ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামদানি শাড়ি ও বেলি ফুলের সাজে মায়াবতী পূর্ণিমার নজরকাড়া লুক


জামদানি শাড়ি ও বেলি ফুলের সাজে মায়াবতী পূর্ণিমার নজরকাড়া লুক

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। একসময় রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হিসেবে তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। "মনের মাঝে তুমি", "হৃদয়ের কথা", "আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা" এবং "ভালোবাসার লাল গোলাপ"সহ বেশ কিছু সিনেমায় তার অভিনয় আজও দর্শকদের কাছে উপভোগ্য হয়ে রয়েছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি সৌন্দর্য এবং রুচিশীল সাজের জন্যও ভক্তদের নজর কাড়েন পূর্ণিমা। বাঙালিয়ানার ছোঁয়া কিংবা আধুনিক সাজ—যেভাবেই তিনি হাজির হন, তার উপস্থিতি সবসময় আলাদা করে নজর কাড়ে।

সম্প্রতি জামদানি শাড়িতে নিজেকে সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে বাঙালি নারীর চিরচেনা সাজে। পরনে নান্দনিক জামদানি শাড়ি, আর খোঁপায় ফুলের মালা। ঐতিহ্যবাহী এই সাজে পূর্ণিমার সৌন্দর্যে ফুটে উঠেছে স্নিগ্ধতা ও আভিজাত্যের মিশেল।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

ছবিগুলোর সঙ্গে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জামদানির আবহ আর কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য...’। এই ছোট্ট বাক্যেই তিনি নিজের সাজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

পূর্ণিমার এবারের সাজে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য। অতিরিক্ত চাকচিক্যের বদলে জামদানির ঐতিহ্য এবং খোঁপায় ফুলের মালার সরল সৌন্দর্যকেই প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি। এতে পুরো সাজে তৈরি হয়েছে মায়াবী ও নান্দনিক আবহ।

ছবিগুলো প্রকাশের পর পূর্ণিমার ভক্তদের অনেকেই মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের সৌন্দর্যকে মিলিয়ে অভিনেত্রীর এই সাজ যেন আবারও মনে করিয়ে দিল, সময় বদলালেও জামদানির আবেদন কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ সংক্রান্ত অভিনন্দন প্রস্তাবটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই বিষয়ে একটি অতিরিক্ত গেজেট জারি করা হয়।

গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গেজেটে আরও উল্লেখ রয়েছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছিলেন। এরপর তার মা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন।

একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ঘটনাকে বিরল ও অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে মোট ২৩টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন।

এছাড়া ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এ প্রেক্ষাপটে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত ওই অভিনন্দন প্রস্তাব সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশমিকা: বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


রাশমিকা: বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলি

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার তারকা বিজয় দেবারাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্কের পর তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন থাকলেও, এতদিন তারা প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে বিয়ের পর নিজেদের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করছেন এই তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি, ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শুভঙ্কর মিশ্রের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে নিজেদের দাম্পত্য জীবন ও ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন বিজয় ও রাশমিকা। সাক্ষাৎকারে বিজয় জানান, সম্পর্কের সৌন্দর্য বজায় রাখতে ভালোবাসার প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, রাশমিকা প্রতিদিন তাকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আই লাভ ইউ’ বলেন।

বিজয় আরও বলেন, "আমরা সম্পর্কের দিক দিয়ে সবচেয়ে ম্যাচিওর। ওর দিকে দেখুন, কীভাবে আমার সঙ্গে কথা বলে। ভালোবাসার ব্যাপারটা সবসময় নিশ্চিত করে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশমিকা প্রতিদিন তাকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আই লাভ ইউ’ বলার পাশাপাশি, এই ভালোবাসার প্রকাশের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকারে একটি বিষয় বিশেষভাবে নজর কাড়ে। কথা বলার সময় বিজয় ও রাশমিকা পরস্পরকে পা দিয়ে স্পর্শ করে রেখেছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, বিজয় জানান, শারীরিক স্পর্শও তাদের ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তার ভাষায়, "এটা আমাদের সবসময় চলতে থাকে। আসলে, কোনো না কোনোভাবে শারীরিক স্পর্শ থাকা লাগেই। এটাই আমাদের ভালোবাসার ধরন।"

দীর্ঘদিন পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন বিজয় ও রাশমিকা। ‘রানাবালি’ নামের সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তির কথা রয়েছে। বর্তমানে সিনেমাটির প্রচারণা নিয়েই তারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবা সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবা সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকার নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর জন্য, ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব জোরদার করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিডব্লিউসিসিআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট সঙ্গীতা আহমেদ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা চালুর ফলে নারী উদ্যোক্তারা ট্রেড লাইসেন্স, আমদানি নিবন্ধন সনদ (আইআরসি) এবং রপ্তানি নিবন্ধন সনদ (ইআরসি)-এর মতো প্রয়োজনীয় নথি অনলাইনে সংগ্রহ করতে সক্ষম হবেন। তারা দেশের যেকোনো স্থান থেকে এমনকি বিদেশে থেকেও আবেদন এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে এসব সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

এতে সরকারি দপ্তরে সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন কমে যাবে এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা সহজ হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এসএমই খাতে অর্থায়ন প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, এ খাতের জন্য ঋণের পরিসর ৩০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই অর্থ ৬ শতাংশ সুদে বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তারা যাতে এ ঋণ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পান, সেজন্য এসএমই বোর্ড পুনর্গঠন এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বিডব্লিউসিসিআই প্রতিনিধিরা নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে তথ্যের ঘাটতি, আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনের জটিলতা এবং জেলা পর্যায়ে সমন্বয়ের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন।

তারা এসব সমস্যা দূর করতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজ প্রণয়ন, কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ডেস্ক স্থাপন এবং নিয়মিত কেন্দ্র-জেলা সমন্বয় সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেন।

প্রতিনিধিরা জানান, দেশে কোন খাতে এবং কোন পর্যায়ে কতজন নারী উদ্যোক্তা কাজ করছেন, তার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। ফলে তাদের প্রকৃত চাহিদা নির্ধারণ, কার্যকর নীতি প্রণয়ন এবং প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা প্রদান কঠিন হয়ে পড়ে।

তারা কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির পাশাপাশি জেলা পর্যায়ের উইমেন চেম্বারগুলোর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসাকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত ও বিধিবিধান অনুসরণে নানা জটিলতা রয়েছে বলেও তারা জানান। এ জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ডেস্ক বা সমন্বিত সেবামঞ্চ গঠনের দাবি জানান প্রতিনিধিরা।

প্রস্তাবিত ডেস্ক থেকে ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ও সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়।

এ ছাড়াও জেলা পর্যায়ের সমস্যাগুলো কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুলে ধরা এবং সেগুলোর সমাধানে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে বছরে দুবার কেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেয় সংগঠনটি।

নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় গড়ে ওঠা বিকল্প সেবামঞ্চগুলোর প্রশংসা করে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে তাদের ব্যবসায়িক সেবাপ্রাপ্তি ও অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ হবে

বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৭ অর্থবছরে ৩.৪ শতাংশ হবে, যা ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাসের সমান। তবে ২০২৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩.৯ শতাংশ হতে পারে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের তুলনায় ১.২ শতাংশীয় পয়েন্ট এবং ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাস ০.৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে ঘাটতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণ কমেছে, রপ্তানি গতিতে হ্রাস এসেছে এবং মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। একই সঙ্গে ব্যবসার খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার কারণে সরকারি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তবে, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতির কারণে দেশের বহিঃখাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে মন্তব্য করেন, "অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে এবং বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থান তৈরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।"

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। একই সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি থমকে গেছে এবং নারীরা চাকরি হারিয়েছেন।

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও বেড়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের হার ৩০.৬ শতাংশ থাকলেও ২০২৬ সালের জুনে তা বেড়ে ৩৩.২ শতাংশ হয়েছে। রাজস্ব আদায় জিডিপির মাত্র ৮.৩ শতাংশ, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন হারগুলোর একটি। এর ফলে প্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৩.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩.৫ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক জানায়, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে, সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেকই এখনো কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই।

সংস্থাটি বলেছে, উপকারভোগী নির্বাচনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানোর প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারের ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একাধিক খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির আরও কার্যকর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড যুক্ত করা গেলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%