বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৭ পি.এম
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে। এটি প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর একটি চিঠি জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে নয় মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
এ পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে কর্মপরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে ১৫ অক্টোবর তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ আগস্টে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে ৯ মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়াই এ নির্দেশনার উদ্দেশ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ফলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দফায় প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, সেবার ভরিতে ৩ হাজার টাকার বেশি কমানো হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমানোর কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই দাম আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা কমে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের অলংকারের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ এবং রুপার অলংকারের ক্ষেত্রে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড় দেওয়ার বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে বাজুস স্বর্ণের দাম এক দফা কমিয়েছিল। সেবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে ৯ অক্টোবর ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৩ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
এ বছরের মধ্যে দেশের বাজারে রুপার দাম ৭৫ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৩৯ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনের হালকা গরম, রাতের ঠান্ডা এবং ভোরের কুয়াশা শীতের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই শীতকালীন আগমনের প্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গার গ্রামে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। শীত মৌসুমে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস আহরণ এবং সুস্বাদু গুড় তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছেন গাছিরা।
এ কারণে খেজুর গাছ কাটার কাজে জড়িত গাছিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ধারালো দা নিয়ে গাছে উঠে তারা শুকনো অংশ ছাঁটাই-বাছাই করে রস সংগ্রহের জন্য গাছগুলোকে প্রস্তুত করছেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ শুরু হবে। সারারাত গাছে বাঁধা মাটির হাঁড়ি ফোঁটা ফোঁটা মিষ্টি রসে পূর্ণ হবে। এই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হবে ঐতিহ্যবাহী নলেন গুড় ও খাঁটি পাটালি। এই পেশার সঙ্গে ১৪ থেকে ১৫ হাজার গাছি জড়িত রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার চার উপজেলায় মাঠ ও রাস্তার দুই ধারে ২ লাখ ৭২ হাজার খেজুর গাছ রয়েছে। এর মধ্যে জীবননগর, দামুড়হুদা, দর্শনা ও আলমডাঙ্গা এলাকায় খেজুর গাছের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ইতোমধ্যে ২০ ভাগ খেজুর গাছ কাটা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে ১০ থেকে ১১ কেজি গুড় উৎপাদন সম্ভব। শীতের আমেজ শুরু হওয়ার আগেই মাঠজুড়ে গাছ পরিচর্যার কাজ চলছে। বর্তমানে গাছ ঝোড়া এবং পরিষ্কার করার কার্যক্রম চলছে। খেজুর গাছ বেশি রয়েছে এমন স্থানে গাছিরা অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করেছেন। রস থেকে গুড় তৈরির জন্য জ্বালানি হিসাবে খেজুর গাছের ডাল পালা শুকিয়ে রাখা হচ্ছে।
চলতি শীত মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খেজুরের গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুমে কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন খেজুরের গুড় উৎপাদন।
একই সময়ে খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৭৫ কোটি টাকা।
একজন শ্রমিক প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি গাছ কাটছেন। এই কাজে দৈনিক ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা মজুরি প্রদান করা হচ্ছে। শীতের মৌসুমে গাছ কাটা, রস সংগ্রহ এবং গুড় তৈরির সঙ্গে বহু শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান ঘটে।
দামুড়হুদার দর্শনা এলাকার গাছি রহিম খাঁ বাসসকে জানান, তিনি এবারও আগেভাগেই খেজুর গাছ প্রস্তুত শুরু করেছেন। শীত বাড়লে রস সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ধুতুরহাট গ্রামের গাছি শীলন হোসেন জানান, শীতের আমেজ শুরু হতেই শ্রমিক সংকট এড়াতে তারা আগেভাগেই গাছ প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন। কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহে গাছে গাছে হাঁড়ি পাতা শুরু করবেন।
চুয়াডাঙ্গা সদরের গোপীনাথপুর গ্রামের কৃষক আকরামুল বাসসকে বলেন, তিনি এবার ৩০টি গাছ কাটবেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে গাছ কাটা শুরু করবেন বলে আশা করছেন। তাদের মাঠে অনেকে গাছ ঝোড়া বা ক্যালানো শুরু করেছেন। ১৫ দিন পর গাছে নলি পোতার কাজ শুরু হবে। নলি পোতার আগে গাছ চাষতে হবে বা ক্যালাতে হবে। এক সপ্তাহ পর রস সংগ্রহের জন্য হাঁড়ি পাতা হবে। একটি গাছ থেকে ৩ দিন রস সংগ্রহের পর ৪ থেকে ৫ দিন ফেলে রাখতে হয় বা গাছ শুকাতে হয়। এরপর হালকা রেক দিয়ে চেষে ফের রস সংগ্রহ করতে হবে।
খেজুরের রস থেকে মানসম্মত ও সুস্বাদু গুড় তৈরি একটি বিশেষ শিল্প। সারারাত ধরে ফোঁটা ফোঁটা করে সংগৃহীত হয় খেজুরের রস। সকালে সেই রস চুলায় নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী জ্বাল দেওয়া হয়। রস ঘন হয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরল গুড় (ঝোল গুড়), দানা গুড় এবং পাটালি।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নূরুল ইসলাম বাসসকে জানান, চুয়াডাঙ্গার খেজুরের গুড়ের সুনাম দেশজুড়ে। গুণগতমান ভালো হওয়ায় সারা দেশেই এই গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে তাদের গুড় সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। বর্তমানে শীতের শুরুতেই গাছিরা গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত রয়েছেন। জেলার প্রায় ২০ ভাগ গাছ ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং পর্যাপ্ত শীত পড়লে এবারও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব। প্রকৃতিতে শীতের তীব্রতা যত বাড়বে, খেজুর গাছ থেকে রসের প্রবাহও তত বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দশেরা বা বিজয়া দশমীর দিন, আসন্ন সিনেমা ‘উড়তা তীর’-এর প্রচারের উদ্দেশ্যে ভারতের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে প্রার্থনা করতে যান বলিউডের অভিনেত্রী সারা আলি খান। প্রার্থনা করার সময় হঠাৎ করে আবেগে ভাসেন তিনি এবং কান্না শুরু করেন। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বর্ণমন্দিরে সারা আলি খানের সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত সারা প্রার্থনারত অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার পাশেই প্রার্থনা করছিলেন আয়ুষ্মান।
দুজনের সেই আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অভিনেত্রী কেন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।
আগামী ২৩ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সারা আলি খান ও আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘উড়তা তীর’। ‘পতি পত্নী ওর ওহ দো’-এর পর এটি আয়ুষ্মান ও সারার দ্বিতীয় সিনেমা। এই সিনেমাটি নিয়ে আশাবাদী বলিউডের দুই তারকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ