০৪:৫৯ পি.এম
চট্টগ্রামসহ দেশের চারটি বিভাগের মানুষের মধ্যে বন্যার প্রভাব পড়েছে। পানিবন্দি অবস্থায় মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন এসব এলাকায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের জেরে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার সকালে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এসময় জামায়াতের আমির বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ত্রাণ বিতরণ করেন।
বাঁশখালী এলাকায় স্লুইস গেট খুলে দেয়ার দাবিও জানান তিনি।
তিনি বলেন, এসব এলাকায় মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। জামায়াতের পক্ষ থেকেও যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। তবে এই পরিস্থিতির রাতারাতি উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সকল স্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসুন।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
এদিকে, টানা পাঁচ দিনের ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের কারণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অধিকাংশ মাটির ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অসংখ্য পাকা ও আধাপাকা বাড়িতে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমেছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাথারিয়া, খানখানাবাদ, গুনাগরী, বাহারছড়া, পূর্ব ইলশা, মোশাররফ আলী হাট, ডুমুরিয়া, গণ্ডামারা, জলদি, শেখেরখীল ও ছনুয়া সহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল এখনও পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এসব এলাকার মানুষদের অনেকের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে গেছে, ফলে পরিবারগুলো খাদ্য আশ্রয়কেন্দ্র অথবা আত্মীয়স্বজনের আশ্রয় নিয়েছে।
বন্যার পানিতে কৃষিজমি, মাছের প্রকল্প ও বসতভিটা তলিয়ে যাওয়ার কারণে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন