ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্যাস লাইন থেকে আগুন লেগে দগ্ধ তিনজন


গ্যাস লাইন থেকে আগুন লেগে দগ্ধ তিনজন

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি বাসায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনের ফলে এক পরিবারে তিনজন দগ্ধ হয়েছে।

এ ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে। দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহিন (২৪), তার স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার (২১) এবং শাহিনের ভাগ্নি হাফসা আক্তার (৮)।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষা এলেই জলাবদ্ধতা, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও ঢাকা কেন ডুবছে ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


বর্ষা এলেই জলাবদ্ধতা, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও ঢাকা কেন ডুবছে ?

বর্ষা এলেই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের একই দুশ্চিন্তা; আবারও কি ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে? জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য গেল অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ড্রেন নির্মাণ, সংস্কার ও পরিষ্কারে ব্যয় করেছে প্রায় ১৭৮ কোটি টাকা। অপরদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং খাল-নালা ও নর্দমা পরিষ্কারে খরচ করেছিল প্রায় ৮৪ কোটি টাকা। কিন্তু এত ব্যয়ের পরও প্রতিটি বর্ষায় একই অভিজ্ঞতা দেখা যাচ্ছে, তাই প্রশ্ন উঠছে, সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না কেন?

একসময়, রাজধানী ঢাকা যে শহরের খাল ও জলাধার সহজেই বৃষ্টির পানি নদীর দিকে পৌঁছে দিত, আজকাল সেই ঢাকা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। অলিগলি থেকে বড় সড়ক; সবই পানির নিচে চলে যায়। প্রতি বর্ষায় এই একই দুর্ভোগ এবং আলোচনা।

নগরবাসীর মনে প্রশ্ন; কেনো তিলোত্তমা এই নগরী ডুবে যায়? গবেষকদের মতে, জলাবদ্ধতার মূল কারণ হচ্ছে পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়া। ড্রেন, খাল ও জলাধার দিয়ে যে পানি ঢাকা আশেপাশের নদীতে যাওয়ার কথা, সেই পানি প্রবাহ এখন আর নেই।

এত টাকা ব্যয়ের পরও কেন একই অবস্থা; এই প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষও। তাদের অভিযোগ, বর্ষার সময় উন্নয়ন কাজের নামে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়। এর ফলে ময়লা ও আবর্জনা ড্রেনে জমে থাকে, যা পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। শুধু বাজেট বরাদ্দ বা পরিকল্পনা করলেই চলবে না, কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ড্রেন নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮০০ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দেয়ার কথা ছিল। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এর মধ্যে প্রায় ১৭৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এই অর্থের মধ্যে নতুন ড্রেন নির্মাণ, পুরানো ড্রেন সংস্কার এবং পুনর্বাসনের কাজ করা হয়েছে। এছাড়া ড্রেন পরিষ্কারে প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল, যার বেশিরভাগই ব্যয় হয়ে গেছে। এছাড়াও, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নর্দমা, খাল ও বক্স কালভার্ট পরিষ্কারের জন্য বরাদ্দ ৪০ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ২৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

সমস্যা সমাধান করার জন্য খাল পুনরুদ্ধার এবং পানি বের হওয়ার পথের বাধা দূর করতে চান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, "পলিথিন ব্যবহার বন্ধ না হলে ড্রেন, খাল বা রাস্তা কোনোভাবেই পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়।" খাল পুনরুদ্ধার এবং পানি নিষ্কাশনের পথ সচল করতে কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের সুফল পেতে অন্তত এক বছরের সময় লাগবে।

এবং উত্তর সিটি প্রশাসকের নজর ড্রেন নির্মাণ এবং খাল পুনরুদ্ধারে। ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেছেন, "খাল খননের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যদি খালগুলো পুনঃখনন করা যায়, তাহলেই বর্তমানে যে ড্রেনেজ অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে, তার প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে।"

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, শুধু ড্রেন নির্মাণ করলেই জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে না। খাল, জলাধার এবং প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ পুনরুদ্ধার করতেই হবে। নগর পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহাম্মদ মেহেদী আহসান বলছেন, "হাতে ঝিলের মতো আরও অন্তত পাঁচটি রিটেনশন এরিয়া গড়ে তুলতে হবে, যাতে বৃষ্টির পানি সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং একসঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর চাপ না পড়ে।"

এভাবে প্রতিবছর একই প্রশ্ন ফিরে আসে; আবারও কি ঢাকা ডুববে? এর উত্তর আকাশের বৃষ্টিতে নয়, বরং শহরের খাল, ড্রেন, জলাধার এবং কার্যকর নগর পরিকল্পনার মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র গ্যাসের স্বল্পচাপে নাকাল গ্রাহক, মুখ খুলল তিতাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


তীব্র গ্যাসের স্বল্পচাপে নাকাল গ্রাহক, মুখ খুলল তিতাস

সরবরাহের ঘাটতি থাকার কারণে, তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে। এই স্বল্পচাপ এর ফলে শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকরা বড় ধরনের ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

সোমবার (২০ জুলাই) একটি বার্তায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (তিতাস গ্যাস) জানায় যে, গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত অনেক অঞ্চলে শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি এবং আবাসিক গ্রাহকদের জন্য মারাত্মক স্বল্পচাপ বিদ্যমান রয়েছে। এই কারণে স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানায় তিতাস গ্যাস। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে, লিকেজযুক্ত পুরাতন বিতরণ লাইন পরিবর্তন ও সার্ভিস লাইন প্রতিস্থাপন কাজের জন্য মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর থেকে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তিতাস গ্যাস জানায় যে, লিকেজযুক্ত পুরাতন বিতরণ লাইন পরিবর্তন ও সার্ভিস লাইন প্রতিস্থাপন কাজের জন্য ২১ জুলাই দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা ফ্রি স্কুল স্ট্রীট, ভুতের গলি, কিচেন রোড, আল আমিন রোড ও কাঠাল বাগান এলাকায় বিদ্যমান আবাসিক ও বাণিজ্যিক শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এছাড়া, এই সব এলাকার আশপাশে গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও বাড়ছে দেশে ডলারের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ এম


আবারও বাড়ছে দেশে ডলারের দাম

ডলারের দাম আবারও বাড়ছে। এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়তে পারে আমদানি ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামগুলোর ওপর। বর্তমানে আমদানি খাতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সায়। খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে অবস্থান করছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এর ফলে এটি আমদানি ব্যয়, উৎপাদন খরচ এবং মূল্যস্ফীতি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

জুলাই মাসের শুরু থেকেই ডলারের দাম একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তঃব্যাংক লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরুতে প্রতি ডলারের দাম প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৫ পয়সা করে বেড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ সপ্তাহে এক লাফে দাম বেড়ে গেছে ৫০ পয়সা। এই প্রেক্ষিতে, ব্যাংকগুলোর বিক্রয়মূল্যও বেড়েছে।

গত এক সপ্তাহে আমদানি খাতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সাতে বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে, খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে বর্তমানে রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানাচ্ছে, রফতানি আয় প্রত্যাশিত হারে না বাড়লেও আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে দামও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই প্রসঙ্গে বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না।' ডলারের দাম বাজারে চাহিদা এবং জোগানের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়।

তবে যদি কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে কারসাজির অভিযোগ ওঠে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ডলারের দাম বৃদ্ধির পেছনে শুধু আইএমএফের পরামর্শ নয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বড় ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতি উচ্চমূল্যে ডলার কিনে আমদানি করতে বাধ্য করছে, যার ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে এবং ভোক্তা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়বে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির উল্লেখ করেছেন, 'বাংলাদেশ খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি; সবই আমদানি করে।' তাই ডলারের দাম বৃদ্ধি পেলে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। ১৫, ২০ বা ৩০ পয়সার বৃদ্ধি হয়তো বড় সমস্যা নয়। কিন্তু হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেনে এই সামান্য বৃদ্ধি বড় প্রভাব ফেলে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক।

এখন বিশেষ নজর রয়েছে ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কতদিন স্থায়ী হতে পারে এবং এর প্রভাব বাজার ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা পড়ে, সেটির দিকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দাবিতে রেললাইন অবরোধ, আন্দোলনে রাকসু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


চার দাবিতে রেললাইন অবরোধ, আন্দোলনে রাকসু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। সংগঠনটি পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে কর্তব্যরত ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনার (টিটিই) দ্বারা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চারটি দাবি উত্থাপন করেছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাকসুর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তাদের দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের সময় কর্তব্যরত এক টিটিই সরকারি রসিদ ছাড়া ঘুষের বিনিময়ে বিনা টিকিটের যাত্রী পরিবহনের সুযোগ দিচ্ছিলেন। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করার পর, টিটিই ও তার সহযোগীরা তাকে একটি কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মারধর করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে এই ঘটনাকে উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত টিটিই শিক্ষার্থীকে চলন্ত ট্রেনের দরজার দিকে ধাক্কা দেন। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় সে প্রাণে বেঁচে যান। রাকসুর দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার শামিল এবং এই ঘটনা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।

পরবর্তী সময়ে, রাকসু তাদের পক্ষে চারটি দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে-

অভিযুক্ত টিটিইকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত করে জবাবদিহির আওতায় আনা।

ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশনে সকল দূরপাল্লার ট্রেনের বাধ্যতামূলক যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবি।

বিবৃতিতে এই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন চেয়ে বলা হয়েছে যে, অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন করে অভিযুক্ত রেলকর্মীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে, যার দায়ভার সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%