ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নানি না থাকায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নানার


নানি না থাকায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নানার

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় ৭ বছরের একটি শিশুয়ের ওপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল হাকিম (৫৩) নামের একজন ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার কোদালা ইউনিয়নের একটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল হাকিম কোদালা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জঙ্গল কোদালা মাছুফ্যার ঘোনার মাঝির বাড়ির বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এ তথ্য জানা যায় যে, সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে শিশুটির নানি তাকে ঘরেতেই রেখে পাশের বাড়িতে যান। নানি চলে যাওয়ার পর আব্দুল হাকিম উপযুক্ত সুযোগ পেয়ে বসতঘরে ঢুকে শিশুটিকে পানি আনতে বলেন। শিশুটি পানি আনলে আব্দুল হাকিম তার উপর ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

শিশুটির পিতা ৫ বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন এবং মা এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ের পর চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করছেন। শিশুটি নানির সাথে বসবাস করে।

শিশুটির নানি গৃহপরিচারিকার কাজ এবং ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। আব্দুল হাকিম ওই বৃদ্ধার ছোট বোনের জামাই।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন আহমদ জানান, এজাহারের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের জালে ১০ সদস্যের দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের জালে ১০ সদস্যের দল

১৪ বছরের পিতৃহীন শিশু মিশকাতের একমাত্র জীবিকার নির্ভরতা ইজিবাইকটি যাত্রীবেশে একদল দুর্ধর্ষ ডাকাতের দ্বারা ছিনতাই হয়ে যায়। আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ ঘটনার পেছনে থাকা আন্তঃজেলা দস্যু চক্রের ১০ সদস্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। একই সময়ে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি হওয়া ইজিবাইক, মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা।

শনিবার (২৫ জুলাই) তাঁরা ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, কুমারখালী ও মিরপুর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

পুলিশ এবং এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাবার মৃত্যুর পর পরিবারকে চালানোর জন্য ১৪ বছর বয়সী শিশু মিশকাত ইজিবাইক চালাতে থাকে কোটচাঁদপুর উপজেলার তালসার গ্রামের অধিবাসী হিসেবে। ১৯ জুলাই ২০২৬ বিকেলে কোটচাঁদপুর রেলগেট এলাকা থেকে চারজন যাত্রীবেশে তার ইজিবাইকে ওঠে। পরে, তাকে ঝিনাইদহ সদর থানাধীন বংকিরা মাঠের একটি নির্জন মেহগনি বাগানে নিয়ে হাত-পা এবং মুখ বন্ধ করে ইজিবাইকসহ মোবাইল ফোন ছিনতাই করে চলে যায়।

ভুক্তভোগীর চাচা এ ঘটনার পর ২১ জুলাই ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি দস্যুতার মামলা (মামলা নম্বর-৩৭) দায়ের করেন। ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, পিপিএম ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম সেলের তদন্ত দল কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা এবং আশপাশের জেলাগুলোতে অভিযান চালায়। অভিযানে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত চার দস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— ১. মো. আকাশ সরদার বা ডাকাত আকাশ, ২. মো. জিয়ারুল বা জিয়া (৪৪), ৩. মো. সিরাজুল ইসলাম (৪০) এবং ৪. মো. আখতার মোল্লা (৪০)।

পরবর্তীতে, তাদের দেওয়া তথ্যে লুণ্ঠিত মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত আরও ছয় সদস্য—রাশিদুল ইসলাম বা বল্টু (৫০), মো. লিটন আলী (৫০), মো. সজীব শেখ (২৪), মো. মাসুদ রানা (৩২), মো. ইসলাম খান বা তাহের (৬৫) এবং মো. আশরাফুল ইসলাম (৪২)-কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

অভিযানকালে আসামিদের কাছ থেকে মিশকাতের ছিনতাই হওয়া ইজিবাইক, একটি লুণ্ঠিত মোবাইল ফোনসহ মোট আটটি মোবাইল ফোন এবং বাইক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেন, তারা দীর্ঘসময় ধরে ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা এবং পাবনা জেলাজুড়ে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি ও দস্যুতা করে আসছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে পৃথক থানায় একাধিক চুরি, ডাকাতি এবং দস্যুতার মামলা রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রযাত্রা, ডুবে গেল রোহিঙ্গা যুবকের স্বপ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রযাত্রা, ডুবে গেল রোহিঙ্গা যুবকের স্বপ্ন

পরিবার ও স্বজনদের কাছে দোয়া চেয়ে পাঠানো অডিও বার্তায় তার কণ্ঠস্বরে ভয় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। বার্তাটি পাঠানোর পরে ২৪ বছর বয়সী সিরাজ উল্লাহ একটি নৌকায় ওঠেন। তিনি আশা করেছিলেন, এই নৌকাটি তাকে মিয়ানমারে চলমান সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে মুক্তি দেবে এবং নিজের বসতভিটায় ফেরাবে।

কিন্তু এর পরিবর্তে, জুনের শেষের দিকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে সমুদ্রযাত্রা করে নিখোঁজ হওয়া ৫০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর একজন হয়ে গেছেন সিরাজ।

ভয়েস মেসেজে তিনি বলেন, "দয়া করে আমার এবং সব যাত্রীর জন্য দোয়া করবেন। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছি, কিন্তু আমাদের আর কিছুই করার নেই। আমি এই জীবন আর সহ্য করতে পারছি না।"

সিরাজ আশা করেছিলেন, মালয়েশিয়ায় গিয়ে তিনি পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। কিন্তু এক মাস পার হওয়ার পর এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে গেছে।

সিরাজের শেষ বার্তাটি থেকে বোঝা যায় যে, চলতি বছর হাজার হাজার রোহিঙ্গা যে বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি পুরোপুরি অবগত ছিলেন। গত এপ্রিলেই আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়।

কয়েক দশকের নিপীড়ন ও সামরিক সহিংসতার পর, মিয়ানমারে এখন আনুমানিক ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা অবশিষ্ট আছে বলে ধারণা করা হয়। অথচ এক দশক আগেও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১৪ লাখ। বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছে।

দালাল ও মানবপাচারকারী চক্র মালয়েশিয়ায় উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ—উভয় স্থান থেকেই রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করে আসছে। প্রায়ই এসব মানুষকে উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার জন্য অনুপযোগী নৌকায় গাদাগাদি করে তোলার আগে ব্যাপক নির্যাতন ও চাঁদাবাজির শিকার হতে হয়।

সিরাজের ভাতিজা মমতাজ উল্লাহর মতে, গত ২২ জুন পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। ওই সময় একটি নৌকা প্রথমবার রওনা হওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে এবং কয়েক দিন পর আবার যাত্রা শুরু করে।

মমতাজ বলেন, "আমরা জানি না সে বেঁচে আছে কিনা। আর দশজনের মতো আমরাও ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। মনে হচ্ছে যেন আমাদের টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে।"

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এমন গুজব ছড়িয়েছে যে, প্রতিপক্ষ পাচারকারীরা নৌকাটি ছিনতাই করে থাকতে পারে, তবে এ বিষয়ে অন্য কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, মিয়ানমার উপকূলে সম্প্রতি দুটি নৌকা ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর একটিতে ২৫০ এবং অপরটিতে ২৮০ জন যাত্রী ছিল। অনেকটাই নিশ্চিত যে, সিরাজ এই দুটি নৌকার কোনো একটিতে ছিলেন।

তিনি স্বেচ্ছায় যাত্রা করেছিলেন। তবে এক মানবাধিকার গবেষক (যিনি তার সংস্থার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি পাননি) দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, অন্যান্য পরিবারগুলোর দাবি—তাদের স্বজনদের মিয়ানমার ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশ থেকে অপহরণ করে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা পাচারকারীদের মুক্তিপণ দিতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানে জিম্মি করে রাখা হয়।

২০০০য়ের দশকের শুরু থেকে বঙ্গোপসাগর ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি বিশাল অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে। মিয়ানমার ও বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে চাওয়া রোহিঙ্গাদের মরিয়া আকাঙ্ক্ষাকে পুঁজি করে তারা লাভবান হচ্ছে।

১৯৮২ সালে মিয়ানমারে এই মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। এরপর থেকে তারা কয়েক দফায় বহিষ্কার ও নিধনের শিকার হয়ে মূলত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর রোহিঙ্গাদের চলাফেরার উপর বিধিনিষেধের পাশাপাশি কাজ বা শিক্ষার সুযোগও সীমিত।

সিরাজ উল্লাহ ২০১৭ সালে প্রথমবার মিয়ানমার ছাড়েন, যখন সামরিক বাহিনীর চরম সহিংস অভিযানের মুখে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশে তিনি তার ভাতিজা মমতাজের সঙ্গে থাকতেন।

মমতাজ বলেন, "আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি, খেলাধুলা করেছি। আমরা চাচা-ভাতিজার চেয়ে বন্ধু বা ভাইয়ের মতোই বেশি ছিলাম। ছোটবেলা থেকেই তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল একজন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় হওয়া। এতসব প্রতিকূলতার পরেও সে তার এই স্বপ্নটি আঁকড়ে ধরেছিল।"

রোহিঙ্গা দলগুলোর হয়ে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলে ফুটবলার হিসেবে পুরস্কারও জিতেছিলেন সিরাজ। কিন্তু বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে খেলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় তার পক্ষে এই আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

২০২২ সালে তিনি প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। সেবার তাদের নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে এবং যাত্রীরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের হাতে ধরা পড়ে। অনুমতি ছাড়া গ্রাম ছাড়ার কারণে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে রোহিঙ্গাদের কারাদণ্ড দিয়ে থাকে।

তাকে মুক্ত করতে তার পরিবারকে ২৯ লাখ মিয়ানমার কিয়াট (প্রায় ১ হাজার পাউন্ড বা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা) ঘুস দিতে হয়েছিল।

গত ২৪ মাসে মিয়ানমারের পরিস্থিতির আবারও মারাত্মক অবনতি হয়েছে। রাখাইন নৃগোষ্ঠীর বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি এবং মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে দেড় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই রোহিঙ্গাদের হত্যা, জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করা এবং মানবঢাল হিসেবে যুদ্ধে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।

সিরাজের মতো তরুণদের কাছে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই চরম ঝুঁকি নেওয়াটা হয়তো বাঁচার একমাত্র উপায় বলে মনে হতে পারে।

মমতাজ বলেন, "আমরা তাকে না যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করেছিলাম। কারণ আমরা জানতাম এ পথ কতটা বিপজ্জনক। কিন্তু সে মনে করত তার সামনে আর কোনো বিকল্প নেই... এটি কেবল সিরাজের গল্প নয়, এটি আরও হাজারো রোহিঙ্গা পরিবারের গল্প। আমরা এখনও আশা করি, সিরাজ বেঁচে আছে, আমরা দোয়া করি একদিন সে বাড়িতে ফিরে আসবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিযানে মুন্সীগঞ্জে হাসপাতাল বন্ধ, কয়েকটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


অভিযানে মুন্সীগঞ্জে হাসপাতাল বন্ধ, কয়েকটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবার মান, বৈধ লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। অভিযানে একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়, একটি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয় এবং আরও দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে উপজেলায় বিভিন্ন স্থানসমূহে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাফসা নাদিয়া।

এই অভিযানে মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ভবেরচর ইউনিয়নের গজারিয়া পপুলার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই ইউনিয়নের ভবেরচর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জামালদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, নাজমা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে।

অন্যদিকে জামালদী এলাকার শুকরিয়া ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান, এবং উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ফারহানা খানমসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা প্রশাসন জানাচ্ছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানের মধ্য দিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল (২৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরের সময় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ওসি জাবেদ উল ইসলাম। এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে একটি অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল আখাউড়া থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-২০/২৩৯, তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৪-এর সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)-এর ৬, ৭ ও ১২ ধারার একটি মামলার আসামি রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল আখাউড়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তারাগন এলাকার অধিবাসী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা জামশেদ শাহের ছেলে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবারই তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%