ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামে দুর্ভোগে সাড়ে চার লাখ বাসিন্দা


জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামে দুর্ভোগে সাড়ে চার লাখ বাসিন্দা

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা প্লাবিত হয়ে অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানাচ্ছেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীর অনেক এলাকা inundated হয়েছে। এ সবের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে সাতকানিয়া উপজেলায়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার প্রত্যেকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। ডলু নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে পৌরসভা ও রামপুর এলাকায় পানি প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। সব মিলিয়ে সাতকানিয়ায় অন্তত তিন লাখ লোক পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। যদিও এখানে ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে, মোবাইল নেটওয়ার্ক বিভ্রাটের কারণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। ঝড়ে গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাঙ্গু নদী, ডলু ও হাঙ্গর খালের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বেশি থাকায় ভাটি এলাকায় পানি বাড়ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সাঙ্গু নদীর দোহাজারী অংশে পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। জেলা প্রশাসক জানাচ্ছেন, সাতকানিয়ায় উদ্ধারকাজে গতি আনতে ১০টি স্পিডবোট চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আপাতত নৌকাগুলোর মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে।

বাঁশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আঁকন জানিয়েছেন, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে পুঁইছড়ি, নাপোড়া, ছনুয়া, সরল, শেখের খীল, বৈলছড়ী ও কাথারিয়া ইউনিয়নের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। সব মিলিয়ে এই উপজেলায় অন্তত ৩৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

চন্দনাইশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, হাশিমপুর ও জোয়ারা ছাড়া উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন কমবেশি দুর্গত হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১৪ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

লোহাগাড়ার ইউএনও বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে সাঙ্গু ও ডলু নদী সংলগ্ন আমিরাবাদ, আধুনগর, পদুয়া ও লোহাগাড়া ইউনিয়নে পানি বেশি উঠেছে। এর মধ্যে আমিরাবাদ ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামে রোববার(৫ জুলাই) থেকে টানা পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে, তবে আজ বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সন্ধ্যা পর্যন্ত ২২৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। বানভাসি মানুষ যাতে খাদ্যসংকটে না পড়েন, সেই জন্য এসব বরাদ্দ ইউএনওদের চাহিদার ভিত্তিতে দ্রুত বিতরণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বজ্রপাতে গরু হারানো কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন গলাচিপার ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


বজ্রপাতে গরু হারানো কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন গলাচিপার ইউএনও

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী এলাকায় বজ্রপাতে নিহত চারটি গরুর মালিক দুজন কৃষকের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে এই সহায়তার অর্থ তুলে দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই দুপুরে চলমান বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে নলুয়াবাগী এলাকার মাঠে চরতে থাকা চারটি গরুর মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজ্রপাতে কৃষক মো. নিজাম প্যাদার তিনটি এবং কৃষক মো. রুহুল আমিনের একটি গরু মারা যায়। এর ফলে দুই কৃষকের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গরুপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে কৃষক মো. নিজাম প্যাদা তার তিনটি গরুর জন্য মোট ৩০ হাজার টাকা এবং কৃষক মো. রুহুল আমিন একটি গরুর জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান গ্রহণ করেন।

সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল নবী, গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিব বিশ্বাস এবং গলাচিপা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে। আগামীকালের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গলাচিপার সকল স্তরের জনগণ ইউএনও ইজাজুল হকের এই উপকারের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় জেল থেকে পালানো হাজতি গ্রেপ্তার,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


খুলনায় জেল থেকে পালানো হাজতি গ্রেপ্তার,

খুলনার পুরাতন জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হাজতি ইমন মাঝিকে, পালানোর মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার কিছু কিছুক্ষণ আগে নগরীর লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া সেকেলার বটতলা এলাকায়, নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক করার পর, রাতেই পুনরায় তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।

এর আগেই, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার সময়, কারাগারের পূর্ব পাশের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান ইমন মাঝি। উল্লেখ্য, তিনি নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলায় ১৩ জুন থেকে হাজতি হিসেবে এই কারাগারে ছিলেন।

খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার আবু ছায়েম এ বিষয়ে জানান, পালানোর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কারারক্ষীদের একাধিক দল কাজ শুরু করে। একটি দল ইমন মাঝির বাড়িতে অবস্থান নেয়। কিছু সময়ের মধ্যেই, যখন তিনি বাড়িতে আসেন, তখন স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। আউট অব কারাগার পালানোর এই ঘটনার বিষয়ে খুলনা সদর থানায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালুয়াকান্দিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল এক নারীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


বালুয়াকান্দিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল এক নারীর

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ার বালুয়াকান্দী এলাকার ডাস-বাংলা ফ্যাক্টরির বিপরীত পাশের ঢাকা মুখী লেনে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন নারী নিহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরেক নারীকে ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত নারীর এখনো পর্যন্ত পরিচয় পাওয়া যায়নি। এই দুর্ঘটনা বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে ঘটে। দুর্ঘটনার পর ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, 'খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের মোবাইল টিম ওইখানে পাঠিয়েছি। এখনো পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলে নাই, পরিচয় পেলে আপনাদেরকে জানানো হবে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৬ মাসে ১৩০ প্রাণহানি, রেলে মৃত্যু ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


টাঙ্গাইল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৬ মাসে ১৩০ প্রাণহানি, রেলে মৃত্যু ১৮

যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। এই মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালক এবং উত্তরবঙ্গের গাড়িচালকদের মাত্রাতিরিক্ত ওভারটেকিং প্রবণতার পাশাপাশি সার্ভিসলেন আটকে রাখার কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাসে এই মহাসড়কে একের পর এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩০টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এই সময়ের মধ্যে ছোট-বড় ১০৮টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮৩ জন। একই সময়ে টাঙ্গাইলের রেল লাইনের অংশে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সকল দুর্ঘটনায় মোট ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়ে জীবন যাপন করছেন অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের মে মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটার তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। এই মাসে সর্বোচ্চ ৩৯ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হন। এর মধ্যে গত ২৫ মে দুপুরে কালিহাতী উপজেলায় একটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় একটি ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটে, যেখানে আহত হন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের বাড়ি ছিল নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারসো ইউনিয়নে। এছাড়া জানুয়ারি মাসে ১২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬ জন, মার্চে ২৩ জন, এপ্রিলে ২৪ জন এবং জুন মাসে ১৬ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ৯ জন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ৭ জন করে, এপ্রিলে ১৮ জন এবং জুনে ৬ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, মহাসড়কের পাশাপাশি অরক্ষিত রেলপথেও মৃত্যুর মিছিল বেড়ে চলেছে। গত ছয় মাসে টাঙ্গাইলের ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মার্চে ৮ জন, এপ্রিলে ২ জন এবং মে মাসে ৫ জন মারা যায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো জুন মাসে কোনো ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল পুলিশ স্টেশনের মুন্সি আবুল বাশার।

এদিকে, দুর্ঘটনা পরবর্তী সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ট্রাস্টি বোর্ড ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। গত ছয় মাসের মধ্যে মোট ৫২ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাদের পরিবারকে চেকের মাধ্যমে মোট ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে, বলে বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক মাওলানা মাসুদুর রহমান, আল আমিন, আরাফাত রহমান, রুমনসহ অনেকেই বলেন, যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অত্যন্ত ঝুঁঁকিপূর্ণ। এটি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হিসেবেও পরিচিত। এই মহাসড়কের যে অংশে সার্ভিস লেন আছে, সেখানে বিভিন্ন যানবাহন রেখে আটকে রাখা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল চালকরা মহাসড়কে উঠতে বাধ্য হচ্ছেন। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত এখনো কোনো সার্ভিস লেন নেই। মহাসড়কের দুই পাশে বালুর স্তূপ থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেছেন বালুর স্তূপ সরিয়ে দেওয়ার জন্য।

টাঙ্গাইলের বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান শফিক জানিয়েছেন, এই মহাসড়কে উত্তরাঞ্চলের যানবাহনের দুর্ঘটনার হার বেশি। তিনি দুর্ঘটনার জন্য উত্তরাঞ্চলের যানবাহনগুলোর বেপরোয়া গতিকে দায়ী করেন। অভিযোগ করেন যে, অদক্ষ চালক দিয়ে উত্তরাঞ্চলের যানবাহন পরিচালনা করা হয়।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রবিউল ইসলাম পরামর্শ দেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করার প্রথম শর্ত হলো চালকদের সচেতন থাকা। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলোতে অতিরিক্ত গতি থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিরোধে নিয়ম মেনে চললে তা অনেকাংশে কমে আসবে। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে গাড়ি চালাতে হবে। অদক্ষ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।

তিনি আরো জানান, সার্ভিস লেন থেকে মহাসড়কে উঠতে গিয়ে অনেক মোটরসাইকেল চালক গাড়ি চালাচ্ছেন। এরপর তাদেরকে বিরত থাকতে হবে এবং অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো থেকে সরে আসতে হবে। দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ হলো ওভারটেক করা। এ বিষয়টি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান করেছেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%