মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
ফ্রান্সের শত শত সুপারশপে সাইবার হামলা চালিয়ে হ্যাকাররা শীতলীকরণ যন্ত্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ফ্রিজ ও হিমায়কের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। বিপুল পরিমাণ তাজা ও হিমায়িত খাবার নষ্ট হয়েছে। কিছু দোকানে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দেশের বড় খাদ্যপণ্যের বিপণিবিতানে এ ধরনের হামলাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ফ্রান্সের একাধিক বড় বিপণিবিতান কর্তৃপক্ষ সাইবার হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দেশটির জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা। একই সঙ্গে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতেও এ ধরনের হামলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের ইন্টারমার্শে ও এর সহযোগী ব্র্যান্ড নেটোর অন্তত ৩০০টি দোকান এ হামলার শিকার হয়েছে। কো-অপারেটিভ ইউর শতাধিক বিপণিবিতানেও প্রভাব পড়েছে।
এছাড়া ক্যারেফুরের ৮০টি সুপারশপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোনোপ্রির প্রায় ৪৯০টি দোকানের মধ্যে ৫ শতাংশের মতো এ হামলার শিকার হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। ই লেক্লেরকের কয়েকটি দোকানেও হামলা চালানো হয়েছে।
প্যারিসের সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর জানায়, ফ্রান্সের একাধিক বড় খাদ্যপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ইন্টারনেট-সংযুক্ত শীতলীকরণ যন্ত্রে এ হামলা হয়েছে। এর ফলে খাবার নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কিছু স্থানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হ্যাকাররা দূর থেকে শীতলীকরণ ব্যবস্থার বরফ গলানোর প্রক্রিয়া চালু করে দেয়। এতে বিভিন্ন দোকানের ফ্রিজ ও হিমায়কের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে তাজা খাবার ও হিমায়িত পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
বড় সুপারশপে সাধারণত ফ্রিজ ও হিমায়কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয় একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে। ইন্টারনেটের সাহায্যে এসব যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় প্রবেশ করা সম্ভব হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা দূর থেকেই তাপমাত্রা পরিবর্তন করতে পারেন। তবে এ সুবিধাই সাইবার হামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইন্টারমার্শের প্রধান নির্বাহী থিয়েরি কোটিয়ার্দ ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএম টিভিকে জানিয়েছেন, দেশজুড়ে এক দিনেই কয়েক কোটি ইউরোর ক্ষতি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোকে তাজা ও হিমায়িত খাবারের সব পণ্য ফেলে দিতে হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কো-অপারেটিভ ইউর প্রধান নির্বাহী দমিনিক শেলশে বলেন, রোববার (১১ অক্টোবর) রাত থেকেই তাদের শীতলীকরণ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে। তাজা খাবার সংরক্ষণ ও মানুষের খাদ্য সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো গুরুতর ও অগ্রহণযোগ্য।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু দেশটির জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে হামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান ড্যানফসের তৈরি একটি সফটওয়্যারের দুর্বলতা শনাক্ত করা হয়েছে।
ড্যানফস জানিয়েছে, ফ্রান্সে তাদের শীতলীকরণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের কিছু যন্ত্রে সমস্যা হওয়ার বিষয়টি তারা জানে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলোতে সফটওয়্যারের পুরোনো সংস্করণ ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরেই গ্রাহকদের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং পুরোনো যন্ত্র বদলে ফেলার পরামর্শ দিয়ে আসছে।
গত ৯ আগস্ট সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্ল্যারোটি ড্যানফসের কয়েকটি ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ করে। ওই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের ধাপ এড়িয়ে অননুমোদিতভাবে ব্যবস্থায় প্রবেশ করা সম্ভব হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে এই দুর্বলতাই হামলার একমাত্র কারণ কি না, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সাইবার হুমকি বিশ্লেষক ফেলিক্স এইমের দাবি, স্পেন, পর্তুগাল, পোল্যান্ড, জার্মানি ও বেলজিয়ামেও এ ধরনের হামলার প্রভাব পড়েছে। ফ্রান্সের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ড্যানফসের কাছে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কিছু দোকানে ইতোমধ্যে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে ফ্রান্সের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক স্টিভেন লাশাঁসের মতে, এমন হামলা একেবারে নতুন নয়, তবে এত বড় পরিসরে ঘটনার নজির বিরল। ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত কোনো যন্ত্রে নিরাপত্তার দুর্বলতা থাকলে হামলাকারীরা দূর থেকে সেটিতে প্রবেশ করে তার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
তিনি এ ঘটনাকে বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তার জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার আশঙ্কা, যথাযথ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা আরও বাড়তে পারে।
সুপারশপে খাবার নষ্ট করে আর্থিক ক্ষতি ঘটানোই শেষ কথা নয়। একই ধরনের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা কিংবা হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিতে হামলা চালানো হলে ক্ষতির মাত্রা আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নয়, জননিরাপত্তারও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় স্কুলে শাসন করার কারণে ছুটির পর এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি শরীরচর্চা শিক্ষককে রাস্তায় গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন।
এটি ঘটেছে সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে, বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সামনে।
আহত শিক্ষকের নাম রায়হান ইসলাম, যিনি বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক।
বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্কুল ছুটির পর শিক্ষক রায়হান ইসলাম মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে এপিবিএনের সামনে ওই শিক্ষার্থী গাছের ডাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিল। শিক্ষক সেখানে পৌঁছালে, সে থামতে বলে। শিক্ষক থামার সাথে সাথে কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিক্ষার্থী গাছের ডাল দিয়ে তার মুখ ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়।
অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীর আঘাতে শিক্ষক রায়হান ইসলামের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া তার ঘাড়েও গুরুতর আঘাত লেগেছে। বর্তমানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোরের কেশবপুরে মাছের খাবার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা পরিবহনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে।
১৩ অক্টোবর সোমবার বিকেলে উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের ভেরচী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে।
এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে ভেরচী গ্রামের সড়ক দিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির মৎস্য ঘেরে মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুটি আলমসাধুতে ৩২ ড্রাম মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ব্যক্তি। খবর পেয়ে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস তাদের আটক করেন। পরে ইউএনও আনোয়ার হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন ২০২০ অনুযায়ী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কোমলপুর গ্রামের মাহাবুর রহমানকে (৩৮) ২ হাজার টাকা এবং একই উপজেলার ঘুটুদিয়া গ্রামের জাহিদুর ইসলামকে (৩৮) ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।
দেশে মাছের খাদ্য বা পুকুরের সার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির বিষয়টি মাথায় রেখে মাছের খাদ্য বা ঘেরে সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে।
অতীতে কিছু ক্ষেত্রে পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে ফাইটোপ্লাংটন বা অ্যালগি (শৈবাল) তৈরির জন্য জৈব সার হিসেবে মুরগির বিষ্ঠা বা পোল্ট্রি ওয়েস্ট ব্যবহার করা হতো। তবে কাঁচা বা অপরিশোধিত মুরগির বিষ্ঠায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী ও বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল ইসলাম দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকার কারণে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। তবে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, প্রশাসন কীভাবে তাকে সহায়তা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয়।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়েটের শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক সম্মানের সাথে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আল্টিমেটামের ঘোষণা দেয়। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চুয়েট উপাচার্য কোনো মন্তব্য করেননি।
আজ সকালে গণমাধ্যমকর্মীরা উপাচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি।
নিজের কক্ষের সামনে থেকে তিনি বলেন, "আমরা এখানে খুবই অমানবিক অবস্থায় আছি। এ অবস্থায় আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে এটা তাদের ব্যাপার।"
প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে নতুন উপাচার্য উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ রয়েছেন। বিকেলে হাটহাজারী এলাকায় স্থানীয় ছাত্রদল কর্তৃক চুয়েটগামী বাসের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এই আল্টিমেটাম আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন যে, আমলাতন্ত্রের কারণে সরকারি প্রণোদনার কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সর্বত্র অনুভূত হচ্ছে।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত শরৎ উৎসব ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
কায়সার কামাল বলেন, জনগণের কাছে সরকারি সেবা ও সহায়তা কার্যকরভাবে পৌঁছানোর জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থার সংস্কার অপরিহার্য।
ডেপুটি স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক সংস্কার একা যথেষ্ট নয়; বরং আমলাতন্ত্র, সিভিল প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সংস্কারও প্রয়োজন।
তিনি নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন এবং নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
কায়সার কামাল বলেন, দেশ গঠনে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধীদলকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ