বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৯ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। থাইল্যান্ডের নাগরিক উপসর্ন ভালোবাসার মানুষকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
কিন্তু ভারতে এসে তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী মোহাম্মদ ইরফান পূর্বে থেকেই বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে। প্রায় ৬০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা) স্বামীর হাতে তুলে দেওয়ার পর এই তথ্য প্রকাশ পায়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের বাসিন্দা উপসর্ন একটি রেস্টুরেন্ট ও ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের চামড়াব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইরফানের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
দুই বছর আগে ইরফান নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে থাইল্যান্ডে উপসর্নকে বিয়ে করেন। এরপর বিভিন্ন খরচের কথা বলে স্ত্রীর কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা নিতে শুরু করেন। উপসর্নের অভিযোগ, নিজের ব্যবসার জমানো আয় ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ধার করা অর্থ মিলিয়ে তিনি ইরফানকে প্রায় ৬০ লাখ রুপি দেন। কিন্তু পুরো টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর ইরফান হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে ভারতে ফিরে যান।
গত ৬ অক্টোবর কানপুরে সশরীরে ইরফানের বাড়িতে হাজির হন উপসর্ন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ইরফান আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। উপসর্নের আরও অভিযোগ, প্রতারণার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইরফান তাকে মারধর করেন। টাকা ফেরত পেতে হলে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বোরকা পরার শর্ত দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কানপুর পুলিশের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেন উপসর্ন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে অনওয়ারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ইরফানকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের নথি, অর্থ লেনদেনের তথ্য এবং ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগসহ মামলার প্রতিটি দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের আবাসিক সম্পাদক কামাল পারভেজকে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন বগার হুমকির ঘটনা নিয়ে চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (সিটিআরএন) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সিটিআরএন নেতাদের দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "একজন পেশাদার সাংবাদিককে ভয়ভীতি দেখানো শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়া নয়। এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত।" তারা আরও বলেন, "যে সাংবাদিক সত্য তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করেন, তাকে হুমকির মুখে ফেলার অর্থ পুরো গণমাধ্যমকে নীরব করার চেষ্টা।"
নেতারা সিটিআরএন এর পক্ষ থেকে জানান, "হুমকি-ধমকি দিয়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার দিন শেষ। সাংবাদিকরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। সত্য প্রকাশের এই দায়িত্ব থেকে কোনো ভয়ভীতি তাদের সরাতে পারবে না।" তারা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান, হুমকির ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সিনিয়র সাংবাদিক কামাল পারভেজসহ চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে সংগঠনের আহ্বায়ক হোসাইন জিয়াদ, যুগ্ম আহ্বায়ক একে আজাদ, এবং সদস্যরা আরিচ আহমেদ শাহ, ফখরুল ইসলাম, তামিম মাহমুদ, ফেরদৌস লিপি ও শহিদুল সুমন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বাগেরহাটের রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজীব আল রশিদ মারা গেছেন। চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগের কারণে তার মৃত্যু ঘটেছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১টা ২০ মিনিটে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী, ১০ বছর বয়সী এক ছেলে এবং ৬ বছর বয়সী এক মেয়ে রেখে গেছেন।
রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) সুব্রত পাল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এটি জানা গেছে যে, রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজীব আল রশিদকে দ্রুত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজীব আল রশিদের জানাজা বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাদ জোহর খুলনার আইচগাতিতে তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যারে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীদের Git এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের আদর্শ কার্যপদ্ধতি বা প্র্যাকটিস সম্পর্কে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে অভিজ্ঞতা থাকলে প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২৯ থেকে ৩৬ বছর
অভিজ্ঞতা: ৪-৬ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সিজারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই করা ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫) মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম।
বিথী গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী।
জানা গেছে, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দের মাধ্যমে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ওই অস্ত্রোপচারের পর বিথী আক্তারের পেটে গজ রেখে সেলাই করা হয়েছিল।
এরপর থেকে বিথী শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগতে থাকেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে (কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।
চার মাস নিজের নবজাতক সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরার তো দূরের কথা, সন্তানকে কোলে নেওয়া কিংবা দুধ খাওয়ানোর মতো অবস্থাতেও নেই তিনি। তার ছোট্ট সন্তান মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
পরিবারের অভিযোগ, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রোপচারের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে তার পেটের ভেতর গজ থেকে যায়। এরপর থেকেই তার শরীরে তীব্র যন্ত্রণা ও দীর্ঘ জটিলতা শুরু হয়।
শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে, প্রথম অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই মাস পর তাকে আবারও বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করাতে হয়। পরে পেটের নাড়িতে তীব্র জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকতে হয় এবং বাইপাস সার্জারিসহ একাধিক জটিল চিকিৎসা নিতে হয়। দীর্ঘদিন অসুস্থতায় ভুগে একসময়ের ৬১ কেজি ওজনের সুস্থ বিথী আক্তারের শারীরিক ওজন বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৮ কেজিতে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা গণমাধ্যমকে জানান, বিথীর মৃত্যুর খবরটি আমি শুনেছি, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে বিথীর বাচ্চাকে দেখতে জেলা প্রশাসক গেছেন। আমিও তার বাড়িতে বাচ্চাকে দেখতে দুইবার গিয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ