ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: এনসিপিতে পদ পাওয়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরখাস্ত


আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: এনসিপিতে পদ পাওয়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরখাস্ত

সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় ভোলার চরফ্যাশনের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ জগলুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সাংগঠনিক পদে আছেন।

এ তথ্য জানানো হয়েছে সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. সফিউল্লাহ জগলু বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানা গেছে, সফিউল্লাহ জগলু এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ২৫(১) বিধি অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই কারণে, তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ২৫(১) বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর এনসিপির ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান ও সদস্যসচিব শরীফ হাওলাদার সাগরের স্বাক্ষরে আগামী ছয় মাসের জন্য দলটির চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়। সাত সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে সফিউল্লাহ জগলুর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় ফেসবুকে অস্ত্র দেখিয়ে ভিডিও প্রকাশ, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ ২ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


বগুড়ায় ফেসবুকে অস্ত্র দেখিয়ে ভিডিও প্রকাশ, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ ২ গ্রেপ্তার

বগুড়ায় ‘সুইট গ্রুপের’ প্রধান এরিন আহম্মেদ সুইটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ফেসবুকে হাতে বার্মিজ চাকু ও পিস্তল নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। এ সময় একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিবন্ধনহীন একটি পালসার মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া অপরজন হলেন মো. মিরাজুল (১৯)। সুইট ও মিরাজুলের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় অবস্থিত। সুইটের বাড়ি ফুলকোর্ট মধ্যপাড়া গ্রামে এবং মিরাজুলের বাড়ি বিলকেশ পাথার গ্রামে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সুইটের হাতে বার্মিজ চাকু ও পিস্তল নিয়ে প্রদর্শনের ভঙ্গিতে তৈরি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার এক সহযোগী ভিডিওটি ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশ ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের নজরে আসে। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের গ্রেপ্তার অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, রোববার বিকেলে শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোর্ট মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়। চাকুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চি এবং ভাঁজ করা অবস্থায় দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ১ ইঞ্চি। এ ছাড়া তাদের ব্যবহৃত ১৫০ সিসির নিবন্ধনহীন একটি পালসার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার দু’জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


চাঁদপুরে মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। জব্দ হওয়া জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে চাঁদপুরের আনন্দবাজার, দাশাদি খাল, শহর মালি, লালপুর, ৩ নম্বর কয়লা ঘাট, চাঁদপুর মোহনা, গাজীর টেক, মিয়ার বাজার, কানুদি ও আমিরাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জব্দ করা জাল বিধি অনুযায়ী ধ্বংস করা হয়।

নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে বিভিন্ন অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৭০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ২২টি জাল জব্দ করা হয়েছে। এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ টাকা।

চাঁদপুর নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফায়িজ কাফী জানিয়েছেন, ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নৌবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষার জন্য সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নৌবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মৎস্য বিভাগও পালাক্রমে নদীতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ১০ হাজার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ইলিশ সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশও জব্দ করা হয়েছে।

গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে নৌবাহিনী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিমা বিসর্জনে ড্রোন-হেলিকপ্টার নজরদারিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিমা বিসর্জনে ড্রোন-হেলিকপ্টার নজরদারিতে

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন ও হেলিকপ্টার নজরদারিতে থাকবে।

দুর্গাপূজার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকা, জনবহুল স্থান ও বড় বড় মণ্ডপগুলোর যাতায়াত রাস্তায় কৌশলগত পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত সংখ্যক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে আকাশপথে নজরদারির জন্য ড্রোন ও হেলিকপ্টার মোতায়েনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) জানিয়েছে, মণ্ডপকেন্দ্রিক নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ মোটরবাইক রোবাস্ট পেট্রোলিং ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব, উসকানি ও অপপ্রচার রোধে সাইবার উইংয়ের কঠোর নজরদারি থাকবে।

আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী ও মহানবমী পেরিয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

এ উৎসব উপলক্ষে দেশজুড়ে পূজামণ্ডপগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) পরিকল্পনা সম্পর্কে বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এসআরবি সারাদেশে বহুমুখী ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গোয়েন্দা তৎপরতা রোধে পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে জোর দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টার নজরদারির জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য হটলাইন চালু রয়েছে। মণ্ডপকেন্দ্রিক নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ মোটরবাইক রোবাস্ট পেট্রোলিং ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব, উসকানি ও অপপ্রচার রোধে সাইবার উইংয়ের কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, বিশেষ করে প্রতিমা বিসর্জনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে আকাশপথে নজরদারির জন্য ড্রোন ও হেলিকপ্টার মোতায়েনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের চলাফেরা নির্বিঘ্ন করতে এসআরবির পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মাঠে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, রাজধানী ঢাকায় দুর্গাপূজা চলাকালীন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসআরবি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ঢাকার কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপসহ গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকায় এসআরবির সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মনিটর করা হচ্ছে এবং শহরের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট ও বিশেষ টহল দল কাজ করছে।

উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকা, জনবহুল স্থান ও বড় বড় মণ্ডপগুলোর যাতায়াত রাস্তায় কৌশলগত পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত সংখ্যক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

তথ্য প্রদানকারীদের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে পুলিশ ও এসআরবির পাশে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আইজিপি আরও বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে পুলিশ প্রাক-পূজা, পূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা পরবর্তী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যেই পুলিশের পূজাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, পূজাকে কেন্দ্র করে কোন মহল বা গোষ্ঠী যাতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

আইজিপি আরও বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ক্রাইম রেসপন্স টিম (সিআরটি), কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি), ক্রাইম সিন ভ্যান ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

এছাড়াও দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও অন্যান্য পুলিশ ইউনিটে সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল চালু থাকবে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক অপারেশন মো. আইয়ুব আলী বাসসকে জানান, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করতে সারাদেশে প্রতিমা নির্মাণস্থান, পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শনসহ আগাম নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে ২ লাখ ১২ হাজার ৮শ’৩৪জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ পূজামন্ডপে আটজন করে ও সাধারণ পূজামন্ডপে ছয়জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

মো. আইয়ুব আলী আরও বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, প্রবেশ ও বহির্গমন ব্যবস্থাপনা, আলোকসজ্জা ও অগ্নিনিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন এবং যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

দেশে ধর্মীয় সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বছর রেকর্ডসংখ্যক প্রায় ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০টি বেশি।

পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রযুক্তি ও তদারকি জোরদার করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ব্যবহৃত এনটিএমসি’র বিশেষ অ্যাপসটি দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হবে এবং এ লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টার মনিটরিং টিম সক্রিয় থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করলো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, বিকল্প জায়গা ঠিক করলো পুলিশ

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ব্যাপক বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিল ‘তেলাপোকা’ বা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বিরোধীদল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের যোগদানে এই বিক্ষোভ সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। প্রশাসনিক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে মোদি সরকারের প্রাথমিক প্রচেষ্টা কিছুটা সফল হলেও সিজেপি ও মূলধারার বিরোধী দলগুলো এখনো আন্দোলন জোরদারে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি, বিক্ষোভ ও সভা-সমাবেশের জন্য রাজধানীতে তিনটি নতুন জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এক নির্দেশে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বিক্ষোভ-সমাবেশ আয়োজনের জন্য রাজধানীর তিনটি জায়গার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত স্থানগুলো হলো মধ্য দিল্লির রামলীলা ময়দান, উত্তর দিল্লির বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড। এসব স্থানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ আয়োজনের নিয়মকানুন নিয়ে সংশোধিত নির্দেশনা পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাগরিকেরা যাতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ আয়োজনের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য বিকল্প উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল জারি করা পুলিশের একটি নির্দেশনায় বিক্ষোভ আয়োজনের স্থান ও নিয়মকানুন নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওই নির্দেশনার কিছু অংশ সংশোধন করা হয়েছে।

সোমবারের নির্দেশে পুলিশ জানিয়েছে, নতুন তিনটি স্থানে বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য সংশোধিত কার্যপদ্ধতি বা এসওপি আলাদাভাবে জারি করা হবে।

সম্প্রতি ভারতীয় তরুণ-তরুণীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিত্তিক প্ল্যাটফরম ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সুবাদে নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের নিকটবর্তী যন্তর মন্তর এলাকাটি বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে। মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ৬ জুন এই যন্তর মন্তরেই বিক্ষোভ শুরু করেছিল সিজেপি এবং সেই বিক্ষোভ সফলও হয়েছিল।

সম্প্রতি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছিল সিজেপি। তবে রাজধানীজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সেই কর্মসূচি করতে পারেনি সিজেপি। এ কর্মসূচিকে ঘিরে আটক সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে ‘এক বছর শান্ত থাকার’ মুচলেকা দিয়ে গতকাল রোববার ছাড়া পেয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%