সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৫ পি.এম
খুলনার পাইকগাছায় গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ চুরি হওয়া ট্রাক উদ্ধার করেছে এবং বিভিন্ন মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও জুয়া খেলার অভিযোগে মোট ১৪ জনকে আটক করেছে। পরে আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ছয় জুয়াড়িকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজুল ইসলাম ও কৃপাসিন্ধুসহ পুলিশের একটি দল যশোরে অভিযান চালিয়ে একটি চুরি হওয়া ট্রাক উদ্ধার করে। এ সময় ট্রাক চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- যশোরের চাঁচড়া বাবলাতলা এলাকার আরিফুল ইসলাম (২৮), জাহের হাসান (২৭), অনিক (৩৭) ও আরিফ হোসেন (২৭)।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া ট্রাকটির মালিক পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মিঠুন সরকার। ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ড-১১-৯৪-৯১। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলার বিরাশী এলাকা থেকে এসআই আজীমউদ্দীন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাসেল রানা ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি হাসান শেখকে (৩২) গ্রেপ্তার করেন। তার বিরুদ্ধে ৯টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। একটি মামলায় তার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছে।
এ ছাড়া চাঁদখালীর সাহাপাড়া এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি নূর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাড়ুলী এলাকা থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার আসামি মো. জলিল জোয়াদ্দারকে (৫০) আটক করা হয়েছে।
পুলিশের আরেক অভিযানে পৌরসভা এলাকা থেকে গড়ইখালীর ৩৫ বছর বয়সী এক নারীকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, দেহব্যবসার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে সামারি ট্রায়ালে আদালত তাকে জরিমানা ও দুই মাসের কারাদণ্ড দেন।
অন্যদিকে চাঁদখালীর দেবদুয়ার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- ফারুক সানা (৫৫), মিজানুর গাজী (৫৪), শেখ কল্লোল (৫৫), সেলিম গাজী (৫৫), কেসমত (৪২) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। পরে সামারি ট্রায়ালে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও যশোরে অভিযান চালিয়ে এসব আসামিদের আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাধীনতার লাভের প্রায় ৮০ বছর পর, বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো মিথানল ভারত থেকে কিনছে। জানা গেছে, আসাম থেকে ব্রহ্মপুত্র নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশে মিথানল রপ্তানি করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেড’ (এপিএল)।
মিথানল পরিবহনের জন্য আসাম সরকারের অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের দুটি কার্গো জাহাজ ইজারা নিয়েছে এপিএল। প্রতিষ্ঠানটি পূর্ব ভারতের ডিব্রুগড় থেকে জলপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানোর কাজ শুরু করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করেন, ব্রিটিশরা এ দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে স্বাধীন ভারতে ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে ডিব্রুগড় থেকে জলপথে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার খবর আমার জানা নেই।
তিনি আরও জানান, জলপরিবহন বিভাগের জন্য ইজারা নেওয়া দুটি জাহাজ প্রায় ৩০ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। পরে গুয়াহাটির পান্ডু ঘাটে জাহাজ দুটি মেরামত করা হয়, যাতে ডিব্রুগড়ে উৎপাদিত মিথানল নদীপথে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
এই পদক্ষেপের ফলে, দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে তুলনামূলক কম খরচে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এপিএল চেয়ারম্যান।
এখন পর্যন্ত মিথানল পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা প্রথম কার্গো জাহাজ ‘ডিএলবি পাটকাই’ ডিব্রুগড়ের বগিবিল ঘাটে পৌঁছেছে।
তবে, ঠিক কোন তারিখে এই জাহাজটি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরিজীবীদের পর, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে কাজ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তাদের জন্য শিগগিরই পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভার পর সাংবাদিকদের সামনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অর্থ মন্ত্রণালয় ২১ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে। এরপর বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের আওতায় আনার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশ্বাস প্রদান করে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি পৃথক গেজেট জারি করা হবে। এই বিষয়ে মৌখিক আলোচনা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ে।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলন থেকে দেশে ফেরার পর বিষয়টি গতি পেয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো প্রয়োজন। এরপর এমপিওভুক্ত জনবলকে নবম পে স্কেলের সুবিধা দিতে সম্মতি দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট জারি করবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি না পাওয়া পর্যন্ত পৃথক গেজেট জারি করা সম্ভব হবে না।
বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় চার লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মরিয়মের সঙ্গে সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম ওরফে গাজী নজরুলের সখ্যতা গড়ে উঠেছিল বাড়িতে যাতায়াতের কারণে। এমপি নজরুল মৌখিকভাবে এই তরুণীকে বিয়ে করেছেন, এমন স্বীকারোক্তি আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যকে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হয়, যেখানে দুই দফায় চারদিন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর নতুন করে আর রিমান্ডের আবেদন না করে তাকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে এবং আসামিকে জামিনে মুক্তি দিলে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে জেলে আটক রাখা প্রয়োজন।
নজরুলের পক্ষে জামিনের আবেদনও করা হয়েছিল, কিন্তু শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ফলে গত ২১ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুই দফায় আট দিন রিমান্ড শেষে নজরুল বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে, গত জুলাইয়ে মরিয়মের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর নজরুল তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই মরিয়মকে বিয়ে করেন তিনি। তবে মরিয়মকে বিয়ে করার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এমন অভিযোগ উঠেছিল যে, ভিডিও প্রকাশের পর তিনি সাতক্ষীয়রা বিয়ের নিবন্ধন করিয়েছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৭ জুন মরিয়মকে কালেমা পড়ে মৌখিকভাবে বিয়ে করেছেন বলে নজরুল জানিয়েছেন। বিয়ের নিবন্ধন পরে করা হয়। মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে নজরুলের আত্মীয়তার সম্পর্কের বিষয়টি আগেই প্রকাশ হয়েছিল। মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ সম্পর্কে নজরুলের ভাগ্নে হন এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান নজরুলের গাড়ি চালাতেন।
নজরুল বলেছেন, মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্রে ঢাকার মিরপুরে তাদের বাড়িতে যাতায়াতের কথা। আসামি ঢাকায় এলেই বাদীর বাসায় রাতযাপন করতেন এবং সংসদের কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এই সুবাদে মরিয়মের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং পরে তারা বিয়ে করেন।
গত জুলাইয়ে দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশের পর নজরুল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন সংসদ সদস্যদের আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে মরিয়মকে নিয়ে থাকা শুরু করেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষে কিছু চিরকুটও পাওয়া যায়, যেখানে নজরুলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের বয়ান ছিল, যেগুলো মরিয়মের লেখা বলে পুলিশের ধারণা।
মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ সেদিনই শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা করেন। মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে নজরুলের পাশাপাশি তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামকেও আসামি করা হয়। মাসুম নিজের শ্যালক ওবায়দুরকেও আসামি করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের বিয়েতে ওবায়দুরই কলকাঠি নেড়েছিলেন। বিয়ের পর নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন মরিয়মের ওপর। মামলার আগেই পুলিশ নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ওবায়দুরকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত জুলাইয়ে ভিডিও প্রকাশ পাওয়ার পর ওবায়দুর নজরুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন, যেখানে তাকে হত্যার জন্য চেষ্টা চালানোর অভিযোগ আনা হয়। ওবায়দুরের দাবি, মেয়েকে সংসদ সদস্য নজরুলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন মরিয়মের বাবা-মা। তখন তিনি বাধা দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশের পর বিতর্ক ওঠায় নজরুলকে তার দল জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করে, তবে তার সংসদ সদস্য পদ এখনও টিকে আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক জনসাধারণকে সতর্ক করেছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত ২২টি অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেন করা উচিত নয়। দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার চলমান তদারকির অংশ হিসেবে এই সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগ’।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০২৪ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া কোনো পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনা বা পেমেন্ট সেবা প্রদান করা নিষিদ্ধ।
আইনটির ৪(২) ধারার আওতায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কম্পানি পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনা কিংবা পেমেন্ট সেবা প্রদান করতে পারবে না। এই বিধান লঙ্ঘন আইনটির ৩৭ (১) ধারার আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব অনুমোদনহীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক চিহ্নিত করেছে যে, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বহুদূর পে, জিনি পে, পেটিলার, বেঙ্গলি পে, পেরোয়া বিডি, সহজ পে বিডি, ইজি পে ওয়ে, একে পে, বিডি পে, সাজঘর পে, আস্থা পে/সি পে, উদ্যোক্তা পে, ওয়ালেট মিক্স, বিটিটি পে, ইজি পে অটোমেশন, ইউনিক পে বিডি, বিডি অটো পে, আরএইচ পে বিডি, ইজি পে, অটো পে লিমিটেড, বিশ্বস্ত ও পিঁপড়া পে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে যে, অনুমোদনহীন পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীদের মাধ্যমে লেনদেন করলে ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ও নিয়ন্ত্রক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের ওপর নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ