ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ডাকসুর সংগ্রহশালা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় ‘সংস্কারের’ অংশ হিসেবে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবিকে স্থান দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ছিঁড়ে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী, প্রতিবাদ জানিয়ে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলেন শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার।

তিনি এ সময় বলেন, "এদেশের ভাষা আন্দোলনের আসল নায়কদের বাদ দিয়ে পাকিস্তানের জাঁদরেল জিন্নাহর ছবি কেন ডাকসু রেখেছে তার জন্য প্রশাসন ও ডাকসুর নেতাদের জবাব দিতে হবে। যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, সে জিন্নাহকে কীভাবে এখানে রাখে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ সব জায়গায় রক্তগঙ্গা দিয়েছে। এখানে থাকতে হবে ভাষা আন্দোলনের নায়ক আবুল কাসেমের (ছবি)। এখানে থাকবে শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ।"

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

আবু তৈয়ব হাবিলদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ২০২৫ সালে ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্রভাবে ভোট দিয়েছিলেন।

সংস্কার শেষে রোববার ডাকসু সংগ্রহশালা পুনরায় চালু করে, যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক বা গৌরবোজ্জ্বল ছবি স্থান না পেলেও নতুন করে যুক্ত হয় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আলোচিত ছবি।

এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।

স্থান পায় ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের একটি গ্রুপ ছবি, যেখানে জিন্নাহ রয়েছেন। অপর ছবিটি ১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে জিন্নাহর ছবি সংবলিত পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদনের পেপার কাটিং।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘বিতর্কিত’ ছবি প্রদর্শনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

সোমবার সকালে সংগঠনটি বলেছে, শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসুর এই পরিষদ শিক্ষার্থীদের গণআকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রতি তাদের প্রচ্ছন্ন অনুরাগ ও ‘পাকিস্তান প্রেম’ জাহির করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংকিং আধুনিকায়নে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংকিং আধুনিকায়নে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

দেশের আর্থিক খাতকে আরও স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি ও পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবস্থার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং চলমান ব্যাংক সংস্কারে সহায়তা প্রদান করা।

‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ (এফএসএসপি-২) নামক প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে এবং এতে সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রকল্পটি পাঁচ বছর মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ১ হাজার ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বৈদেশিক অর্থায়ন হিসেবে আসবে। বাকি ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আর্থিক খাতের ‘সেফটি নেট’ বা নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান ব্যাংক খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের আওতায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো ও তদারকি সক্ষমতা আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইসিটি অবকাঠামোসংক্রান্ত ক্রয়প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শক সেবা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, আমানত বিমা ট্রাস্ট ফান্ডের (ডিআইটিএফ) আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থ পরিশোধের সময় কমানো এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়ানোও প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রকল্প নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশের অভ্যন্তরে আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশের আর্থিক খাতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। তবে উচ্চ খেলাপি ঋণ, সুশাসনের দুর্বলতা, পুরোনো আইসিটি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক খাতের তদারকিতে ব্যবহৃত আইসিটি অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অভাবের কারণে সাইবার হামলা ও আন্তসীমান্ত আর্থিকসহ উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যা আমানতকারীদের আস্থা এবং দেশের আর্থিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বে যে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেছিল, তার ধারাবাহিকতায় এফএসএসপি-২ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রকল্পটির তিনটি প্রধান উপাদান রয়েছে। এগুলো হলো—তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থার উন্নয়ন, আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠনে সহায়তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান।

এর দ্বিতীয় উপাদানের আওতায় আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তি আধুনিকায়নে প্রকল্পের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে। প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে আইসিটি সরঞ্জাম কেনায় ৭১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা, কম্পিউটার সফটওয়্যারে ৩৫৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং ডেটাবেজে ৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইসিটি ও অফিস সরঞ্জাম কেনার জন্যও অর্থ বরাদ্দ থাকবে।

পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিশনের মতে, এটি আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং, ব্যাংক সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শক্তিশালী করবে। এর ফলে ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে জমা পড়ে। এরপর একই বছরের ২৩ নভেম্বর বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংশোধিত টিএপিপি চলতি বছরের মে মাসে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৪ জেলায় ফ্রি'তে প্রশিক্ষণের সু্যোগ, মিলবে খাবার ও যাতায়াত ভাড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


৬৪ জেলায় ফ্রি

সরকার দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীদের বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এই প্রশিক্ষণ ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হবে।

প্রকল্পের অষ্টম ব্যাচের তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রকাশ করেছে। সারাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।

অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই তিন মাসের প্রশিক্ষণে প্রতিদিন আট ঘণ্টা ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের জন্য কোনো প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে না।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়সের সীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। দেশের সব জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক ধারণা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা রয়েছে—এমন প্রার্থীদের প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার উপপরিচালকের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিসহ পাঁচ সদস্যের ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে।

এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে মনোনীত প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদারকির মাধ্যমে বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থা থাকবে।

প্রশিক্ষণ শেষে যারা সফলভাবে উত্তীর্ণ হবেন, তাদের সনদ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সময়ে আয় বৃদ্ধির কার্যক্রমে যুক্ত হতে প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং সাপোর্টও দেওয়া হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।

বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। এসএমএসে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে পরীক্ষার সময় সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।

বৈধ আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও পরীক্ষার ফলাফল ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে।

পরীক্ষার স্থান, সময়, ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর অনলাইন আবেদন লিংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জানা যাবে https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo ওয়েবসাইটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে দেশে ৮ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত রোগী ১ হাজার ১৭৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


হাম উপসর্গে দেশে ৮ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত রোগী ১ হাজার ১৭৭

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ঢাকা বিভাগে ৪ শিশু এবং সিলেট বিভাগে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ১৭৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৭২ হাজার ২৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৫ জন, আর ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ১২৪ জন।

১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ১১৭ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আটজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৩০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে অন্য কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়ামালকে সাবেক বার্সা ফুটবলারের সতর্কবার্তা: প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


ইয়ামালকে সাবেক বার্সা ফুটবলারের সতর্কবার্তা: প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার পরামর্শ

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য এখনও প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও, সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে।

বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল এবার প্রকাশ্যে নিজেকে ব্যালন ডি’অরের যোগ্য দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছেন, রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের পর। তবে, বার্সেলোনার সাবেক ডিফেন্ডার আবেলারদো ফার্নান্দেজ ইয়ামালের এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যকে ভালোভাবে নেননি।

মুভিস্টার প্লাসের এক অনুষ্ঠানে ইয়ামাল বলেছেন, এবারের ব্যালন ডি’অরের জন্য তার চোখে সেরা দুই খেলোয়াড় হলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং তিনি নিজে। স্প্যানিশ এই তরুণ নিজের অর্জন ও চলতি মৌসুমের সাফল্যের ভিত্তিতে পুরস্কারটি পাওয়ার যোগ্য বলেও মনে করেন।

আবেলারদো ইয়ামালের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তার মতে, আত্মবিশ্বাসী থাকা দোষের নয়, কিন্তু সেটি প্রকাশ্যে এভাবে বলা উচিত নয়। আবেলারদো বলেন, ‘তুমি এটা মনে করতেই পারো, কিন্তু প্রকাশ্যে বলা উচিত নয়। আমার কাছে বিষয়টি ভালো লাগেনি, কারণ এতে তোমাকে ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয় না।’

সাবেক বার্সা তারকার মতে, ইয়ামাল চাইলে আরও সংযত ভাষায় নিজের দাবিটি তুলে ধরতে পারতেন। তিনি বলেন, ‘তুমি বলতে পারতে, আমি হয়ত শক্তিশালী প্রার্থীদের একজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার কার হাতে উঠবে, সেটা তুমি নিশ্চিতভাবে জানো না।’

আবেলারদো, যিনি স্পেনের হয়ে ৫৪টি ম্যাচ খেলেছেন, নিজের বক্তব্যের পক্ষে উদাহরণ হিসেবে লিওনেল মেসির কথাও উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এত বড় তারকা হয়েও মেসিকে কখনো প্রকাশ্যে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়নি।

আবেলারদোর ভাষায়, ‘লামিনের এই কথাগুলো আমার পছন্দ হয়নি। আমি কখনো মেসিকে এমন বলতে শুনিনি, অথচ সে ছিল ফুটবলের ঈশ্বর।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%