ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিপিসির ঘোষণা: বুধবার দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে


বিপিসির ঘোষণা: বুধবার দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে

বার্ষিক সমাপনী মজুদ গণনা, পরিসম্পদ মূল্যায়ন ও বাস্তব যাচাই কার্যক্রমের লক্ষ্য হিসাবে, আগামী বুধবার (১ জুলাই) দেশের সব তেলের ডিপো এবং প্রধান স্থাপনা থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ এবং বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই তথ্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।

বিপিসির বণ্টন ও পরিবীক্ষণ অধিশাখার মহাব্যবস্থাপক (ব: ও বিপ:) ফেরদৌসী মাসুম হিমেল স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে যে, বিপিসির আওতাধীন বিভিন্ন কোম্পানির প্রধান স্থাপনা ও ডিপোসমূহে জ্বালানি তেলের বার্ষিক সমাপনী মজুদ গণনা ও বাস্তব যাচাই কার্যক্রম আগামী বুধবার (১ জুলাই) সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্যে, বুধবার চট্টগ্রামস্থ প্রধানস্থাপনাসহ দেশের সমস্ত ডিপো ও স্থাপনার বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তবে, এই সময় বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, দেশীয় ও বিদেশী এয়ারলাইন্সে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ডিপোর জেটএ-১ মজুদ ট্যাংকের বার্ষিক যাচাই কার্যক্রম দ্রুত সমাপ্ত করে সরবরাহ কার্যক্রম সচল রাখতে হবে।

এই বার্ষিক সমাপনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা সহ সকল ডিপোর বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য একটি নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি।

এই আদেশের অনুলিপি যমুনা অয়েল, পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও ইস্টার্ন রিফাইনারিসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডি জুয়ার আসর থেকে নোয়াখালীতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


থাইল্যান্ডি জুয়ার আসর থেকে নোয়াখালীতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় থাইল্যান্ডি জুয়া চক্রের মূল হোতা সহ ছয়জন জুয়াড়ি, পাঁচ বছর সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি, ধর্ষণচেষ্টা মামলার এক আসামিসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। তার আগে, সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অপরাধ দমনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে বিশেষ অভিযান চলছিল। অভিযানের অংশ হিসেবে পরকোট ইউনিয়নের দশঘরিয়া বাজার এলাকার একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে থাইল্যান্ডি জুয়ার আসর থেকে ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত নানা সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া থাইল্যান্ডি জুয়া চক্রের সদস্যদের মধ্যে আব্দুস ছাত্তার (৩৬), মো. সোহেল (৩৫), নুর নবী (৩৪), কবির হোসেন (৪১), মো. ইকবাল (৪৫) ও টিপু সুলতান (২৯) রয়েছেন।

এছাড়া, গতকালের পৃথক অভিযানে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আরমান হোসেন রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইব্রাহিম খলিল (ইমন) এবং ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি আনোয়ার হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ অভিযানের মাধ্যমে খিলপাড়া ইউনিয়নের মল্লিকাদীঘির পাড়া এলাকা থেকে ইয়াছিন আরাফাত সৌরভ নামে এক যুবককে গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোন্নাফ বলেন, জুয়া, মাদক, সন্ত্রাস এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পুলিশের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


রাষ্ট্রপতি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক

 রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এবং বাহক। তিনি উল্লেখ করেন, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উচ্চশিক্ষার বিস্তার, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা এবং উদ্ভাবনে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে।

আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ একটি বাণীতে এসব কথা বলেছেন।

ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এবং সাবেক সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জাগরণ ঘটে এবং এরই মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

তিনি আরো বলেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অসামান্য এবং গৌরবোজ্জ্বল। একই সাথে দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, মানবিকতা, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশের ক্ষেত্রেও এই বাতিঘরের কীর্তি অবিস্মরণীয়। দক্ষ মানবসম্পদ ও পেশাজীবী তৈরি, চিন্তক এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তোলা, এছাড়া জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞানপীঠের অবদান অনন্য সাধারণ। এই প্রেক্ষাপটে জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ যথার্থ এবং প্রাসঙ্গিক হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি মনে করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষার পথিকৃৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও বিশ্বমানের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতেই হবে। শিক্ষা এবং গবেষণা পাঠ্যসূচিকে যুগোপযোগী এবং আধুনিক করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে গৌরবময় ঐতিহ্য এবং একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বকে বজায় রাখবে, জাতীয় জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে জনগণের পাশে থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান অব্যাহত রাখবে, এটাই সকলের প্রত্যাশা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল: প্রধানমন্ত্রী

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস' উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য গৌরবের। এ উপলক্ষে আমি সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯২১ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে হাজার হাজার সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছে। সরকারপ্রধান বলেন, অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। এক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য 'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়' অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলার জন্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলোর শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার বিকল্প নেই। শিক্ষাকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের দিকে না গিয়ে কর্মদক্ষতা ও প্রয়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা বাস্তব জীবনে যেকোন দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এ কারণেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি শুধুমাত্র পরিকল্পনা কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে আরো বেশি মনোযোগী হওয়া জরুরি। তারেক রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যালামনাই দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে, জ্ঞান, বিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। সেইসব প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের আরো সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে একটি বহুমাত্রিক শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক কর্মবাজারে জায়গা করে নিতে, শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষায়ও পারদর্শী হতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত পেরিয়ে বাড়ছে চোরাচালান, ময়মনসিংহে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


সীমান্ত পেরিয়ে বাড়ছে চোরাচালান, ময়মনসিংহে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

ময়মনসিংহ, যা শিক্ষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী জেলা হিসেবে পরিচিত, সেখানে মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সীমান্তবর্তী উপজেলা দিয়ে গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ সিরাপ ও মদসহ বিভিন্ন প্রকারের মাদক দেশে প্রবেশ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চললেও মাদক চোরাচালান থামছে না। ফলে সরাসরি এবং অনলাইন— দুই মাধ্যমেই মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে তরুণ সমাজ।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, দেশে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহ বিভাগে, যা ৬ দশমিক ০২ শতাংশ। জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮১২ জন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, ময়মনসিংহ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা দিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও নজরদারির পরও চোরাচালান বন্ধ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহ নগরের বলাশপুর এলাকায় দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে মাদক কেনা-বেচা হয়। অল্প টাকায় সহজেই মাদক সংগ্রহ করে অনেকেই নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদক সেবনের কারণে অনেকেই শারীরিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হলেও তারা নেশার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না। উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত— সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই মাদকাসক্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি করা হচ্ছে, নগরের পুরোহিতপাড়া, কিষ্টপুর, বলাশপুর ও কেওয়াটখালী বর্তমানে মাদকের অন্যতম স্পটে পরিণত হয়েছে। এসব এলাকা থেকেই শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক ইয়াজদানী কোরাইশী জানান, মাদক এখন ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ সমাজ। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশে উৎপাদন না হলেও অধিকাংশ মাদক সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করছে। মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, সীমান্তে মাদক চোরাচালান রোধে আমাদের অভিযান ও টহল অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির অবস্থান জিরো টলারেন্স।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%