বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০২ এম
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা ও পুনর্বাসন শেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে রাত ৯টার দিকে তার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
দলীয় সূত্র জানায়, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে দীর্ঘ চিকিৎসার পর। চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ ও ছাড়পত্রের ভিত্তিতে তাকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও জানিয়েছেন, দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও চিকিৎসা, নিয়মিত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।
গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তী সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর তার অবস্থার উন্নতি হলে চিকিৎসকেরা ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসনের পরামর্শ দেন। এরপর ১৪ এপ্রিল তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসা চলে।
মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে তার শারীরিক সক্ষমতা বাড়তে থাকে। জুনে বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছিল, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিয়মিত পায়ের থেরাপি, হাঁটা ও হালকা শারীরিক ব্যায়াম করছিলেন। মে মাসেও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছিলেন, তার শারীরিক অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং প্রতিদিন থেরাপি দেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন থাকায় মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে ছিলেন। দেশে ফিরে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
মির্জা আব্বাস বর্তমানে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছে তিনি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি চিকিৎসাধীন মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং কিছু সময় তাঁর শয্যাপাশে অবস্থান করেন। রাষ্ট্রপতি এ সময় মন্ত্রীর সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগে তাঁর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরে তাঁকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল্লা আল কায়েস জানিয়েছেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালের ক্যাশ অ্যাকাউন্টস অফিসার তানভীর হোসেন জানিয়েছেন, মন্ত্রীর হৃদ্যন্ত্রে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি জানান, এর প্রায় এক ঘণ্টা আগে মন্ত্রী হাসপাতালে এসেছেন।
মন্ত্রীর অসুস্থতার কারণে সোমবার ও মঙ্গলবার তিনি অফিস করতে পারেননি বলেও মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
বুধবার সকালে মন্ত্রীকে দেখতে গিয়ে চিকিৎসকদের কাছ থেকেও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস সেখানে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কুয়েতে সাম্প্রতিক ড্রোন ও মিসাইল হামলার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা পরিহার করতে এবং বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবাসীদের সব ধরনের সামরিক স্থাপনার আশপাশে না যাওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল উল্লেখ করে কুয়েত সরকারের আইনকানুন এবং নিরাপত্তা নির্দেশনাবলি মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার প্রত্যক্ষ দৃশ্য বা ভিডিও ধারণ থেকে প্রবাসীদের সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতির কোনো ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা যাবে না।
জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হলে প্রবাসীদের সুবিধার্থে তিনটি হটলাইন নম্বর (+৯৬৫ ৬৯৯২০০১৩, +৯৬৫ ৬৬৫১৬৪০৪, +৯৬৫ ৫০৮৯৫১৬১) এবং নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানা (mission.kuwait@mofa.gov.bd) চালু করেছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এনএসসি অ্যাক্টের ২৩ নম্বর ধারায় প্রত্যেকটি জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার জন্য বার্ষিক আয়-ব্যয় সম্পর্কিত হিসাব বিবরণী এবং অডিট প্রতিবেদন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে পরবর্তী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাখিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে, বর্তমানে ৫২টি ফেডারেশনের মধ্যে মাত্র ১৪টি ফেডারেশন ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই আইন অনেক দিন ধরেই কার্যকর রয়েছে। এনএসসি ফেডারেশনগুলোকে আর্থিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সক্ষম হয়নি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক সচিব মো. আমিনুল ইসলাম ফেডারেশনগুলোর কাছে অডিট রিপোর্টের জন্য আবেদন করেছিলেন।
ফেডারেশনগুলোর পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার কারণে কিছুদিনের জন্য তাদের অনুদান স্থগিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সেই কড়াকড়ি অবস্থান তুলে নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (অর্থ) তনময় ইসলাম সকল ফেডারেশন এবং এসোসিয়েশনকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট অবিলম্বে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।
২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যয় বিবরণী এবং অডিট রিপোর্ট কাবাডি, সাঁতার, শুটিং, ভলিবল, বাস্কেটবল, কুস্তি, জিমন্যাস্টিক্স, শরীর গঠন, বিলিয়ার্ড, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, রাগবি, মাউন্টেরিং, প্যারা অলিম্পিক এবং ক্রিকেট বোর্ড জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জমা দিয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট ও আয়-ব্যয় এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন জমা দিয়েছে।
দেশের অন্যতম শীর্ষ ফেডারেশন ফুটবল সরকারের কাছে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা চেয়ে থাকে। কিন্তু, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। ফুটবল ফেডারেশন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিনটি হোম ম্যাচের গেট মানির অর্থও দিতে পারেনি। ঐ ম্যাচগুলোর আয়-ব্যয় ফুটবল ফেডারেশন এখনও মিডিয়ার সামনে উপস্থাপন করেনি।
ফুটবলের পাশাপাশি আরচ্যারি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, কারাতে, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাইক্লিংসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেশনও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয় বিবরণী এবং অডিট প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশে উৎপাদিত কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্যের গুণগত মান, আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের সম্ভাবনার ব্যাপারে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’ পরিদর্শনকালে দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-এর হল নং-৪-এ তিন দিনব্যাপী কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীর সহযোগী হিসেবে রয়েছে রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপ। এবারের আয়োজনে বিশ্বের ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিমার্কের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত রিমার্কের বিভিন্ন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতার প্রশংসা করেন।
রিমার্কের প্যাভিলিয়নের ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতা দেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম (আরঅ্যান্ডডি), আধুনিক প্যাকেজিং, প্রিন্টিং, ইনগ্রিডিয়েন্টস বা কাঁচামালের ব্যবহার, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, পণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং বাজার চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশে কসমেটিকস উৎপাদনের সক্ষমতা বেড়েছে। আমরা আশা করছি, রিমার্কের দেখানো পথে বাংলাদেশ কসমেটিকস খাতে আমদানিনির্ভর দেশ থেকে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারবে।" তিনি আরও বলেন, "দেশে এখন আন্তর্জাতিক মানের কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, রিমার্ক-হারল্যানের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস, হারল্যান স্টোরের হেড অব মার্কেটিং মো. হাবিবুল্লাহ হাবিব, রিমার্ক-হারল্যানের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রিমার্ক-হারল্যানের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস জানান, "বাংলাদেশের কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্প এখন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ শিল্পকে শুধু দেশীয় বাজারকেন্দ্রিক না রেখে আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ দেশের কসমেটিকস শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি সম্ভাবনাকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।"
রিমার্ক-হারল্যান সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের কসমেটিকস খাতে ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (জিএমপি)’ সার্টিফিকেশন অর্জন করে। বর্তমানে রিমার্কের আধুনিক উৎপাদন কার্যক্রম cGMP, ISO ও Halal মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে উৎপাদিত রিমার্কের বিভিন্ন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের পণ্য বর্তমানে দেশের বাজারের পাশাপাশি ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে। ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও লিলি, নিওর ও সিওডিলসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য বাজারজাত শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ শুধু পণ্য প্রদর্শনের আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি পরিচিতি এবং শিল্পসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
তিন দিনের এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে শিল্পসংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সৌন্দর্যপ্রেমী, মেকআপ শিল্পী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ