মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০০ পি.এম
লক্ষ্মীপুরের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহকদের দেখানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পালকে ঢাকায় আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃত ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নেওয়া স্বর্ণালংকারগুলোও।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন এবং জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার। এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রণজিত পালকে আটক করা হয়।
আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের মালিক। তিনি পরিবারসহ শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রণজিত প্রায় ৩০ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর বাজারে সোনার ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে অন্যান্য সোনা ব্যবসায়ীরা তাকে গহনা প্রদান করতেন। তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে গহনা নিয়ে গ্রাহকদের দেখাতেন এবং বিক্রিও করতেন।
সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর বাজারের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে একইভাবে গ্রাহকদের দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করেন রণজিত। পরে গহনাগুলো ফেরত না দিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নিজস্ব দোকান খোলা থাকলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি শাঁখারিপাড়ার ভাড়া বাসাতেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয় যে, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে গেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।
তমা শিল্পালয়ের মালিক পলাশ কুরী বলেন, সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ তাকে আটক করেছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার জানান, বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২২ ভরি সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ। পুরো সোনাসহ তাকে আটক করা হয়েছে। এজন্য আমরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।
লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে তাকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানকে দুই বছরের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে মনোনীত করা হয়েছে।
অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) মহাসচিব হিসেবেও কাজ করছেন। তাছাড়া, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দলটির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক কমিটির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী দুই বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর উদ্দেশ্যে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পালকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণালংকারগুলো।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রণজিতকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন এবং জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার। এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়।
এদিকে বিকেলে এ ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী। তিনি পরিবারসহ শহরের শাঁখারীপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ বছর ধরে রণজিত লক্ষ্মীপুর বাজারে ব্যবসা করছেন। তার সঙ্গে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক ভালো ছিল। এক ব্যবসায়ী অন্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গহনা এনে গ্রাহকদের দেখায় এবং বিক্রি করে থাকে। একইভাবে রণজিত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৪টি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি সোনার গহনা আনেন কিন্তু সেগুলো আর ফেরত দেয়নি। তার দোকান খোলা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোথাও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ভাড়া বাসায়ও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সপরিবারে পালিয়ে গেছেন।
পলাশ কুরী বলেন, "সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ করেছি, পুলিশ তাকে আটক করেছে।"
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, "অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে লক্ষ্মীপুর নেওয়া হচ্ছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় হঠাৎ ঝড়ের তাণ্ডবে এক কৃষকের স্বপ্ন ও পরিশ্রম ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। দমকা হাওয়ায় মাটিতে পড়ে গেছে কৃষক আব্দুর রহমানের পুরো ক্ষেতের আখ।
উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের হাজাছড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান একজন প্রান্তিক কৃষক। কৃষি কাজই তার সংসার চালানোর এবং জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন। স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নে বুক বেঁধে দিনরাত পরিশ্রম করে ৫০ শতক জমিতে প্রায় ৮ হাজার আখের চারা রোপণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতের ঝড়ে তার সেই স্বপ্ন এখন ভাঙনের মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আব্দুর রহমান অত্যন্ত পরিশ্রমী কৃষক। পরম যত্নে তিনি আখ চাষ করছিলেন। আখ গাছগুলো বাতাসে হেলে পড়া থেকে বাঁচাতে এখন যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন বা গাছের বাঁশ-খুঁটির সাপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন তা জোগাড় করার আর্থিক সামর্থ্য তার নেই। চোখের সামনে তিল তিল করে গড়ে তোলা বাগান নষ্ট হতে দেখে হতাশা ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর রহমান কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, "৫০ শতক জমিতে আখের বাগান করতে গিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ করেছি। গাছগুলো বেশ বড় হয়েছিল, আশা ছিল আখ বিক্রি করে লাভবান হব। কিন্তু হঠাৎ তীব্র বাতাসে সব আখ গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে আমার প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হলো।"
তিনি আরও জানান, মাটিতে পড়ে যাওয়া আখগুলো এখনও পুরোপুরি বিক্রির উপযোগী হয়নি। পর্যাপ্ত পরিচর্যা ও সাপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে না পারলে এগুলো সব নষ্ট হয়ে যাবে।
এনজিওর ঋণ ও ধারের টাকায় শুরু করা এই প্রজেক্টের এমন পরিণতিতে পরিবার নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও আশু পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও এলাকার সচেতন জনগণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এই আদরের প্রাণীটি যখন নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে প্রস্রাব করে, তখন সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে সোফা, গালিচা বা ঘরের কোনো কোণে প্রস্রাব করার পর প্রথমে তা টের না পাওয়া গেলেও পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
অনেক সময় নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করার পরও সেই গন্ধ পুরোপুরি দূর হয় না। এতে বাড়ির মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেলেও অতিথিদের জন্য বিষয়টি বেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে।
তবে কিছু সহজ উপায়ে পোষা বিড়ালের প্রস্রাবের দুর্গন্ধ কমানো সম্ভব।
এনজাইমযুক্ত গন্ধনাশক ব্যবহার করতে পারেন।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ দূর করতে এনজাইমযুক্ত গন্ধনাশক (Enzyme Based Cat Litter Deodorizer) ব্যবহার করা যেতে পারে। এই গন্ধনাশকে থাকা বিশেষ ধরনের উৎসেচক বিড়ালের মূত্রে থাকা প্রোটিন ও ইউরিক অ্যাসিড ভেঙে দিতে সাহায্য করে। ফলে দুর্গন্ধও কমে যায়।
বিড়াল সাধারণত যে স্থানে প্রস্রাব করে, সেখানে এটি ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। এর নিজস্ব গন্ধ খুব তীব্র নয়, তাই বিড়ালেরও সাধারণত অস্বস্তি হওয়ার কথা নয়।
সোফা বা গালিচায় প্রস্রাব করলে
অনেক সময় বিড়াল সোফা কিংবা গালিচায় প্রস্রাব করে। এমন পরিস্থিতিতে পানির সঙ্গে সাদা ভিনিগার মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে স্প্রে করা যেতে পারে।
এরপর ভেজা জায়গায় বেকিং সোডা ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। এটি দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। বিড়ালের প্রস্রাবের জায়গাতেও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে।
লিটার বাক্স বা প্রস্রাবের স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
বিড়ালের লিটার বাক্স বা প্রস্রাবের স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষ করে বর্ষাকালে ঘরের পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে থাকায় দুর্গন্ধ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তাহলে প্রয়োজন হলে বিড়ালের প্রস্রাব ও মলত্যাগের স্থান দিনে দুবার পরিষ্কার করা যেতে পারে। এতে ঘরে দুর্গন্ধ জমে থাকার সুযোগ কমবে।
গন্ধ দূর করতে নিয়মিত পরিষ্কারই গুরুত্বপূর্ণ।
পোষা বিড়াল থাকলে শুধু ঘর পরিষ্কার করলেই হবে না, বিড়াল যেখানে নিয়মিত প্রস্রাব করে সেই স্থানগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। দ্রুত স্থানটি পরিষ্কার করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গন্ধ কমানোর উপকরণ ব্যবহার করলে ঘরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়া অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ