০৯:৩৯ পি.এম
চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতের লক্ষ্যে সরকার সহায়তা প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি এ কথা জানান সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী দোহাজারীর ইকবাল কনভেনশন হলের সামনে যখন ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছিল।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, "এই সময়টা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার। পানি যখন নামবে তখন উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি এলাকায় যেতে পারবে। তখন আমরা ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য নিরূপণ করতে পারবো। এই মুহূর্তে আমাদের মূল ফোকাস রিলিফ অ্যান্ড রেসকিউ। আমরা দুর্গতদের উদ্ধার করতে চাই এবং তাদের কাছে খাবার পৌঁছাতে চাই।"
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
তিনি আরও বলেন, "পানি নামার পর পুনর্বাসন করা হবে। যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, প্রতিটি ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের তরফে সহায়তা প্রদান করা হবে। যাদের জমি তলিয়ে গেছে, ঘের ভেসে গেছে এবং গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে, সেসব বিষয়ে সরকার সহায়তা করবে। যাতে তারা আবারও ফিরে দাঁড়াতে পারেন।"
তিনি জানান, বন্যার কারণে জুলাই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে এনজিওগুলোকে সরকার অনুরোধ করেছে।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।
এই কর্মসূচি বুধবার সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন