মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৩ পি.এম
খুলনার পাইকগাছার লতা ইউনিয়নের চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে একটি করে গাছের চারা প্রদান করা হয়েছে, এবং তাদের পরিচর্যার দায়িত্বও অর্পণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক, মসজিদ-মন্দির, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিষদ প্রাঙ্গণে মোট ১ হাজার ২০০ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে লতা ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা হয়। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে এসব চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়।
কর্মসূচির আওতায় চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছের চারা দেওয়া হয়। গাছের সুরক্ষার জন্য প্রতিটি চারার সঙ্গে নেটের বেড়া দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের স্কুল প্রাঙ্গণ ও রাস্তার পাশে চারা রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
চারা বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, গাছের পরিচর্যার বিষয়টি যেন তারা একটি অ্যাসাইনমেন্টের মতো গুরুত্ব দিয়ে পালন করে। তাদের দায়িত্ব হবে শুধু চারা রোপণ নয়, বরং গাছটি বাঁচিয়ে রাখা।
লতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী শিক্ষকদের অনুরোধ করেন, শিক্ষার্থীদের বৃক্ষ পরিচর্যায় উৎসাহিত করতে। তিনি গাছ বাঁচিয়ে রাখার বিষয়টি কৃষিশিক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষার মূল্যায়নে বিবেচনার জন্যও শিক্ষকদের অনুরোধ জানান।
এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে চারা বিতরণ করা হয়। তারা নিজ নিজ এলাকায় মসজিদ-মন্দির ও সড়কের পাশে এসব চারা রোপণ করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের পেছনের অংশেও নেটের বেড়া দিয়ে গাছ লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদ প্রাঙ্গণ, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীদের নিম, কদবেল, আমলকী, তেঁতুল, অর্জুন, সিরিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়। গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও লতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ফজলে রাব্বী, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা একটি ভিডিওতে লাইক দেওয়ার অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মিঠাখালী পিজিএস আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. নুরুল আমিন কামাল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক মো. মামুন অর রশিদ তালুকদার ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত)। তার ইনডেক্স নম্বর ঘ১১১৮০২৮।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ‘ভোলা মিশন’ নামে একটি পেজে ‘সন্ত্রাসীদের বাপের নাম তারেক রহমান’ ও ‘খেলা জমে গেছে’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ওই ভিডিওতে মামুন অর রশিদ তালুকদার লাইক দেন।
পরে এ ঘটনায় তাকে দুই দফা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ২১ সেপ্টেম্বর স্মারক নম্বর ৩৬/২৬-এর অফিস আদেশে তদন্ত ও অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকালীন সময়ে তার বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক মামুন অর রশিদ তালুকদার বলেন, ৯ আগস্ট রাতে ফেসবুক নিউজফিডে স্ক্রল করার সময় অসাবধানতাবশত তার আঙুলের ডাবল ট্যাপে ভিডিওটিতে লাইক পড়ে যায়। পরে ভিডিওটি আপত্তিকর বুঝতে পেরে তিনি লাইক প্রত্যাহার করেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. নুরুল আমিন কামাল বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা ভিডিওতে লাইক দেওয়া নৈতিকভাবে অন্যায়। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণের সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন জিএম মনির হোসেন (৫৪) নামে এক যুবদল নেতা।
এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের কাটপট্টি রোড এলাকায়।
জিএম মনির হোসেন বরিশাল মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং তিনি নগরের রোকেয়া আজিম সড়কের বাসিন্দা ছিলেন।
বরিশাল জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার সকালে জেলা ও মহানগর যুবদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মনির মহানগর যুবদলের মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, যখন মিছিলটি কাটপট্টি এলাকায় পৌঁছায়, তখন হঠাৎ রাস্তায় পড়ে যান মনির হোসেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেন, "এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। মনির যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।"
এর আগে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নগরের সদর রোডে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল পৃথক সমাবেশ ও মিছিল করে। মহানগর যুবদল নগরের অশ্বিনী কুমার হলসংলগ্ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করে। দলীয় নেতাদের মতে, মিছিল চলাকালীন মনির হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জিএম মনির হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি ও যুবদলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গত এক বছরে নতুন রুট ও ট্রিপ চালুর পাশাপাশি বিদ্যমান কয়েকটি রুটে সেবার পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সময়ে, গাড়ির মাইলেজ বৃদ্ধি, জ্বালানি ও অন্যান্য খাতে ব্যয় কমানো এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারও বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবহন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এসব ব্যবস্থাপনার ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জ্বালানি খাতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার বেশি সাশ্রয় হয়েছে।
পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে গত এক বছরে প্রায় তিন হাজার আবাসিক শিক্ষার্থী এবং ৫০ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা যুক্ত হলেও ২৯টি গাড়ি ও ২৩ জন চালক দিয়ে নিয়মিত পরিবহন সেবা সচল রাখা হয়েছে। এ সময়ে গাড়িগুলোর গড় মাইলেজ প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে জ্বালানি খাতে সাশ্রয়ের পাশাপাশি ইঞ্জিন অয়েল ও বিআরটিসি ভাড়া বাবদ ব্যয়ও আগের তুলনায় কমেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মদিবসে শহর থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার একাধিক ট্রিপ, বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মার্কেট ট্রিপ এবং অফিস খোলা থাকলেও ক্লাস বন্ধের দিনে নির্দিষ্ট সময়ে শহর-ক্যাম্পাস রুটে পরিবহন চালু রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া ঝিনাইদহ শহর থেকে ভেটেরিনারি ক্যাম্পাসে নতুন পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য গোধূলি ট্রিপ চালুর পাশাপাশি মার্কেট ট্রিপের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। পরিবহন সেবা নিয়ে তথ্য, পরামর্শ ও অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গাড়িতে ভেহিকেল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস) চালুর মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্যারেজ এলাকায় সিসিটিভি স্থাপন করে গাড়ি ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ পরিস্থিতিতেও পরিবহন দপ্তরের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সেবা প্রদান করা হয়েছে। বীরপ্রতীক তারামন বিবি হলে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত শতাধিক শিক্ষার্থীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পরিবহন ব্যবস্থা করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা ও ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি, ঈদুল আজহায় ক্যাম্পাস থেকে যশোর রেলস্টেশন এবং রমজানে ইফতারের পর শিক্ষার্থীদের যাতায়াতেও পরিবহন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে চালকের সংকট ও নতুন গাড়ি কেনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে দপ্তরের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন রুট, পূর্ণাঙ্গ শাটল সেবা, শুক্রবার ও ছুটির দিনে মার্কেট ট্রিপ, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটে পরিবহন এবং সার্বক্ষণিক দুটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ বিষয়ে যবিপ্রবির পরিবহন পরিচালক ড. শিমুল ইসলাম বলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিবহন) হিসেবে দ্বিতীয় বছরের দায়িত্ব শেষ করলাম। পরিবহন দপ্তরে চালকের সংকট ও নতুন গাড়ি কেনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং নতুন চালু হওয়া দুটি হলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে পরিবহন দপ্তর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও পরিবহন সেবার মান বৃদ্ধি, গুণগত পরিবর্তন এবং ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করেছি। পরিবহনের সার্বিক পরিবর্তনে পরিবহন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিবহন পরিচালনা কমিটির সদস্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে সুচিন্তিত মতামত প্রদানকারীদেরও সাধুবাদ জানাই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে টিকতে না পেরে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে কয়েকশ ফিশিংবোট নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। অনেক বোট উপকূলের দিকে ফিরতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে।
শরণখোলা উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন জানিয়েছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রায়েন্দা, মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা ও পাথরঘাটা সহ উপকূলীয় এলাকায় এবং সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে কয়েকশ ফিশিংবোট আশ্রয় নিয়েছে। কিছু বোট এখনও উপকূলে ফিরছে।
শরণখোলার রাজৈর মৎস্যঘাটের আড়তদার কবীর হোসেন জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফিশিংবোটগুলো সাগরে যেতে পারছে না এবং গত দুই দিন ধরে রায়েন্দা মৎস্যঘাটে নোঙর করে আছে।
সাগরসংলগ্ন দুবলার মেহেরআলী লাইট হাউসের কর্মী সবুজ হাওলাদার জানিয়েছেন, সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মাছ ধরতে না পেরে ফিশিংবোটগুলো উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। কিছু বোট সুন্দরবনের মেহেরআলী খালেও আশ্রয় নিয়েছে।
বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানিয়েছেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েছেন। উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে ফিশিংবোটগুলো উপকূলের দিকে ফিরে আসছে।
দুবলা জেলেপল্লির বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিলটন রায় জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে সাগরে কোনো ফিশিংবোট নেই। দুবলারচর এলাকায় প্রবল ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ