সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৬ পি.এম
ঢাকার ফার্মগেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি অনুষ্ঠানের নির্ধারিত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বাইকচালক মুহিবুল্লাহ মুবিনের জামিন আবেদন আদালত নাকচ করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। ফলে আপাতত মুবিনকে কারাগারে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
মুবিনের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী রবিউল আলম জুয়েল। শুনানির সময় তিনি দাবি করেন, তার মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ। নাশকতা কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে তিনি ঘটনাস্থলে যাননি। আবেগের বশে প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে সেলফি তুলতেই সেখানে গিয়েছিলেন।
আইনজীবী আরও বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরও মুবিনের কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই যেকোনো শর্তে তার জামিন মঞ্জুরের আবেদন করেন তিনি।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনার পর আদালত জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ায় কেআইবি অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে মুবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় সেখানে ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা চলছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশের অভিযোগ, মুবিন অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিলেন এবং অনুষ্ঠান বানচালের জন্য সেখানে ছিলেন। একপর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান মুবিনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই দিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।
পরে ৭ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত মুবিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। এবার তার জামিন আবেদনও নাকচ হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধ করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বর্জ্যের স্তূপগুলো কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশদূষণ কমানোর আশা করা হচ্ছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে খাড়া জোড়া এলাকায় মহাসড়কের এমন পরিস্থিতি দেখা যায়।
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, কালিয়াকৈর পৌরসভাটি একটি প্রথম সারির পৌরসভা হলেও কার্যত কার্যক্রমের অভাব রয়েছে। পৌরসভা গঠনের দীর্ঘ সময় পরেও ময়লার ড্রাফিং ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। এর ফলে পৌরবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে। পৌরবাসী প্রতি মাসে ময়লা বাবদ টাকা নিলেও সেই ময়লা-আবর্জনা মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। ফলে মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষ দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। উপজেলার খাড়াজোড়া ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে দীর্ঘ এলাকাজুড়ে বর্জ্যের স্তূপ চোখে পড়ে। এসব বর্জ্য কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষ ও আশপাশের বাসিন্দাদের দুর্গন্ধের ভোগান্তি কিছুটা কমবে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘমেয়াদে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে থাকার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সেইসাথে নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
কালিয়াকৈর পৌর প্রশাসক ও নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন জানিয়েছেন, মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপের দুর্গন্ধের কারণে মানুষের রোগ জীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, ওই স্থানে কেউ যেন ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে এবং দ্রুত ময়লাগুলো অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পৌরসভার কিছু ঠিকাদারের বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে ময়লা ফেলার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য স্থান থেকে রাতের বেলায় মহাসড়কের পাশে ময়লা ফেলা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নতুন কোডিং পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ধাপে ধাপে এই পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বিভাগের জন্য কোডিং করা উত্তরপত্র এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হস্তান্তর করবেন।
প্রথম পর্যায়ে কোডিং করা উত্তরপত্র পাচ্ছে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। কোডিং পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রেখে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে পরীক্ষকের কাছে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানা সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তরপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তীতে যেসব বিভাগের পরীক্ষা আসবে, নির্ধারিত সময়ে সেসব বিভাগের কাছে কোডিং করা উত্তরপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ছয়টি বিভাগ তাদের পরীক্ষার তারিখ জানিয়েছে। আগামীকাল ওই ছয়টি বিভাগের জন্য প্রস্তুত করা কোডিং করা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। এর মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। এই পদ্ধতি চালুর ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক হাসনাত কবির জানান, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে। প্রথমে ছয়টি বিভাগ এবং পরে পর্যায়ক্রমে সব বিভাগে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাইবারনিরাপত্তা গবেষকেরা নতুন করে সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছেন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য। তারা জানিয়েছেন, ‘ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স’ নামের একটি ভয়ংকর ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীর ফোন থেকে ওটিপি, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের বার্তাও সংগ্রহ করতে সক্ষম।
গবেষকদের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স সাধারণ কোনো ম্যালওয়্যার নয়। এতে রয়েছে স্পাইওয়্যার, র্যানসমওয়্যার এবং রিমোট অ্যাক্সেসের মতো একাধিক ক্ষতিকর সুবিধা। ফলে এই ম্যালওয়্যার ফোনে প্রবেশ করলে সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরির পাশাপাশি দূর থেকে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন।
গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ম্যালওয়্যারটি ফোনে আসা এসএমএসের নোটিফিকেশন পড়তে পারে। এর ফলে বিভিন্ন সেবায় লগইন কিংবা অনলাইন লেনদেনের সময় আসা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) অপরাধীদের হাতে চলে যেতে পারে।
এছাড়া, ফোনকলের তালিকা, যোগাযোগের তথ্য, ইন্টারনেট ব্যবহারের ইতিহাস, ইনস্টল করা অ্যাপ, অবস্থান এবং গুগল অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত তথ্যও ম্যালওয়্যারটি সংগ্রহ করতে পারে।
তথ্য চুরির পাশাপাশি, ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স ফোনের পর্দায় ব্যবহারকারী কী করছেন, সেটিও গোপনে নজরদারি করতে পারে। অ্যান্ড্রয়েডের মিডিয়া প্রজেকশন সুবিধা ব্যবহার করে ফোনের পর্দার ছবি ও অন্যান্য তথ্য ধারণের সক্ষমতা রয়েছে। এমনকি সামনের ও পেছনের ক্যামেরা গোপনে চালু করে ছবি তুলে তা দূরে থাকা অপরাধীদের কাছে পাঠাতে পারে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, গুগল প্লে স্টোরের বাইরে থাকা বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষের ফাইল শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর এপিকে ফাইলের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারটি ছড়ানো হচ্ছে। ফিশিং লিংক, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক প্রতারণার মাধ্যমে এটি ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা তার আগের সংস্করণে চলা পুরোনো স্মার্টফোনগুলোতে এই ম্যালওয়্যারের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তবে নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ব্যবহারকারীরাও পুরোপুরি নিরাপদ নন।
সুতরাং, অচেনা কোনো লিংক থেকে এপিকে ফাইল ডাউনলোড না করা, অপরিচিত উৎস থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করা, গুগল প্লে প্রটেক্ট চালু রাখা এবং ফোনের অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫২ দিন পর অবশেষে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে নিজ বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদী। জটিল আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, পরিচয় শনাক্তকরণ এবং দীর্ঘ আন্তর্জাতিক দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ থেকে তার মরদেহ নিজ দেশে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে হাসমত মোহাম্মদীর মৃত্যু হয়। পরদিন ১৪ এপ্রিল ঝিনাইদহের একটি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঝিনাইদহ পৌর গোরস্তানে অজ্ঞাতনামা হিসেবে তাকে দাফন করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে হাসমত মোহাম্মদীর পরিচয় সুনিশ্চিত হয়। বিষয়টি জানার পর তার পরিবার মরদেহ আফগানিস্তানে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে অবস্থিত আফগান দূতাবাস, বাংলাদেশ পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সহায়তায় দীর্ঘ প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ১ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ পৌর গোরস্তান থেকে হাসমত মোহাম্মদীর মরদেহ উত্তোলন করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ছাড়পত্র ও এয়ার কার্গো সংক্রান্ত সব নিয়ম মেনে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাই এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহ কাবুলে পাঠানো হয়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর কাবুলে পৌঁছানোর পর স্বজনদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী জানাজা শেষে হাসমত মোহাম্মাদীকে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।
মরদেহের হস্তান্তরে আন্তরিক সহযোগিতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশে অবস্থিত আফগান দূতাবাস, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনি সমন্বয়কারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান মাসুমের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ