ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড


স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

ফরিদপুরের মধুখালীতে, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী মনোজিত সরকারকে (৩৬) আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। একই সাথে, তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডেরও আদেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, ওই অর্থ ভুক্তভোগীর পরিবারকে দিতে হবে।

এ সম্পর্কে সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন। আসামি পলাতক থাকায় রায় ঘোষণার সময় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জানা যায়, ২০১৪ সালে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জারজাননগর গ্রামের রমা বিশ্বাসের (২৫) সঙ্গে একই উপজেলার কলাইকান্দা গ্রামের মনোজিত সরকারের (৩৬) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে নগদ চার লাখ টাকা, সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালংকার এবং আসবাবপত্র দেয়া হয়।

তবে বিয়ের সময় দেয়া যৌতুকেও মনোজিত সরকার খুশি ছিলেন না। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্ত্রী রমা বিশ্বাসকে বাবার বাড়ি থেকে আরও টাকা আনতে চাপ দিতে থাকেন। এর ফলে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।

২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল দুপুরে, কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে, মনোজিত রমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে নিহত রমা বিশ্বাসের বাবা রঞ্জন বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

সাক্ষ্য ও শুনানি শেষে, আজ সোমবার আদালতের বিচারক এ রায় দেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বলাৎকারের পর শিশু শিক্ষার্থীকে ৫ টাকা দিয়েছেন শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


বলাৎকারের পর শিশু শিক্ষার্থীকে ৫ টাকা দিয়েছেন শিক্ষক

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. ইব্রাহীম নামে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের এক মাদরাসায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, সকাল ছয়টার দিকে শিশুটিকে একা পেয়ে একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন শিক্ষক ইব্রাহীম। এরপর শিশুটির কাছে ঘটনাটি চেপে রাখতে তিনি ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি পাঁচ টাকা দেন।

পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবার পরিচিতদের কাছে বিষয়টি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে দুমকি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

তবে শিক্ষক ইব্রাহীম নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন গণমাধ্যমে জানান, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাকে বেধড়ক পেটালেন ছেলে সম্পত্তির জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


মাকে বেধড়ক পেটালেন ছেলে সম্পত্তির জন্য

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় সম্পত্তির জন্য আকলিমা আক্তার রোজি নামে এক মহিলা মারধরের অভিযোগ তার ছেলে রাজু হোসেনের বিরুদ্ধে উঠেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোজি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনাটি জানান। এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দেওপাড়া এলাকার পুরাতন মোল্লা বাড়িতে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

আহত আকলিমা আক্তার রোজি দেওপাড়া এলাকার কলার আড়তের ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম খোকনের স্ত্রী। অভিযুক্ত রাজু হোসেন ভুক্তভোগী রোজির প্রথম সংসারের ছেলে।

রোজির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজু দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে সম্পত্তি, অর্থাৎ জায়গা-জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছে। এক সময় রাজু সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ নিয়ে একাধিকবার তাদের মধ্যে বিরোধও ঘটে। তবে রোজি কোনোভাবেই সম্পত্তি লিখে দিতে রাজি হননি। ঘটনার সময় রাজু তার স্ত্রী তাসলিমাকে নিয়ে রোজির কাছে আসে এবং একপর্যায়ে তারা রোজিকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। এতে রোজি রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে রাজু তার মাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।

রোজি বলেন, "সম্পত্তির জন্য রাজু আমাকে পিটিয়ে আহত করেছে। পরে আমার ঘরে থাকা নগদ টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

অভিযুক্ত রাজু হোসেন এবং তার স্ত্রীর কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব বলেন, "ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে হত্যা করল ছেলে স্পর্শকাতর অঙ্গ চেপে ধরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


বাবাকে হত্যা করল ছেলে স্পর্শকাতর অঙ্গ চেপে ধরে

সাভারে পারিবারিক বিরোধের কারণে নেশা সংক্রান্ত বিষয়ে মহিন মিয়া (৩৮) নামে এক দুধ বিক্রেতাকে হত্যার অভিযোগ তার ১৫ বছরের ছেলে জিসানের বিরুদ্ধে উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে জিসানকে পুলিশ আটক করেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ভোররাতে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া ছাকিপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোররাতে নেশা করাকে কেন্দ্র করে বাবার সঙ্গে ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ছেলে জিসান তার বাবাকে মারধর করে। এই সময় গর্ভের স্পর্শকাতর অঙ্গ, অর্থাৎ অণ্ডকোষে আঘাত ও চাপ দেওয়ার ফলে মহিন মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সাভারের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়ে।

সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘটিত অপরাধ বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে রাবিতে সংঘর্ষ, জিএসসহ আহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে রাবিতে সংঘর্ষ, জিএসসহ আহত ২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ এক নেতার ওপর সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীর হামলার অভিযোগের পর একাধিক দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে ঘটনাটি ঘটে।

এ বিষয়ে জানা যায়, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায় যে, রোববার (২৬ জুলাই) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়টি আলোচনা করতে প্রক্টর দপ্তরে যান সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ও বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত আনাস।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে, এ সময় প্রক্টরের সঙ্গে আনাসের বাকবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি নিষ্পত্তির অভিপ্রায় নিয়ে প্রক্টর তাকে দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।

পরবর্তীতে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে মহসিন আলমের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের জন্য তাকে প্রক্টর দপ্তরে তলব করা হয়। এই সময়ও আনাস সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ফের প্রক্টরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার মধ্যে জড়িয়ে পড়েন। এক সময় রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাকে মারধর করেন।

এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আনাসকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রক্টর দপ্তরে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডিসিপ্লিনারী কমিটির মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর প্রক্টর পুলিশকে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পরে আনাস প্রক্টর দপ্তর থেকে বের হয়ে কিছু সময় পর কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে রাকসু ভবনে অবস্থানরত নেতাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালান। এতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলার পর উভয়পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে চলে যায়। সেখানে রাকসুর নেতারা ও আনাসের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আনাস ও তার সহযোগীরা গ্রন্থাগারের রিডিংরুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে ঢুকে তাদের মারধর করেন বলেও অভিযোগ এসেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ও জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন প্রক্টর। যদিও অভিযোগ রয়েছে যে, হাসপাতালে নেওয়ার সময়েও তার ওপর হামলা করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এই ঘটনার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়া অভিযোগে প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাকসু ও হল সংসদের নেতারা।

পরে উপাচার্যের সঙ্গে শিবির, রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মারধরের ঘটনায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করার পর জোহা চত্ত্বরে পুলিশ ছেড়ে দেয়। হামলার পর তিনি বলেন, "সেই ছেলে আমি কার্যালয়ে বসার পর গিয়ে হামলা করেছে। দুই বছর ধরে ছাত্রলীগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর দায় অবশ্যই দেশের আইন ও প্রশাসনকে নিতে হবে। রাকসু কার্যালয়ে আমাদের এক সম্পাদক গুরুতর আহত হয়েছে। তারা আকস্মিকভাবে আমাদের ওপর হামলা করে। তারা ছিল ৭ জন, আমরা ছিলাম ৩ জন।"

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, "আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%