বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
খুলনায় মোঃ তুষার নামে ২৭ বছর বয়সী এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের আনসার উদ্দিন লেন থেকে তার মৃতদেহটি পাওয়া যায়।
নিহত তুষার লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহের পাশে একটি কালো রঙের নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল পড়ে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূর থেকে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা এবং পুলিশ জানায়, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পূর্ব বানিয়াখামার খাদেমুল উলুম মাদ্রাসা এলাকায় কয়েকজন যুবকের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা অস্ত্র বের করে গুলি চালালে তুষারের বুকের বামপাশে একটি গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয়রা সড়কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।
খুলনা থানার ওসি লোকমান হোসেন জানান, তুষার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পলাশ গ্রুপ’ এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। গত জুন মাসে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি জামিনে বের হলেও তিনি এলাকায় অবস্থান করছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, আরেক সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানি’র ক্যাডারদের হাতে তিনি নিহত হয়েছেন। কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রতিযোগিতায় পিএসজির কাছে পরাজিত হলেও বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়া হতাশায় নিমজ্জিত হতে চান না। বরং তিনি মৌসুমের শেষের দিকে এই দুই দলের পুনরায় দেখা হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন। এমনকি সেটি হতে পারে টুর্নামেন্টের ফাইনালেও।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্যারিসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পিএসজি বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে। এই পরাজয়ের ফলে কাতালানদের টানা ১১ ম্যাচ জয়ের ধারা থেমে যায়। তবে এই পরাজয়কে বড় ধাক্কা হিসেবে মনে করছেন না ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া।
টিএনটি স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপকালে রাফিনিয়া বলেন, 'আমরা জানতাম এমনটা হতে পারে এবং সত্যি বলতে, দিনশেষে এটা মাত্র তিন পয়েন্টের ব্যাপার—বড় কোনো ব্যাপার নয়। সামনে আরও অনেক ম্যাচ আছে।'
ম্যাচের প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে তুলে নেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাফিনিয়া। তবে তিনি জানান, শারীরিকভাবে সেরা অবস্থায় ফেরার জন্য তার খেলার সময় কম রাখা হয়েছিল।
পিএসজির বিপক্ষে হারের পরও ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আশা ছাড়ছেন না এই ফরোয়ার্ড। তার মতে, 'যেহেতু উভয় দলই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার জন্য লড়ছে, তাই (ফাইনালে) আমাদের মুখোমুখি হওয়ার একটি প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।'
বার্সেলোনার সামনে এবার এল ক্লাসিকো। আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে তারা মাঠে নামবে। রাফিনিয়ার আশা, পিএসজির কাছে হারের প্রভাব সেই ম্যাচে পড়বে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে। এটি প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর একটি চিঠি জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে নয় মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
এ পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে কর্মপরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে ১৫ অক্টোবর তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ আগস্টে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে ৯ মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়াই এ নির্দেশনার উদ্দেশ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ফলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দফায় প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, সেবার ভরিতে ৩ হাজার টাকার বেশি কমানো হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমানোর কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই দাম আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা কমে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের অলংকারের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ এবং রুপার অলংকারের ক্ষেত্রে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড় দেওয়ার বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে বাজুস স্বর্ণের দাম এক দফা কমিয়েছিল। সেবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে ৯ অক্টোবর ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৩ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
এ বছরের মধ্যে দেশের বাজারে রুপার দাম ৭৫ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৩৯ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ