রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশন জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইইই-তে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: গ্রুপ অব কোম্পানিতে সংশ্লিষ্ট কাজের দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১০ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, কর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সহায়তা ভাতা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ ইউনিটটি, কয়লাস্বল্পতার কারণে এক মাস ধরে সীমিত উৎপাদনে থাকার পর, পুনরায় চালু হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। একই দিনে, কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায় কারিগরি ত্রুটির কারণে।
ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক। পূর্বে কয়লাস্বল্পতার কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। বর্তমানে সেখানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে, ফলে সম্প্রতি ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন এখন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে এবং দ্রুত উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
এদিকে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমে যায়। গত মাসের শেষের দিকে উৎপাদন কিছুটা বাড়িয়ে, দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল কেন্দ্রটি।
গত বুধবার রাতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু ওই রাত ১২টার দিকে একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে, ফলে দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বশীল দুজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। রোববার ভোরে মেরামতের কাজ শেষ করে ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয় এবং পরে দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে ইউনিটটি।
পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্র জানায়, রোববার বেলা ২টার দিকে আদানির দুটি ইউনিট মিলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। এর আগে সকালে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল কেন্দ্রটি। বিকেলের দিকে সরবরাহ আরও বাড়তে পারে।
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এখানে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার কারণে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করার পর, সেই রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতেই প্রতিপক্ষ এবার একই কায়দায় চাচাকেও কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান জানিয়েছেন।
নিহতের নাম রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে রবি (৫৫)। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে এবং ২৬ জুন খুন হওয়া সুমন শেখের চাচা। জীবিকার তাগিদে রবিউল গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা সদর বাজারে চায়ের দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোক্তার বিশ্বাস (৫৫), হৃদয় শেখ (২১) ও লিটন খান (৪০)। তাদের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে মোক্তার বিশ্বাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রবিউল শেখ শনিবার রাতে দোকান বন্ধ করে কয়েকজনের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। উপজেলার উত্তর মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার সময় রবিউলকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়।
স্থানীয়দের মতে, হামলায় রবিউলের দুই হাত ও দুই পা এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন। দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গ্রাম্য বিরোধ চলমান রয়েছে। প্রায় চার বছর ধরে এই বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও মামলা হয়েছে।
এ বিরোধের জের ধরে ২৬ জুন সন্ধ্যায় একই ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া গ্রামের উকিল শেখের বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সুমন শেখকে (২৪) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সুমন ছিলেন রবিউলের ভাই আলাউদ্দিন শেখের ছেলে এবং কাশিয়ানী এম.এ. খালেক ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনার জের, পুরোনো বিরোধ ও প্রতিশোধের ধারাবাহিকতায় রবিউল হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
আলফাডাঙ্গা থানার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। আগের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জামিনে বের হয়ে বাদীপক্ষের একাধিক ব্যক্তিকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এটি আগের ঘটনার রেশ নাকি নতুন কোনো বিরোধ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মাসুদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও চালু হয়নি, যা নিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সুপেয় পানি সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে পৌরসভার চলমান রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণকাজের ধীরগতি এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে এসব কাজের মান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা জানান, পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর পরেও এটি চালু না হওয়ায়, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি পড়ে থাকলেও পৌরবাসী এর সুফল পাচ্ছেন না।
তারা বলেন, পানি শোধনাগার নির্মাণের পরও সুপেয় পানি সরবরাহ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে পৌরবাসীর ঘরে ঘরে সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে হবে।
এ সময় বক্তারা পৌরসভার চলমান বিভিন্ন উন্নয়নকাজ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণকাজে ধীরগতি এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌরসভার বাসিন্দা এনামুল হক, সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদ মোহাম্মদ মুজাহিদ, শাহিন আলম, পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পানি শোধনাগার চালু করে পৌরবাসীর জন্য সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়ার হুশিয়ারি দেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সড়কের পাশে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে তিনজনকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে, দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক কাশপিয়া তাসরিন এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— উপজেলার রামনগর (আয়মারসুলপুর) গ্রামের মৃত শফির উদ্দিনের ছেলে মো. আলম (৫০), ছোটমানিক গ্রামের মৃত নবীন উদ্দিনের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (৫২) এবং রামনগর গ্রামের হবিবরের ছেলে আব্দুল মতিন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাঁচবিবি উপজেলার কেশবপুর গ্রামের লাল ব্রিজ এলাকায় সড়কের পাশে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটার কাজ চলছিল। এ বিষয়ে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক কাশপিয়া তাসরিন জানান, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ১১ ধারায় সরকারি গাছ অবৈধভাবে কর্তনের জন্য তাদের তিন দিনের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ