ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় গোলাম আজমের প্রতি জুতা নিক্ষেপের ছবি


এবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় গোলাম আজমের প্রতি জুতা নিক্ষেপের ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সাঁটানো ছবির ভাঙ্গচুরের ঘটনার পর এবার গোলাম আজমের প্রতি জুতা নিক্ষেপের ছবি সাঁটানোর ঘটনা ঘটেছে। এই ছবি ছাত্র ফেডারেশন কর্তৃক সাঁটানো হয়েছে, যা আশির দশকের একটি প্রতীক।

বায়তুল মোকাররম এলাকায় বাংলাদেশের ক্ষুব্ধ জনগণের মধ্যে জুতা নিক্ষেপের দৃশ্য দেখা যায়।

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সংগ্রহশালায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি সাঁটানোর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

এছাড়া, শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ছবি সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রদল ইতোমধ্যে নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে। তারা উপাচার্যের কাছে গিয়ে এই ছবি অপসারণের জন্য ডাকসুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

অন্যদিকে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা নাগাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তৈয়ব হালদার সংগ্রহশালায় প্রবেশ করে এসব ছবি ছিঁড়ে ফেলেন।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদলের আলটিমেটাম: ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরাতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


ছাত্রদলের আলটিমেটাম: ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরাতে হবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরানোর দাবি তুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সংগঠনটির সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস জানিয়েছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে উপাচার্যের কার্যালয় ও ডাকসু সংগ্রহশালায় কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি রয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডাকসু সভাপতি ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ছাত্রদল তাদের দাবি জানায়। পরে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হন সংগঠনটির নেতারা।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন মন্তব্য করেন, ‘একজন বিতর্কিত ব্যক্তির ছবি ডাকসুর সংগ্রহশালায় টানানো হয়েছে, যার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ডাকসুর ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি টানিয়ে সংগঠনটির ঐতিহাসিক অবস্থানকে বিতর্কিত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ডাকসুর সভাপতি দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এবং বিতর্কিত ছবিগুলো অপসারণ না করলে আমরা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

ঢাবি ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছাত্রদল গণতান্ত্রিকভাবে সেগুলো মোকাবিলার চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় একটি বিশেষ গোষ্ঠীর একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নাখোশ হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ডাকসু ভবনের সংগ্রহশালা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে ‘বিতর্কিত’ দুজন ব্যক্তির ছবি টানানো হয়েছে। এ ধরনের কাজ নৈতিকভাবে স্খলনজনিত এবং তা ছাত্রদল মেনে নিতে পারে না। এ কারণে ডাকসুর সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ছবিগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।’

গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছবি দুটি সরানো না হলে উপাচার্যের কার্যালয় ও ডাকসু সংগ্রহশালায় কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ডাকসুর সংগ্রহশালা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় ‘সংস্কারের’ অংশ হিসেবে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবিকে স্থান দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ছিঁড়ে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী, প্রতিবাদ জানিয়ে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলেন শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার।

তিনি এ সময় বলেন, "এদেশের ভাষা আন্দোলনের আসল নায়কদের বাদ দিয়ে পাকিস্তানের জাঁদরেল জিন্নাহর ছবি কেন ডাকসু রেখেছে তার জন্য প্রশাসন ও ডাকসুর নেতাদের জবাব দিতে হবে। যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, সে জিন্নাহকে কীভাবে এখানে রাখে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ সব জায়গায় রক্তগঙ্গা দিয়েছে। এখানে থাকতে হবে ভাষা আন্দোলনের নায়ক আবুল কাসেমের (ছবি)। এখানে থাকবে শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ।"

আবু তৈয়ব হাবিলদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ২০২৫ সালে ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্রভাবে ভোট দিয়েছিলেন।

সংস্কার শেষে রোববার ডাকসু সংগ্রহশালা পুনরায় চালু করে, যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক বা গৌরবোজ্জ্বল ছবি স্থান না পেলেও নতুন করে যুক্ত হয় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আলোচিত ছবি।

এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।

স্থান পায় ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের একটি গ্রুপ ছবি, যেখানে জিন্নাহ রয়েছেন। অপর ছবিটি ১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে জিন্নাহর ছবি সংবলিত পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদনের পেপার কাটিং।

ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘বিতর্কিত’ ছবি প্রদর্শনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

সোমবার সকালে সংগঠনটি বলেছে, শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসুর এই পরিষদ শিক্ষার্থীদের গণআকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রতি তাদের প্রচ্ছন্ন অনুরাগ ও ‘পাকিস্তান প্রেম’ জাহির করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংকিং আধুনিকায়নে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ও ব্যাংকিং আধুনিকায়নে ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

দেশের আর্থিক খাতকে আরও স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি ও পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবস্থার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং চলমান ব্যাংক সংস্কারে সহায়তা প্রদান করা।

‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ (এফএসএসপি-২) নামক প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে এবং এতে সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রকল্পটি পাঁচ বছর মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ১ হাজার ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বৈদেশিক অর্থায়ন হিসেবে আসবে। বাকি ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আর্থিক খাতের ‘সেফটি নেট’ বা নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান ব্যাংক খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের আওতায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো ও তদারকি সক্ষমতা আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইসিটি অবকাঠামোসংক্রান্ত ক্রয়প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শক সেবা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, আমানত বিমা ট্রাস্ট ফান্ডের (ডিআইটিএফ) আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থ পরিশোধের সময় কমানো এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়ানোও প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রকল্প নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশের অভ্যন্তরে আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশের আর্থিক খাতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। তবে উচ্চ খেলাপি ঋণ, সুশাসনের দুর্বলতা, পুরোনো আইসিটি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক খাতের তদারকিতে ব্যবহৃত আইসিটি অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অভাবের কারণে সাইবার হামলা ও আন্তসীমান্ত আর্থিকসহ উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যা আমানতকারীদের আস্থা এবং দেশের আর্থিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বে যে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেছিল, তার ধারাবাহিকতায় এফএসএসপি-২ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রকল্পটির তিনটি প্রধান উপাদান রয়েছে। এগুলো হলো—তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থার উন্নয়ন, আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠনে সহায়তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান।

এর দ্বিতীয় উপাদানের আওতায় আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তি আধুনিকায়নে প্রকল্পের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে। প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে আইসিটি সরঞ্জাম কেনায় ৭১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা, কম্পিউটার সফটওয়্যারে ৩৫৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং ডেটাবেজে ৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইসিটি ও অফিস সরঞ্জাম কেনার জন্যও অর্থ বরাদ্দ থাকবে।

পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিশনের মতে, এটি আর্থিক খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং, ব্যাংক সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শক্তিশালী করবে। এর ফলে ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে জমা পড়ে। এরপর একই বছরের ২৩ নভেম্বর বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (এসপিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংশোধিত টিএপিপি চলতি বছরের মে মাসে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৪ জেলায় ফ্রি'তে প্রশিক্ষণের সু্যোগ, মিলবে খাবার ও যাতায়াত ভাড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


৬৪ জেলায় ফ্রি

সরকার দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীদের বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এই প্রশিক্ষণ ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হবে।

প্রকল্পের অষ্টম ব্যাচের তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রকাশ করেছে। সারাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।

অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই তিন মাসের প্রশিক্ষণে প্রতিদিন আট ঘণ্টা ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের জন্য কোনো প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে না।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়সের সীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। দেশের সব জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক ধারণা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা রয়েছে—এমন প্রার্থীদের প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার উপপরিচালকের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিসহ পাঁচ সদস্যের ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে।

এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে মনোনীত প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদারকির মাধ্যমে বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থা থাকবে।

প্রশিক্ষণ শেষে যারা সফলভাবে উত্তীর্ণ হবেন, তাদের সনদ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সময়ে আয় বৃদ্ধির কার্যক্রমে যুক্ত হতে প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং সাপোর্টও দেওয়া হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।

বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। এসএমএসে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে পরীক্ষার সময় সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।

বৈধ আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও পরীক্ষার ফলাফল ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে।

পরীক্ষার স্থান, সময়, ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর অনলাইন আবেদন লিংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জানা যাবে https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo ওয়েবসাইটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%