প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকার ফার্মগেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি অনুষ্ঠানের নির্ধারিত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বাইকচালক মুহিবুল্লাহ মুবিনের জামিন আবেদন আদালত নাকচ করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। ফলে আপাতত মুবিনকে কারাগারে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
মুবিনের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী রবিউল আলম জুয়েল। শুনানির সময় তিনি দাবি করেন, তার মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ। নাশকতা কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে তিনি ঘটনাস্থলে যাননি। আবেগের বশে প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে সেলফি তুলতেই সেখানে গিয়েছিলেন।
আইনজীবী আরও বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরও মুবিনের কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই যেকোনো শর্তে তার জামিন মঞ্জুরের আবেদন করেন তিনি।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনার পর আদালত জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ায় কেআইবি অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে মুবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় সেখানে ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা চলছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশের অভিযোগ, মুবিন অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিলেন এবং অনুষ্ঠান বানচালের জন্য সেখানে ছিলেন। একপর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান মুবিনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই দিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।
পরে ৭ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত মুবিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। এবার তার জামিন আবেদনও নাকচ হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন