ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুমার দিনে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ আমল কোনটি ?


জুমার দিনে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ আমল কোনটি ?

জুমার দিন মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ দিনে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত বর্ষিত হয়। কোরআনে এবং হাদিসে জুমার দিনের ফজিলত এবং এ দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সমস্ত দিনের নেতা হলো জুমার দিন। আল্লাহর কাছে এ দিন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন থেকেও অধিক মর্যাদাপূর্ণ।"

— (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১০৮৪)

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

একটি অন্য হাদিসে তিনি বলেছেন, "যেসব দিনের ওপর সূর্য উদিত হয়, তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দিন হলো জুমার দিন। এ দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। কিয়ামতও সংঘটিত হবে জুমার দিন।"

— (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৫৪)

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গুরুত্বের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

মহান আল্লাহ বলেন,

"হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।"

— সুরা জুমুআহ, আয়াত: ৯

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুন্নত অনুযায়ী গোসল করবে, পরিষ্কার পোশাক পরবে, সকালেই মসজিদে যাবে, পায়ে হেঁটে যাবে, ইমামের কাছে গুরুত্ব সহকারে বসে খুতবা শুনবে এবং অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকবে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছর নফল রোজা ও এক বছর নফল নামাজের সওয়াব লেখা হবে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

— (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)

জুমার দিনের তিনটি আরো গুরুত্বপূর্ণ আমল

১. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত নূর জ্বলতে থাকবে।"

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

— (সুনানে বাইহাকি, হাদিস: ৬২০৯)

২. আসরের পর বেশি বেশি দোয়া করা

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে কল্যাণের জন্য দোয়া করলে তিনি তা কবুল করেন। সেই সময়টি আসরের পর দিনের শেষ মুহূর্তে অনুসন্ধান করো।"

— (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৮)

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

৩. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা

নবীজি (সা.) বলেছেন, "তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, এ দিনের দরুদ আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।"

— (আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি, ৩/২৪৯)

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, জুমার দিনে গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, দ্রুত মসজিদে যাওয়া, গুরুত্ব সহকারে খুতবা শোনা, সুরা কাহাফ তিলাওয়াত, অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করা এবং আসরের পর আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়া করার মাধ্যমেই একজন মুমিনের জন্য এই আমলসমূহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।

আরও পড়ুন: নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার

সবশেষ গত মঙ্গলবার সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।

সবশেষ সমন্বয়কৃত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হচ্ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম বেচাকেনা হচ্ছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

শুক্রবার দাবি করা হয়েছে ইরানের পক্ষ থেকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

তেহরান অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের একটি বিমানবন্দর, একটি রেলস্টেশন এবং দু’টি সেতুতে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এর পর ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোতে ধারাবাহিক হামলা শুরু করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়, কুয়েতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ‘লজিস্টিক সহায়তা কেন্দ্র’ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করেছে ইরান।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘শত্রুর অপরাধের জবাব এবং মাতৃভূমির শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।’

শুক্রবার কুয়েত জানিয়েছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দিচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন ইরানের আকাশপথে হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল দেশটি।

উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন এবং কাতারও শুক্রবার ভোরে হামলার কথা জানিয়েছে।

বাহরাইনে সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে যে, দেশটি একটি বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে যে, দেশটির সেনাবাহিনী একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। রাজধানী দোহায় অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরাও পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ইইউ ও জি-৭৭-এর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ইইউ ও জি-৭৭-এর

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণের নিশ্চয়তা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না বাংলাদেশকে সমর্থন করার আশ্বাস প্রদান করেছে।

জাতিসংঘ সদর দফতরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস এবং জি-৭৭ অ্যান্ড চায়নার চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের সঙ্গে পৃথক বৈঠককালে তারা এই সমর্থনের কথা জানান।

বৈঠকে, বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বৃদ্ধি করার জন্য বাংলাদেশের অনুরোধের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, চলমান আর্থিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং কাঠামোগত সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রস্তাবিত প্রস্তুতিকাল সংস্কার কার্যক্রমকে সুসংহত করতে, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় করতে সহায়তা করবে।

রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস বাংলাদেশের সরকারের সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে আলোচনা শুরুর জন্য স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে ইইউর অব্যাহত সমর্থন প্রদানের কথা ব্যক্ত করেন। এছাড়া, তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরে বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিকে গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী বলে অভিহিত করেন এবং সরকারের বাস্তবমুখী সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রতি জি-৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাংলাদেশে এলডিসি উত্তরণ কৌশল বিষয়ে একটি বিশেষ ব্রিফিং আয়োজনের প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।

বৈঠক শেষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকটি খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে তাদের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি দ্রুত পরিশোধে ইসলামের কঠোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরি দ্রুত পরিশোধে ইসলামের কঠোর নির্দেশ

ইসলামে শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। একজন শ্রমিকের ন্যায্য পারিশ্রমিক দ্রুত পরিশোধ করা শুধুমাত্র মানবিক দায়িত্ব নয়, বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশও। কোরআন ও হাদিসে শ্রমিকের অধিকার রক্ষার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অন্বেষণ করো। আর আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।' — (সুরা জুমা, আয়াত: ১০)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয়ই আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি।' — (সুরা বালাদ, আয়াত: ৪)

এছাড়া একজন আদর্শ কর্মীর গুণাবলি সম্পর্কে কোরআনে এসেছে, 'সর্বোত্তম কর্মী সে, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।' — (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৬)

ইসলামের ইতিহাসে সব নবী-রাসুলই নিজ হাতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। যেমন, হজরত আদম (আ.) কৃষিকাজ করেছেন, হজরত নুহ (আ.) কাঠমিস্ত্রির কাজ করেছেন, হজরত দাউদ (আ.) নিজ হাতে লোহার বর্ম তৈরি করতেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-ও শৈশবে ছাগল চরিয়েছেন এবং পরে সততার সঙ্গে ব্যবসা করেছেন।

শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিখ্যাত নির্দেশ হলো, 'শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করে দাও।' — (সুনানে ইবনে মাজাহ)

আরেক হাদিসে তিনি বলেন, 'তারা তোমাদের ভাই। আল্লাহ তাদের তোমাদের অধীনস্থ করেছেন। তোমরা যা খাও, তাদেরও তা খাওয়াও এবং যা পরো, তাদেরও তা পরাও।'

ইসলামে শ্রমিকের ওপর সাধ্যের বাইরে কাজ চাপিয়ে দিতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে মালিককে নিজেও সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মজুরি আটকে রাখা বা কম দেওয়া সম্পর্কে হাদিসে কড়া সতর্কবার্তা এসেছে। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা বলেন, 'কিয়ামতের দিন আমি তিন শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে থাকব। তাদের একজন হলো, যে শ্রমিক দিয়ে কাজ করিয়ে তার পারিশ্রমিক দেয় না।' — (সহিহ বুখারি)

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, শ্রমিক ও মালিকের সম্পর্ক শোষণের নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, ন্যায়বিচার ও দায়িত্ববোধের। এজন্য শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি সময়মতো পরিশোধ করা এবং তার সঙ্গে মানবিক আচরণ করা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%