রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
আরএফএল গ্রুপ জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার
বিভাগ: ব্র্যান্ড
লোকবল নিয়োগ: ১০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মার্কেটিংয়ে বিবিএ/এমবিএ
অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: কমপক্ষে ২২ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (বাড্ডা)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে, তবে ৬ মাসের শিক্ষানবিশকাল শেষে কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে।
অন্যান্য সুবিধা: যাতায়াত সুবিধা, মোবাইল বিল, ভ্রমণ ভাতা এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে দুটি উৎসব বোনাস, ছুটির বিনিময়ে অর্থ, প্রাণ-আরএফএলের আউটলেটগুলোতে ছাড়সহ বাকিতে কেনাকাটার সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শাহ আলী এলাকায় ‘রাড্ডা’ পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বিভাগের শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে, এমনটি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে শিগগিরই বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচিবালয়ে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবকে কোনোভাবে আমলে নেওয়া হবে না। অপরাধী যিনি হোন, সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে শাহ আলী থানার অধীনে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে একদল সশস্ত্র লোক প্রবেশ করে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। হামলাকারীরা সেখানে দুই নৈশপ্রহরীকে মারধর করে এবং হাত-পা বেঁধে আটকে রেখে হ্যামার ও ভেকু দিয়ে সীমানা প্রাচীরসহ প্রতিষ্ঠানের একাধিক সেবা কক্ষ গুঁড়িয়ে দেয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা ক্লিনিকে থাকা ওষুধপত্র, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, কম্পিউটার, এসি এবং ফ্রিজসহ প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ভবন ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আরও প্রায় ২৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ সংকটের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বর্তমানে সেই পথও হামলার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ তেলবন্দর রক্ষার জন্য সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। সেনা পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে রাডার এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও সেখানে পাঠানো হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এই ঘোষণা দেন। সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মাখোঁ জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে ইয়ানবু রক্ষার জন্য একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। এই চুক্তির আওতায় ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেখানে পাঠানো হবে। তবে তিনি একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন যে, ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার উদ্দেশ্যে, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায় এর পেছনে কি কারণ রয়েছে।
কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে?
হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় কারণ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পাঠানো সম্ভব। তবে সম্প্রতি এই ব্যবস্থাও বড় ধাক্কা খেয়েছে।
ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর ফলে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি সীমিত পরিসরে আবার চালু করা হয়েছে।
সুতরাং, ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও এই বন্দরের গুরুত্ব বেড়ে গেছে। ফ্রান্সও জ্বালানি সংকটের চাপ অনুভব করছে। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। তাঁর সরকার নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। যদি এমন খবর সত্যি হয়, তবে এর ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। তবে হোয়াইট হাউস এই ধরনের কোনো পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সরদার (৫৫) কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
জয়নাল সরদার ২৭ বছর ধরে পরিচয় বদলে ভারত ও কুয়েতে আত্মগোপনে ছিলেন। শনিবার রাতে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে এসআরবি-৮ তাকে গ্রেপ্তার করে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এসআরবি-৮-এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) ওয়ালিদ হাসান মিঠু প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসআরবি-৮ এবং এসআরবি-৬-এর একটি দল খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। তারা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি জয়নাল সরদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জয়নাল সরদার বরিশালের গৌরনদী থানার বংকুরা গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী সরদারের পুত্র।
জয়নাল সরদারের বিরুদ্ধে খুলনা জেলার রূপসা থানায় ১৯৯৯ সালে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। আদালতে মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে হত্যার অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় মরদেহ গুমের অপরাধে পৃথকভাবে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেটে যাওয়ার পূর্বে পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান, গোসল করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা ছিল প্রচলিত প্রস্তুতির অংশ। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি প্রবণতা এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। এই প্রবণতার নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেরোমোন ম্যাক্সিং’। অনুসারীদের দাবি, সুগন্ধি ব্যবহার না করে শরীরের স্বাভাবিক ঘামের গন্ধই যৌন আকর্ষণ বাড়াতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে তরুণ পুরুষদের মধ্যে এই প্রবণতা নিয়ে আলোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘ফেরোমোন ম্যাক্সিং’-এর ধারণা অনুসারে, ডেটে যাওয়ার আগে গোসল না করা, সুগন্ধি ব্যবহার না করা কিংবা ঘামে ভেজা পোশাক পরিধান করার মতো পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কিছু নেটপ্রভাবী এমনকি দাবি করেছেন যে, নিজের প্রস্রাব পান করলেও ফেরোমোন বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
ফেরোমোন কী?
ফেরোমোন হলো একটি রাসায়নিক সংকেত, যা প্রাণীরা নিজেদের শরীর থেকে পরিবেশে ছড়িয়ে দেয় এবং একই প্রজাতির অন্যান্য প্রাণীর আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পিঁপড়ার চলাচলের পথ নির্ধারণ কিংবা কিছু পতঙ্গের সঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে এই ধরনের রাসায়নিক সংকেত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। বিজ্ঞানীরা এখনো কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক যৌগ শনাক্ত করতে পারেননি, যা নিশ্চিতভাবে মানুষের ‘যৌন ফেরোমোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। মানুষের শরীর থেকে নিঃসৃত কোনো পদার্থ অন্য মানুষকে যৌনভাবে আকৃষ্ট করে—এমন চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণও নেই।
কোথা থেকে এল এই ধারণা?
‘ফেরোমোন ম্যাক্সিং’-এর আলোচনায় ১৯৯৫ সালের একটি গবেষণার উল্লেখ প্রায়শই করা হয়। ওই গবেষণায় কিছু পুরুষের ঘামে ভেজা টি-শার্ট নারীদের শোঁকানো হয়েছিল। সেখানে কিছু নির্দিষ্ট পুরুষের শরীরের গন্ধ নারীদের তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দ হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণায় জিনগত পার্থক্যের সম্ভাব্য ভূমিকার কথাও আলোচনা করা হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে আরও গবেষণা হয়েছে। ২০২০ সালের একটি গবেষণাসহ পরবর্তী গবেষণাগুলো মানুষের আকর্ষণকে কেবল শরীরের গন্ধ বা নির্দিষ্ট কোনো ‘ফেরোমোন’-এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার ধারণাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে।
শরীরের গন্ধ কি আকর্ষণে ভূমিকা রাখে?
শরীরের স্বাভাবিক গন্ধ মানুষের পছন্দ ও অপছন্দে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। পরিচিত কারো শরীরের গন্ধ ভালো লাগতে পারে, আবার কোনো গন্ধ অপছন্দও হতে পারে। গন্ধের সঙ্গে স্মৃতি ও আবেগের সম্পর্কও বিদ্যমান।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, গোসল না করা বা দীর্ঘ সময় অপরিচ্ছন্ন থাকার মাধ্যমে যৌন আকর্ষণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। বরং ঘাম, মৃত ত্বক, ময়লা ও জীবাণু জমে শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। প্রথম সাক্ষাতে তা আকর্ষণের পরিবর্তে বিরক্তি বা অস্বস্তির কারণও হতে পারে।
নিজের প্রস্রাব পান করার মতো পরামর্শের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং প্রস্রাব শরীরের বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার একটি উপায়। এটিকে যৌন আকর্ষণ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের প্রেম বা আকর্ষণ কোনো একটি রাসায়নিক সূত্রে নির্ধারিত হয় না। ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক যোগাযোগ, আচরণ, রসবোধ ও মানসিক সংযোগ সবকিছুই এতে ভূমিকা রাখতে পারে।
অতএব, ফেরোমোন ম্যাক্সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যতই আলোচিত হোক, ডেটে যাওয়ার আগে ইচ্ছাকৃতভাবে গোসল না করা বা অপরিচ্ছন্ন থাকার পক্ষে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। স্বাভাবিক গন্ধ থাকা স্বাভাবিক, তবে পরিচ্ছন্নতা ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ