্যন্ত নিজের পরিবর্তিত শরীরকে লুকিয়ে রাখার পরিবর্তে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
উৎসবে মাহিরা গাঢ় রঙের শাড়ি পরেছিলেন। শাড়িটির নকশায় ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ। সঙ্গে ছিল কাজ করা ওড়না, বড় কানের দুল, সাজসজ্জা এবং খোলা বেণি।
নিজের দুইবারের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার তুলনা করে মাহিরা বলেন, এবারের অভিজ্ঞতা অনেকটাই ভিন্ন। ২৪ বছর বয়সে যখন প্রথমবার মা হয়েছিলেন, তখন তার মধ্যে এক ধরনের সরলতা ছিল। স্বাস্থ্যও ভালো ছিল এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে, তা নিয়ে খুব বেশি ভাবতেন না।
কিন্তু এবার বয়স ৪১। ফলে শারীরিক ও মানসিক—দুই দিক থেকেই বিষয়টি তার কাছে বেশি কঠিন মনে হচ্ছে। মাহিরার ভাষায়, এখন এমন অনেক দিন আসে যখন তার শরীর সেভাবে সাড়া দেয় না, যেভাবে তার মন কাজ করতে চায়। অথচ তিনি নিয়মিত কাজ, ভ্রমণ ও ব্যস্ত জীবনে অভ্যস্ত।
শুধু শারীরিক পরিবর্তন নয়, মানসিকভাবেও এবারের অভিজ্ঞতা আলাদা বলে জানান তিনি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের মূল্য ও ভঙ্গুরতা সম্পর্কে তার সচেতনতা বেড়েছে। ফলে আনন্দের পাশাপাশি ভয়, ক্লান্তি ও দুর্বলতার অনুভূতিও কাজ করছে।
মাহিরা বলেন, দ্বিতীয়বার মা হওয়ার এই সময়টিতে তার জীবন আগে থেকেই অনেকটা গুছানো ছিল। বড় হয়ে যাওয়া ছেলে, নিজের কাজ, দৈনন্দিন জীবন ও স্বাধীনতা—সবকিছুর সঙ্গে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। জীবনের এই পর্যায়টি কেমন হবে, সে সম্পর্কে তার নিজের একটি ধারণাও ছিল।
কিন্তু এত বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে হাঁটবেন—এটি তিনি আগে থেকে ভাবেননি। তবে এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তনকে এখন জীবনের একটি শিক্ষা হিসেবে দেখছেন মাহিরা। তার উপলব্ধি, জীবনের সবকিছু আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা সম্ভব নয়। অনেক সময় মানুষ একভাবে পরিকল্পনা করে, কিন্তু জীবন অন্যভাবে এগিয়ে যায়।
নিজের এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মাহিরা বলেন, সবকিছু নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন নেই—জীবন যেদিকে নিয়ে যায়, সেটিও গ্রহণ করতে হয়।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরার উপস্থিতি তাই একই সঙ্গে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়ে উঠেছে—একদিকে বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানি ও দক্ষিণ এশীয় চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিত্ব, অন্যদিকে ১৭ বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে যাত্রা।
সূত্র: ডাউন নিউজ, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর বসিলা ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, একই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১১টার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিস্ফোরণের পর ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এর আগে, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি যে, কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলাটিতে গত ১৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনা বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও রুপার মজুতের সন্ধান করেছেন। গবেষকদের মতে, সেখানে স্বর্ণ ও রুপার ঘনত্ব এত বেশি যে এই ধরনের মজুত অত্যন্ত বিরল। তাদের ধারণা, এই খনিজভান্ডারের অর্থনৈতিক মূল্য অত্যন্ত বেশি।
উইয়ন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চিংদাও সামুদ্রিক ভূতত্ত্ব গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সাংহাই চিয়াও থং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের যৌথ অভিযানে এই সন্ধানটি পাওয়া যায়। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অঞ্চলে সমুদ্রতলের উত্তপ্ত খনিজসমৃদ্ধ তরল নির্গমনের স্থানেই এসব মজুতের সন্ধান মিলেছে।
গবেষকরা সমুদ্রতলে শঙ্কু আকৃতির তিনটি বড় খনিজ স্তর আবিষ্কার করেছেন। এই স্তরগুলো মূলত উত্তপ্ত তরল থেকে তৈরি সালফাইডের স্তর। সাধারণত এসব স্তরে তামা, দস্তা ও সিসার পাশাপাশি অল্প পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা থাকে। তবে এবারের নমুনায় মূল্যবান এই দুই ধাতুর পরিমাণ অন্যান্য ধাতুর তুলনায় অনেক বেশি পাওয়া গেছে।
কিছু নমুনায় স্থলভাগের আকরিকের তুলনায় স্বর্ণ ও রুপার উপস্থিতি বেশি পাওয়া গেছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি মার্কিন শর্ট টন আকরিতে স্বর্ণের ঘনত্ব সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৪৫ ট্রয় আউন্স এবং রুপার ঘনত্ব ৩৬ দশমিক ৩ ট্রয় আউন্স পর্যন্ত।
অন্য কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিতে স্বর্ণের পরিমাণ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম এবং রুপা ১ হাজার ২৭১ গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া গেছে।
গবেষণা দলের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী সং শিজি মন্তব্য করেন, এই বিশাল সমুদ্রতলের খনিজ এলাকার ‘অত্যন্ত উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্য’ রয়েছে। গবেষকদের মতে, ওই অঞ্চলে থাকা বহু ধাতব সালফাইডের সম্ভাব্য মজুত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলীয় খনিজ মজুতগুলোর সমপর্যায়ের হতে পারে।
গত ১০ আগস্ট চীনের শেনজেন থেকে গবেষণা জাহাজ ‘শিয়াং ইয়াং হং ১০’-এ ১৮ দিনের অভিযান শুরু করেন গবেষকেরা। অভিযানের সময় বিশেষ ডুবযান ব্যবহার করে সাতবার সমুদ্রতলে নামেন তারা।
পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি পশ্চাৎ-ধনুক অববাহিকায় অভিযান চালিয়ে গবেষকেরা এই বিশাল উত্তপ্ত খনিজ নির্গমন এলাকার সন্ধান পান।
সামুদ্রিক চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় গবেষণা জাহাজটি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব এবং ফিলিপাইনের উত্তরের জলসীমা দিয়ে চলাচল করেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিজের সন্ধান পাওয়া অববাহিকাটি চীনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। তবে ওই এলাকার সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।
সমুদ্রের তলদেশ থেকে এ ধরনের খনিজ উত্তোলন নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্ক রয়েছে। পরিবেশগত প্রভাব ও গভীর সমুদ্রে খননের ঝুঁকি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী শূন্য পদে দুই ক্যাটাগরিতে মোট ৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এই পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
যেসব পদে নিয়োগ
কম্পিউটার অপারেটর পদে একজন এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। উভয় পদে সরাসরি জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদনকারীদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকা আবশ্যক। এছাড়া, কম্পিউটার পার্সোনেল নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ পদে আবেদনকারীদের ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন এবং বেসিক কম্পিউটার ট্রাবলস্যুটিংয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াও আবশ্যক।
বেতন ও গ্রেড
কম্পিউটার অপারেটর পদে বেতন ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পদটি ১৩তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে বেতন ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। এ পদটি ১৬তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত।
যেসব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন
ময়মনসিংহ বিভাগের স্থায়ী বাসিন্দারা আবেদন করার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার যোগ্য প্রার্থীরা এই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।
আবেদন শুরু ও শেষ
অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ৯ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, ময়মনসিংহের নির্ধারিত টেলিটক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য, ছবি ও স্বাক্ষর প্রস্তুত রাখতে হবে।
আবেদন ফরম পূরণের পর টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে। দুই পদের জন্য আবেদন ফি ও সার্ভিস চার্জসহ মোট ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদন শেষে Applicant’s Copy ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে। ছবি ও স্বাক্ষর নির্ধারিত মাপ ও ফাইল সাইজ অনুযায়ী আপলোড করতে হবে।
লিখিত, এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ