প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নতুন তারিখ অনুযায়ী, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।
রোববার (২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা, যেখানে জানানো হয়েছে যে, নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে এবং যোগদান সম্পন্ন করার পর প্রার্থীদের পদায়ন করা হবে, পাশাপাশি পরবর্তীতে বিএফপিটি (আবশ্যিক পেশাগত প্রশিক্ষণ) পাঠানোর প্রক্রিয়া থাকবে।
এছাড়া, এর আগে ১ আগস্ট (শনিবার) মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রার্থীদের যোগদানের সম্ভাব্য তারিখ ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছিল। সেই সভায় গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগলেও দ্রুত শিক্ষক পদায়নের কাজ সম্পন্ন করতে চায় সরকার। সর্বশেষ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবরকে যোগদানের চূড়ান্ত দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হলো।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে যে, এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। যোগদান শেষে জেলাভিত্তিক পদায়ন সম্পন্ন হবে এবং শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পেশাগত প্রশিক্ষণে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
যদিও পরীক্ষার সব ধাপ পার হলেও যোগদান ঝুলে ছিল। গত এপ্রিলে নির্বাচিত প্রার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুত সব দাপ্তরিক কাজ শেষ করে যোগদান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন