ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবির সমাবর্তন ফি বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ


জবির সমাবর্তন ফি বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনে স্নাতক পর্যায়ের নিবন্ধন ফি প্রায় ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্নাতক ও বিবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। মূল সনদের জন্য ৫০০ টাকা যুক্ত হওয়ায়, একজন স্নাতককে মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে।

ফি বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, বাড়তি খরচের কারণে চাকরিপ্রত্যাশী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ হারাতে পারেন। এ অবস্থায়, ফি কমানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ক্ষেত্রে ফি ৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। প্রফেশনাল প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন ফি ৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি শ্রেণিতে নিবন্ধন ফি বেড়েছে ২ হাজার টাকা। নিবন্ধন ফির বাইরে সনদ ফি ও প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জও দিতে হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি ছুটিতে কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করলেন অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান

ফি বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় ফি নির্ধারণ করা হয়েছে কি না। বিশেষ করে, পড়াশোনা শেষ করে চাকরির অপেক্ষায় থাকা স্নাতকদের জন্য এই ব্যয় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। একইসঙ্গে, নিয়মিত ও প্রফেশনাল প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

ফি বৃদ্ধির সমালোচনা করে জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ তার ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ফির সঙ্গে জবির ফির তুলনা করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে সমাবর্তনের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, জবিতে সনদ ফিসহ স্নাতক পর্যায়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি জানানোর পরও প্রশাসন ফি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করবে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় ফি শিক্ষার্থীবান্ধব পর্যায়ে নির্ধারণের আহ্বান জানান জকসুর জিএস।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফি নির্ধারণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চান, সমাবর্তনে অংশ নিতে ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের ভিত্তি কী। অন্যদিকে, জকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা এ আয়োজনকে ‘এলিট সমাবর্তন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, সমাবর্তনের আয়োজন করতে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা হচ্ছে।

ফি বৃদ্ধির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন বলেছেন, প্রথম সমাবর্তনের তুলনায় এবার অনুষ্ঠান আয়োজনের সার্বিক ব্যয় বেড়েছে। বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি সমাবর্তনের গাউন ও অন্যান্য পোশাকের খরচও বেড়েছে। তার ভাষ্য, সফলভাবে সমাবর্তন আয়োজন করতে হলে এসব ব্যয় বিবেচনায় নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপের বিষয়টি স্বীকার করে উপাচার্য বলেন, ফি কম রাখা গেলে ভালো হতো, তবে প্রশাসনিক ব্যয়ের কারণে এ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের একাডেমিক গাউন ও পোশাক তাদের দিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: পাঠদান ও গবেষণা তথ্য পেতে রুয়েট শিক্ষার্থীর ‘ফ্যাকাল্টি রিভিউ’ উদ্যোগ

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই উপলক্ষে গত ১৫ অক্টোবর থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যা চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে সাচার বাজারে এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত র‍্যালিটি সাচার বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন মজুমদার। সভায় বক্তব্য রাখেন আতিকুর রহমান জুয়েল, ফারুক হোসেন, বোরহান উদ্দিন প্রধান, জিসান আহমেদসহ আরও অনেকে।

বক্তারা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, গাড়ি চালানোর সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে যানবাহন পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সকলকে সচেতন হতে হবে।

একই দিনে, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ চালকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং সড়কে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। তারা জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

এছাড়া, উল্লেখ্য যে, মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সূচনা হয়। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় আ. লীগ ও জামায়াতের মন খারাপ: আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় আ. লীগ ও জামায়াতের মন খারাপ: আবু হানিফ

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ ও জামায়াতের মন খারাপ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্যটি প্রকাশ করেন।

আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "গতকাল শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বিগত যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার পূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া কার্যকর পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। কোনো ধরনের সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা ছাড়াই পূজা উদযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করায় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে ধন্যবাদ।"

তিনি আরও বলেন, "এটি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। একদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের নাশকতার নানা ষড়যন্ত্র, অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নানা অতৎপরতা, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ছিল বেশ কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে সরকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও সন্তুষ্ট সরকারের এই উদ্যোগে।"

আবু হানিফ বলেন, "একদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ, অন্য দিকে বিরোধী দলের নানা রকম ষড়যন্ত্র ছিলো কিভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করা যায়। এসবের কারণে সরকারকে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়েছে, যার ফলে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা সহিংসতার মত কোন ঘটনা ঘটে নাই। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও সন্তোষ প্রকাশ করেছে। শান্তিপূর্ণভাবে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ ও জামায়াতের মন খারাপ। কেননা তারা ভেবেছিলো কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হবে আর তারা সেটাকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি ছুটিতে কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করলেন অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


সরকারি ছুটিতে কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করলেন অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান

সরকারি ছুটির দিনেও কবি নজরুল সরকারি কলেজের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজের অগ্রগতি দেখতে কলেজে এসে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে এসে নির্মাণাধীন প্রধান ফটকসহ কলেজের অন্যান্য চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

অধ্যক্ষ পরিদর্শনকালে মূল ফটকের পাশে একটি হরিতকী গাছ কেটে না ফেলে তা অন্যত্র সঠিকভাবে পুনরোপণ করা হয়েছে কি না, তা খোঁজখবর নেন। তিনি নবনির্মিত ভবন ও চলমান সংস্কারকাজগুলো সরাসরি পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. ইউসুফ, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রিন্টু ও কলেজ সাংবাদিক সমিতি’র সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. নাজমুল হাসান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে এম সিরাজুল ইসলাম ও সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ সহ কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ।

অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পরিদর্শন শেষে বলেন, "আসলে যেখানেই থাকি না কেন, কলেজেই তো আমাদের মন পড়ে থাকে। কলেজের প্রতি আমাদের একটি আত্মিক টান রয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় গেট নির্মাণ, ছয়তলা ভবনের কাজ এবং পুরোনো ভবনের অভ্যন্তরীণ সংস্কারসহ একাধিক উন্নয়নকাজ চলছে।"

তিনি আরও বলেন, "প্রধান ফটকের কাজের জন্য একটি ওষুধি গাছ কেটে না ফেলে তা অন্য কোথাও নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা এবং সার্বিক অগ্রগতি দেখতেই আজ আমি ক্যাম্পাসে এসেছি।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ারে হামলায় ৩ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ারে হামলায় ৩ জন গ্রেফতার

রাজধানী হাজারীবাগের এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেন হাজারীবাগ থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বুধবার রাতে ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করার পর মামলা করা হয়। এরপর হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লাবিব, মুন্সি স্বপন এবং সাইফুল নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, হামলায় অংশ নেওয়া অন্যান্যদের চিহ্নিত করার জন্য সিসি ফুটেজ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে, হাজারীবাগের শিকদার মেডিকেলের পেছনে মেন্ডী ডেন্টাল রোডে ২৩টি মোটরসাইকেলের ওপর হেলমেট ও মাস্ক পরা প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে।

মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যে তারা এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%