ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি


সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

 চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তরে উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত একটি লঘুচাপ ঘনিভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ অঞ্চলের নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত, ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


৮ অঞ্চলের নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত, ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

 খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট, এই ৮টি অঞ্চলের নৌবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

আজ দুপুর ৩ টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কি. মি বেগে দমকা বা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেলের রূপান্তরে নতুন প্রকল্প কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


রেলের রূপান্তরে নতুন প্রকল্প কী

টিকিট কেটেও ট্রেনের ভেতরে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাওয়া কিংবা এসি কোচে বসে থাকা যাত্রীর মাথার ওপর অন্য কারো দাঁড়িয়ে থাকার যে চেনা অস্বস্তি, তা থেকে এবার মুক্তি পেতে পারেন রেলের যাত্রীরা। নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি ট্রেনের দীর্ঘদিনের ‘ইঞ্জিন ও কোচ সংকট’ দূর করতে বড় ধরনের রূপান্তরের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবং ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সরকার এবার একটি বড় ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় রেলওয়েকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের কথা জানান তিনি।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে রেলওয়ের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো লোকোমোটিভ ও ক্যারেজের ঘাটতি। এ কারণে নতুন নতুন রেললাইন নির্মাণ হলেও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন আর কোচের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে আমরা যাত্রীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছি না।’ এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ক্রয় প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

সংকট দূর করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ভারত থেকে প্রায় ২০০টি ব্রডগেজ কোচ ও লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এগুলো দেশে এসে পৌঁছালে ব্রডগেজ লাইনের বিদ্যমান ট্রেনের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। তবে মিটারগেজ অঞ্চলে এখনও বড় ধরনের চাপ রয়েছে। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের মাধ্যমে এই চাপও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নতুন রেলপথ চালুর দিন থেকেই যেন পূর্ণাঙ্গ যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা যায়, সেভাবেই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

সকালে ঢাকায় এসে বিকেলে ফেরা: ৫ জেলায় কমিউটার ট্রেন

রাজধানী ঢাকার ওপর চাপ কমাতে এবং আশপাশের জেলার যোগাযোগ জোরদারে এক দারুণ উদ্যোগের কথা জানান হাবিবুর রশিদ। গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও ভাঙ্গাসহ ঢাকার আশপাশের এলাকায় নতুন করে কমিউটার ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এর ফলে ঢাকার বাইরের মানুষ খুব সহজে সকালে ট্রেনে করে ঢাকায় এসে কাজ শেষ করে আবার বিকেলে নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) এবং সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন রেললাইন প্রকল্পের কাজও সমানতালে এগিয়ে চলছে।

বেসরকারি বিনিয়োগে সচল হবে ‘ডেমু ট্রেন’

বিগত সময়ে আমদানি করা ডেমু ট্রেনগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে সরকার নতুনভাবে চিন্তা করছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিপুল অর্থ খরচ করে এগুলো মেরামতের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে রেল। এখন বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ডেমু ট্রেনগুলো সচল করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে এবং এরইমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনাও শুরু হয়েছে। একইভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বড় বড় জংশন স্টেশনগুলোতে বেসরকারি অর্থায়নে উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, আধুনিক যাত্রীসেবা ও বাণিজ্যিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

নতুন ট্রেনে ইন্টারনেট ও সৌরবিদ্যুৎ

প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে রেলের সেবায়। ভবিষ্যতে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচে যাত্রীদের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা চালুর বিষয়ে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রেলওয়ের বিশাল পরিমাণ অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামো ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ দিয়ে প্রথমে রেলের নিজস্ব চাহিদা মেটানো হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ ক্রসিংয়ে আন্ডারপাস-ওভারপাস

সারা দেশে রেলের লেভেল ক্রসিংগুলো আধুনিকায়ন ও নিরাপদ করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। একই সঙ্গে যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত রেলক্রসিংগুলোতে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদে পুরো দেশের রেল নেটওয়ার্ককে ব্রডগেজে রূপান্তর করার লক্ষ্যও রয়েছে সরকারের।

কমবে ‘স্ট্যান্ডিং টিকিট’-এর ভোগান্তি

আন্তঃনগর ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাতায়াতের (স্ট্যান্ডিং টিকিট) বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সরকার এই ব্যবস্থাকে নীতিগতভাবে সমর্থন করে না। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক সময় এটি করতে হয়। তবে নতুন কোচ ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলে স্ট্যান্ডিং টিকিটের প্রয়োজন ধীরে ধীরে কমে আসবে।

পরিশেষে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন নতুন রেললাইন নির্মাণ করা নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত ইঞ্জিন-কোচ, উন্নত স্টেশন ও নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি বিশ্বস্ত ও সময়োপযোগী গণপরিবহনে পরিণত করা।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী

কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন, প্রণোদনা, ভর্তুকি ও বাজার ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হবে। আজ শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বিশ্বাস করে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে জাতীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে উৎপাদন বৃদ্ধি, কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা এবং কৃষকের আয় নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত নীতি, কর্মপরিকল্পনা ও নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারের গতির সঙ্গে নিজেদের কাজের গতি ও সক্ষমতা সমন্বয় করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। সরকার প্রধানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও কর্মদক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া বিএনপির ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। দেশের কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ গড়ে তুলতে কৃষক কার্ড কার্যক্রম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র এবং অন্যান্য সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক শনাক্তকরণ, সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকি সরাসরি বিতরণ, উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে। এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা বেগম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল চট্টগ্রাম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-সহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। কৃষি খাতের ওপর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা, প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর এবং মৎস্য খাতের ওপর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা আক্তার পৃথক পৃথক তথ্যবহুল উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশনের জমি উদ্ধার করল প্রশাসন, প্রকল্প ব্যয় ৬২ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


মাদারীপুরে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশনের জমি উদ্ধার করল প্রশাসন, প্রকল্প ব্যয় ৬২ কোটি টাকা

দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটিয়ে মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন প্রকল্পের নির্ধারিত জমি উদ্ধার করলো জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী সদর উপজেলার ব্রাহ্মন্দী এলাকায় জমির পরিমাপ, সীমানা নির্ধারণ এবং লাল পতাকা টানিয়ে সরকারি দখল নিশ্চিত করার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান বাধা দূর হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ২৫টি শহরে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্যানিটেশন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে মাদারীপুর পৌরসভায় একটি আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি টাকা। আর এ লক্ষ্যে সদর উপজেলার ব্রাহ্মন্দী এলাকায় প্রায় সাড়ে পাঁচ একর জমি নির্ধারণ করা হয়। তবে স্থানীয় কিছু ব্যক্তির দখলে থাকায় জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

প্রশাসনের উদ্যোগে প্রকল্পের অচলাবস্থা নিরসনে গতকাল ৩ জুন ব্রাহ্মন্দী এলাকায় একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান्दার আলী জাহান, মাদারীপুর স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হাওলাদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, পৌর কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী অংশ নেন। সভায় প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে দ্রুত জমি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ জেলা প্রশাসনের সার্ভেয়ার, আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ডাম্পিং স্টেশনের জন্য নির্ধারিত জমির সীমানা চিহ্নিত করে লাল পতাকা টানিয়ে সরকারি দখল নিশ্চিত করেন।

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী জাহান বলেন, ‘দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মিত হলে মাদারীপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। পরিবেশ দূষণ কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং নগরবাসী আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুফল ভোগ করবেন।’

মাদারীপুর স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ‘মাদারীপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ছিল। নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বর্জ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও অপসারণে জটিলতা সৃষ্টি হতো। আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মিত হলে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। পৌরবাসী আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধা পাবেন এবং পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।’

পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা শফিক স্বপন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার ময়লা মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মিত হলে এলাকাবাসী পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী সমাধান আসবে।’

মাদারীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অ্যাড. মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো মাদারীপুর পৌরসভায় এখনো কোনো আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নেই। এটি পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু বর্জ্য ব্যবস্থাপনাই নয়, শহরের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যেরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডাম্পিং স্টেশনের জন্য প্রায় সাড়ে পাঁচ একর জমি নির্ধারিত থাকলেও আপাতত ৩ একর জমি উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের ফলে এখন দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তারা আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মাদারীপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ হ্রাস, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী জাহান, মাদারীপুর স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%