ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুবাইয়ের নারী ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদ অফিসের কর্মীদের উপহার দিলেন ‘আইফোন ১৮’


দুবাইয়ের নারী ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদ অফিসের কর্মীদের উপহার দিলেন ‘আইফোন ১৮’

দুবাইয়ের একজন নারী ব্যবসায়ী কর্মীদের কাজে মনোযোগ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আকস্মিকভাবে সকল কর্মীর হাতে একটি করে চকলেটের প্যাকেট তুলে দেন।

কর্মীরা আনন্দের সঙ্গে প্যাকেট খুলতেই হতবাক হয়ে যান। তারা দেখতে পান, প্যাকেটে আসলে চকলেট নয়, বরং রয়েছে একেবারে নতুন ‘আইফোন ১৮’। সেরা কর্মীদের ধরে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদের কিছু কর্মীকে নতুন আইফোন ১৮ উপহার দেয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তিনি জানান, কর্মীদের খুশি রাখা এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূলনীতি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

‘কর্মীরাই আমাদের শক্তি। তাদের ছাড়া আমাদের কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। তাই প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের পেছনে ব্যয় করাকে আমার স্বামী ও আমি অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি,’ খালিজ টাইমসকে বলেন ওয়ার্ল্ড স্টার হোল্ডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিনা নিশাদ।

হাসিনা তার স্বামী নিশাদ হুসাইনের সঙ্গে মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নিশাদ হুসাইন জনবল সরবরাহ সেবা নিয়ে কাজ করেন।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিশাদকে কয়েকজন কর্মীর মধ্যে প্যাকেট বিতরণ করতে দেখা যায়। সেই ভিডিওটি পরে ভাইরাল হয়ে যায়। প্যাকেটগুলোর অর্ধেকের মধ্যে নতুন আইফোন ১৮ ছিল, আর বাকি অর্ধেকের মধ্যে ছিল বড় একটি চকলেট বার।

সবাই যখন প্যাকেট খুলে ফেলেন, তখন হাসিনা সেখানে উপস্থিত হন। এরপর যেসব কর্মী চকলেট পেয়েছিলেন, তাদের প্রত্যেককেও নতুন ফোন উপহার দেয়া হয়।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

‘আমাদের সেরা পারফর্ম করা ১২ জন কর্মীর জন্যই এই উপহার ছিল,’ বলেন হাসিনা। ‘চকলেটগুলো ছিল আমাদের করা ছোট্ট একটি প্র্যাঙ্ক। তবে সেখানে থাকাকালে আমি লক্ষ্য করেছি, যারা চকলেট পেয়েছিলেন, তাদের কেউই হতাশ হননি। তারা যা পেয়েছেন, খুশি মনে তা গ্রহণ করেছেন। অবশ্য আমরা যখন তাদের ফোন দিলাম, তখন তারা ভীষণ আনন্দিত হয়েছেন। তাদের মুখের আনন্দই আমাদের জন্য একটি উপহার।’

কর্মী ধরে রাখার কৌশল

কর্মীদের খুশি রাখতে হাসিনা ও নিশাদের এই উদ্যোগ অবশ্য এবারই প্রথম নয়। গত বছরও সেরা পারফর্ম করা কর্মীদের আইফোন উপহার দেয়া হয়েছিল।

২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৬ কর্মীর জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। তাদের পাঁচ তারকা হোটেলে থাকার সুযোগ, চালকসহ বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ এবং ইয়টে পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। আর ২০২৩ সালে কর্মীদের জন্য বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

হাসিনার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটিকে দীর্ঘমেয়াদে সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে সহায়তা করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বলিউড অভিনেতাদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ, শাহরুখ খানের সম্পদ ১০ হাজার কোটি রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


বলিউড অভিনেতাদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ, শাহরুখ খানের সম্পদ ১০ হাজার কোটি রুপি

২০২৬ সালের এম৩এম হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টে দেখা গেছে ভারতীয় অভিনয়শিল্পীদের সম্পদের মধ্যে বৈচিত্র্য। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বলিউডের কিং শাহরুখ খান। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি। অর্থাৎ, তালিকার অন্যান্য অনেক অভিনেতার সম্পদ যোগ করলেও শাহরুখের কাছাকাছি পৌঁছানো কঠিন। তবে চলতি বছরের হিসাব অনুযায়ী, শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কমেছে। ২০২৫ সালের হুরুন তালিকায় তাঁর সম্পদ ছিল ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। এক বছরে সেই হিসাব থেকে কমেছে ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। তবুও, তিনি ভারতের অভিনেতাদের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। তালিকা অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ তারকার সম্পদের পরিমাণ নিচে উল্লেখ করা হলো।

শাহরুখ খান

তালিকার প্রথম নামটি অবশ্যই শাহরুখ খান। ১৯৯০-এর দশকে টেলিভিশনের মাধ্যমে শুরু করে বলিউডের অন্যতম বড় তারকা হয়ে ওঠা শাহরুখ এখন শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং একজন বড় ব্যবসায়ীও। তাঁর সম্পদের একটি বড় অংশ এসেছে অভিনয়ের বাইরের ব্যবসা থেকে।

রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের মতো প্রযোজনা ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ব্যবসা এবং নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের সঙ্গে শাহরুখের সম্পৃক্ততা তাঁর আর্থিক সাম্রাজ্যকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিকানা ছাড়াও ক্রিকেটভিত্তিক অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে এই গোষ্ঠী। ফলে শাহরুখের সম্পদের হিসাব কেবল সিনেমায় অভিনয় করে পাওয়া পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল নয়।

মজার বিষয় হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শাহরুখের সিনেমার সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ ও ‘ডানকি’ দিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পর বড় পর্দায় তাঁর নতুন ছবি আসেনি। তবুও, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও সম্পদের মূল্যায়ন তাঁকে ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতার অবস্থানে রেখেছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির কথা রয়েছে ‘কিং’ ছবিটির, যেখানে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়ে সুহানা খান।

নাগার্জুন

শাহরুখের পরেই রয়েছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা নাগার্জুন আক্কিনেনি। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি রুপি। নাগার্জুনের আর্থিক সাফল্যের পেছনে অভিনয়ের পাশাপাশি রয়েছে প্রযোজনা ও ব্যবসা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত অন্নপূর্ণা স্টুডিওস দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের শিল্পে দীর্ঘদিনের পরিচিত নাম। চলচ্চিত্রের বাইরেও বিভিন্ন ব্যবসা ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ তাঁর সম্পদ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে হুরুনভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অমিতাভ বচ্চন

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। আনুমানিক সম্পদ ৪ হাজার কোটি রুপি। তবে তাঁর ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, শুধু বর্তমান সম্পদের পরিমাণ নয়, বরং এক বছরে সম্পদের হিসাবের বড় পরিবর্তন।

২০২৫ সালের হুরুন তালিকায় অমিতাভের সম্পদ ছিল প্রায় ১ হাজার ৬৩০ কোটি রুপি। ২০২৬ সালের তালিকায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার কোটিতে। অর্থাৎ, এক বছরে মূল্যায়ন বেড়েছে ২ হাজার ৩৭০ কোটি রুপি। বিনিয়োগ, রিয়েল এস্টেট এবং পরিবারের ফ্যামিলি অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন সম্পদ এই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ছয় দশকের কাছাকাছি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অমিতাভ অভিনয়ের পাশাপাশি টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, বিনিয়োগ ও সম্পত্তির ক্ষেত্রেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। ফলে তাঁর সম্পদও এখন কেবল সিনেমার পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল নয়।

সালমান খান

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন সালমান খান। আনুমানিক সম্পদ ৩ হাজার কোটি রুপি। এবারের তালিকায় সালমানের অন্তর্ভুক্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ ২০২৫ সালের আলোচিত অভিনেতাদের সম্পদের তালিকার সঙ্গে তুলনা করলে এবার তাঁর অবস্থান স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সালমানের আয়ের বড় উৎস অভিনয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড ব্যবসা এবং তাঁর ‘বিইং হিউম্যান’ ব্র্যান্ড। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের সবচেয়ে পরিচিত তারকাদের একজন হওয়ায় বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকেও তাঁর আয় উল্লেখযোগ্য।

হৃতিক রোশন

পঞ্চম স্থানে রয়েছেন হৃতিক রোশন। আনুমানিক সম্পদ ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। ২০২৫ সালের হিসাবে তাঁর সম্পদ ছিল প্রায় ২ হাজার ১৬০ কোটি রুপি। অর্থাৎ, এক বছরে প্রায় ৩৪০ কোটি রুপি বেড়েছে বলে হুরুনের হিসাবভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হৃতিকের সম্পদের ক্ষেত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম এইচআরএক্স। ফিটনেস ও লাইফস্টাইলকেন্দ্রিক এই ব্র্যান্ড তাঁর তারকাখ্যাতিকে ব্যবসায়িক সাফল্যে রূপান্তর করেছে। ফলে পর্দার বাইরেও হৃতিকের পরিচিতি একটি ব্যবসায়িক ব্র্যান্ড হিসেবে তৈরি হয়েছে।

অক্ষয় কুমার

ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন অক্ষয় কুমার। আনুমানিক সম্পদ ২ হাজার ৩০০ কোটি রুপি। কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে বিপুলসংখ্যক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডও তাঁর আয়ের উৎস। অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের বিশেষত্ব হলো তাঁর কাজের ধারাবাহিকতা। বছরে একাধিক ছবিতে অভিনয় করার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজের আয়ের ক্ষেত্রও বিস্তৃত করেছেন তিনি।

আমির খান

সপ্তম স্থানে রয়েছেন আমির খান। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৮০০ কোটি রুপি। অন্যান্য অনেক তারকার তুলনায় আমির সিনেমার সংখ্যা কম করেন, কিন্তু প্রতিটি ছবিকে ঘিরে তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও প্রযোজনার ভূমিকা তাঁকে আলাদা জায়গা দিয়েছে। আমিরের সম্পদের সঙ্গে তাঁর প্রযোজনাপ্রতিষ্ঠানও গুরুত্বপূর্ণ। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবে কাজ করার কারণে চলচ্চিত্রের ব্যবসায়িক সাফল্যের সঙ্গে তাঁর আর্থিক স্বার্থও যুক্ত থাকে।

চিরঞ্জীবী

অষ্টম স্থানে রয়েছেন তেলুগু সিনেমার মেগাস্টার চিরঞ্জীবী। আনুমানিক সম্পদ ১ হাজার ৭০০ কোটি রুপি।

চার দশকের বেশি সময় ধরে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় কাজ করছেন চিরঞ্জীবী। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডও তাঁর সম্পদের অংশ। তাঁর অবস্থান প্রমাণ করে, ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতাদের তালিকায় দক্ষিণ ভারতীয় তারকাদের উপস্থিতি এখন আর ব্যতিক্রম নয়।

ভেঙ্কটেশ দগ্গুবতী

নবম স্থানে রয়েছেন তেলুগু তারকা ভেঙ্কটেশ দগ্গুবতী। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৬৫০ কোটি রুপি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের পাশাপাশি প্রযোজনা ব্যবসার সঙ্গেও তাঁর পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে। সুরেশ প্রোডাকশনসের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দগ্গুবতী পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে ভেঙ্কটেশের আর্থিক পরিচয়ও শুধু অভিনেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়।

রাম চরণ

শীর্ষ ১০-এর শেষ নাম রাম চরণ। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৪০০ কোটি রুপি। তালিকার অন্যদের তুলনায় বয়সে তরুণ হলেও গত এক দশকে তাঁর ক্যারিয়ারের উত্থান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ‘আরআরআর’-এর আন্তর্জাতিক সাফল্য তাঁর পরিচিতিকে ভারতের বাইরে নিয়ে গেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড তাঁর সম্পদ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে হুরুনভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও হিন্দুস্তান টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গল গ্রহে পানির উপস্থিতির প্রমাণ, নতুন রহস্য উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


মঙ্গল গ্রহে পানির উপস্থিতির প্রমাণ, নতুন রহস্য উদঘাটন

মঙ্গল গ্রহের ইতিহাস এবং অতীতে সেখানে পানির উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা করে আসছেন বিজ্ঞানীরা। এই গবেষণার ফলাফল মঙ্গল গ্রহের নতুন তথ্য প্রকাশ করছে।

সম্প্রতি ‘কমিউনিকেশনস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণা মঙ্গল গ্রহের জটিল জলবায়ু ইতিহাস উন্মোচন করেছে। নাসার পারসিভারেন্স রোভারের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহের জেজেরো ক্রেটারে একটি নির্দিষ্ট লেক বা হ্রদের বাইরেও একাধিক পানিপ্রবাহের সন্ধান পেয়েছে। ফলে, জেজেরো ক্রেটারের ভেতরের মার্জিন ইউনিট নামের অংশটি একটিমাত্র প্রাচীন হ্রদের স্রোতের কারণে তৈরি হয়নি।

এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, জেজেরো ক্রেটারের ভেতরের মার্জিন ইউনিট নামের অংশে পাললিক শিলা থাকতে পারে। তবে রোভারটি দেখতে পেয়েছে, সেখানকার বেশিরভাগ শিলা মূলত ইগনিয়াস প্রকৃতির এবং অলিভিনে সমৃদ্ধ।

নতুন গবেষণার বিষয়ে পারডু ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ক্যান্ডিস বেডফোর্ড জানিয়েছেন, এসব শিলা মূলত মাটির অনেক গভীরে ম্যাগমা ঠান্ডা হয়ে তৈরি হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ওপরে উঠেছে। এই শিলাগুলোর ভেতরের খনিজ স্ফটিক প্রমাণ করে, পরবর্তীকালে অন্তত তিনটি আলাদা ধাপে পানির সঙ্গে এই শিলাগুলোর বিক্রিয়া ঘটেছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম ধাপে কার্বন ডাই–অক্সাইডসমৃদ্ধ ভূগর্ভস্থ পানি অলিভাইনসমৃদ্ধ শিলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ফাটলগুলোতে কার্বনেট তৈরি করেছিল। দ্বিতীয় ধাপে জেজেরো ক্রেটারের প্রাচীন হ্রদের পানি বা পরিবর্তনশীল ভূগর্ভস্থ জলের প্রভাবে শিলাগুলোর রূপান্তর ঘটে এবং সেখানে সিলিকা জমা হয়।

হাওয়াই ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী এলেনি রাভানিস জানান, অলিভাইন রূপান্তরিত হয়ে কার্বনেট তৈরি হওয়ার সময় সিলিকা পেছনে ফেলে যায়। তৃতীয় ও শেষ ধাপে আগ্নেয় শিলার মধ্য দিয়ে উষ্ণ তরল বা হাইড্রোথার্মাল তরল প্রবাহিত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। ফলে ক্যালসিয়াম সালফেট ও ফ্লোরাইটের খনিজ শিরা তৈরি হয়েছে। ফ্লোরাইটের উপস্থিতি নিশ্চিত করে যে ওই অঞ্চলে একসময় উত্তপ্ত ভূগর্ভস্থ তরল বা হাইড্রোথার্মাল কার্যকলাপ সক্রিয় ছিল।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পারসিভারেন্স রোভারের মাস্তুলে থাকা সুপারক্যামের সাহায্যে মার্জিন ইউনিটের ১৮৫টির বেশি শিলার ওপর এই গবেষণা চালানো হয়েছে। নতুন এই তথ্য মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের সরাসরি প্রমাণ না দিলেও এটি এমন একটি ভূতাত্ত্বিক পরিবেশের সন্ধান দিয়েছে, যা অণুজীবের বেঁচে থাকার অনুকূল হতে পারত। বহুমুখী পানিপ্রবাহ মঙ্গলের প্রাচীন পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধুর বিয়েতে বাংলাদেশে এসে মুগ্ধ ৪ মালয়েশীয় নাগরিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


বন্ধুর বিয়েতে বাংলাদেশে এসে মুগ্ধ ৪ মালয়েশীয় নাগরিক

বাংলাদেশে এসে বন্ধুদের বিয়েতে অংশগ্রহণ করতে মালয়েশিয়া থেকে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে পৌঁছেছেন চার মালয়েশীয় নাগরিক। তারা স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা, গ্রামীণ পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধতার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, তারা শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের মৃধাকান্দি গ্রামে বন্ধু নাজমুল মৃধার বাড়িতে উপস্থিত হন। এরপর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে কনের বাড়িতে চলে যান।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান, যেখানে সি সিমার এন্টারপ্রাইজের মালিকসহ চার মালয়েশীয় নাগরিক আগমন করেন।

তথ্য অনুযায়ী, মৃধাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল মৃধা প্রায় ১৬ বছর আগে জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন। দীর্ঘদিন কাজ করার পর, তিনি গত ১০ বছর ধরে সি সিমার এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার কর্মদক্ষতা, সততা এবং ভালো আচরণের কারণে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সহকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সম্প্রতি দেশে ফিরে একই গ্রামের জান্নাত আক্তারের সঙ্গে তার বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। রোববার অনুষ্ঠিত বিয়েতে মালয়েশিয়ার বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আমন্ত্রণ জানান নাজমুল। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে চার মালয়েশীয় নাগরিক বাংলাদেশে এসে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

মালয়েশীয় নাগরিক ইসমাঈল মন্তব্য করেন, "বন্ধু নাজমুল যখন আমাকে তার বিয়েতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, তখনই রাজি হয়ে যাই। তার কাছ থেকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক কিছু শুনেছি। তাই তার বিয়েতে সরাসরি অংশ নেওয়ার আগ্রহ ছিল। এই সফরের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।"

অন্য মালয়েশীয় নাগরিক জেসু বলেন, "নাজমুলের পরিবারের সদস্যরা ফুল দিয়ে আমাদের বরণ করে নিয়েছেন। তাদের আন্তরিক আতিথেয়তা এবং বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। দেশে ফিরে গেলেও আবার বাংলাদেশে আসতে চাই।"

বন্ধুদের আগমনে উচ্ছ্বসিত নাজমুল মৃধা জানান, "প্রবাসজীবনে সততা, কর্মদক্ষতা ও ভালো আচরণ থাকলে মানুষের আস্থা অর্জন করা যায়। মালয়েশিয়ায় যাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, তাদের মধ্যে সি সিমার এন্টারপ্রাইজের মালিক অন্যতম। বর্তমানে আমরা একসঙ্গে ব্যবসাও করছি। আমার বিয়েতে তারা এসেছেন, এটি আমার জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়।"

তিনি আরও যোগ করেন, "প্রবাসে যারা আছেন, তারা যেন সব সময় সততা ও আদর্শের সঙ্গে কাজ করেন। আমাদের নীতি-আদর্শ ভালো হলে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব। এতে বাংলাদেশের মানুষেরই লাভ হবে।"

কনে জান্নাত আক্তার বলেন, "তারা আমাদের বিয়েতে এসেছেন দেখে খুব ভালো লাগছে। গ্রামের মানুষও তাদের দেখতে ও কথা বলতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিদেশি অতিথিরা আমাদের বিয়েতে আসায় আমাদের আনন্দ আরও বেড়ে গেছে।"

এদিকে, চার মালয়েশীয় নাগরিকের উপস্থিতি ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা যায়। তাদের একনজর দেখতে ও ছবি তুলতে নাজমুলের বাড়িতে ভিড় করেন আশপাশের অনেক মানুষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিমান করে ঘর ছাড়ার পর তিন স্কুলছাত্রী সীমান্তের পথে, উদ্ধার পুলিশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


অভিমান করে ঘর ছাড়ার পর তিন স্কুলছাত্রী সীমান্তের পথে, উদ্ধার পুলিশে

সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় তিন সহপাঠী স্কুলছাত্রী। কিন্তু তারা স্কুলে না গিয়ে প্রথমে পাবনা বাস টার্মিনালে চলে যায়। সেখান থেকে বাসে নাটোর, এরপর রংপুর হয়ে কুড়িগ্রাম পৌঁছায়। তাদের লক্ষ্য ছিল সীমান্ত এলাকার দিকে যাওয়া। তবে অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে ফেলায় তাদের পরিকল্পনা সফল হয়নি। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সহায়তায় উদ্ধার করা হয় তিন স্কুলছাত্রীকে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাবনা সদর থানা পুলিশ তিন কিশোরীকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনা ঘটে।

তিন কিশোরী পাবনা সদর উপজেলার চর আশুতোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজন অষ্টম শ্রেণিতে এবং দুজন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং দুজন পরস্পরের আত্মীয়।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন পরিবারের আর্থিক অবস্থা স্বাভাবিক। অভিভাবকদের মধ্যে কেউ ফার্নিচারের কাজ করেন, কেউ আবার ওয়ার্কশপে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, তিন কিশোরীর একজন দীর্ঘদিন ধরে নিজের চেহারা ও চোখের সমস্যা নিয়ে পরিবারের কাছ থেকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের শিকার হচ্ছিল। এই কারণে তার মধ্যে ক্ষোভ ও অভিমান তৈরি হয়। একপর্যায়ে সে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার চিন্তা করতে শুরু করে। অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল BTS-এর প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। ওই কিশোরী সীমান্ত এলাকা দিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তার দুই সহপাঠীকে জানায়। পরে তারাও তার সঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

‎

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রোববার সকাল ১০টার দিকে তিনজন স্কুলে একত্র হয়। এরপর ক্লাসে না গিয়ে অটোরিকশায় করে পাবনার অনন্ত মোড় এলাকায় যায়। সেখান থেকে আরেকটি অটোরিকশায় পাবনা বাস টার্মিনালে পৌঁছে বাসে ওঠে। তারা বাসে প্রথমে নাটোরে যায়। সেখান থেকে রংপুর হয়ে পরে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়।

পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তাদের একজন পরিবারের গচ্ছিত প্রায় এক লাখ টাকা সঙ্গে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার আগে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে পৌঁছে তিন কিশোরী রাত কাটানোর জন্য থাকার জায়গা খুঁজতে থাকে। এ সময় খুঁজতে খুঁজতে তারা একটি অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে। সেখানে তাদের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের।

ওই মহল্লায় বসবাস করেন কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাজ উদ্দিন। তার স্ত্রী অপরিচিত তিন কিশোরীকে দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। কিশোরীদের কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হওয়ায় তিনি তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এবং বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এসআই তাজকে জানানো হলে তিনি ও তার স্ত্রী কৌশলে কিশোরীদের কাছ থেকে পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। এরপর তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিশোরীদের অবস্থানের কথা জানান। একইসঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়।

এদিকে তিন কিশোরী বাড়িতে না ফেরায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাদের সন্ধানে পাবনা সদর থানায় পৃথকভাবে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। একই বিদ্যালয়ের তিন নাবালিকা একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাদের উদ্ধারে তৎপর হয় পাবনা জেলা পুলিশ।

‎

পরে কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই তাজের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তিন কিশোরীর অবস্থান নিশ্চিত করে পাবনা পুলিশ। কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের সহায়তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি করা হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কাজ করে। কুড়িগ্রাম সদর থানার একজন উপ-পরিদর্শকের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় তিন কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করে পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%