ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল: প্রধানমন্ত্রী

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস' উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য গৌরবের। এ উপলক্ষে আমি সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯২১ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে হাজার হাজার সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছে। সরকারপ্রধান বলেন, অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। এক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য 'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়' অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলার জন্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলোর শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার বিকল্প নেই। শিক্ষাকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের দিকে না গিয়ে কর্মদক্ষতা ও প্রয়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা বাস্তব জীবনে যেকোন দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এ কারণেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি শুধুমাত্র পরিকল্পনা কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে আরো বেশি মনোযোগী হওয়া জরুরি। তারেক রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যালামনাই দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে, জ্ঞান, বিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। সেইসব প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের আরো সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে একটি বহুমাত্রিক শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক কর্মবাজারে জায়গা করে নিতে, শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষায়ও পারদর্শী হতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত পেরিয়ে বাড়ছে চোরাচালান, ময়মনসিংহে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


সীমান্ত পেরিয়ে বাড়ছে চোরাচালান, ময়মনসিংহে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

ময়মনসিংহ, যা শিক্ষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী জেলা হিসেবে পরিচিত, সেখানে মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সীমান্তবর্তী উপজেলা দিয়ে গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ সিরাপ ও মদসহ বিভিন্ন প্রকারের মাদক দেশে প্রবেশ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চললেও মাদক চোরাচালান থামছে না। ফলে সরাসরি এবং অনলাইন— দুই মাধ্যমেই মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে তরুণ সমাজ।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, দেশে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহ বিভাগে, যা ৬ দশমিক ০২ শতাংশ। জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮১২ জন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, ময়মনসিংহ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা দিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও নজরদারির পরও চোরাচালান বন্ধ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহ নগরের বলাশপুর এলাকায় দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে মাদক কেনা-বেচা হয়। অল্প টাকায় সহজেই মাদক সংগ্রহ করে অনেকেই নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদক সেবনের কারণে অনেকেই শারীরিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হলেও তারা নেশার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না। উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত— সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই মাদকাসক্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি করা হচ্ছে, নগরের পুরোহিতপাড়া, কিষ্টপুর, বলাশপুর ও কেওয়াটখালী বর্তমানে মাদকের অন্যতম স্পটে পরিণত হয়েছে। এসব এলাকা থেকেই শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক ইয়াজদানী কোরাইশী জানান, মাদক এখন ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ সমাজ। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশে উৎপাদন না হলেও অধিকাংশ মাদক সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করছে। মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, সীমান্তে মাদক চোরাচালান রোধে আমাদের অভিযান ও টহল অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির অবস্থান জিরো টলারেন্স।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ আ.লীগ কর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ আ.লীগ কর্মী

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে এনায়েত আলী (৫৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মী আহত হয়েছেন। 

সোমবার (২৯ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আমিলাইশ ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া সোলতান আহমদের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লোকমান হাকিম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, আহত এনায়েত আলী একই এলাকার বাসিন্দা। 

এ বিষয়ে লোকমান হাকিম বলেন, এনায়েত আলী গ্রামের দোকান থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির পাশে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ১০ থেকে ১২ সদস্যের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তার ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুলির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে এনায়েতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তাকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এনায়েত আলীর ছোট ভাই লিয়াকত আলী বলেন, এলাকায় মসজিদ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আমার ভাইয়ের বিরোধ চলছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক কারণেও তার ওপর হামলা হয়ে থাকতে পারে। তিনি হাতে, পায়ে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়া বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং অভিযান চালিয়ে মো. রায়হান (২৬) নামে স্থানীয় এক তরুণকে আটক করে। হামলাকারীদের ছোড়া ছররা গুলিতে এনায়েত আলী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্জ্যমুক্ত করা হচ্ছে নগরীর প্রতিটি ড্রেন, জানালেন কেসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


বর্জ্যমুক্ত করা হচ্ছে নগরীর প্রতিটি ড্রেন, জানালেন কেসিসি প্রশাসক

 খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সরকার দেশজুড়ে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার ঘোষণা করেছে।

একইসঙ্গে বৃক্ষরোপণের সেই অভিযানের অংশ হিসেবে নগরীর প্রত্যেকটি ড্রেনকে বর্জ্য মুক্ত করা হচ্ছে। এডিস মশার বংশ বিস্তারের স্থানসমূহও ধ্বংস করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের শেষ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর নতুন বাজার আবু হানিফ মাদরাসা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব কায়সারের উদ্যোগে ২২নং ওয়ার্ড এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা সাধারণত সকালবেলা আক্রমণ করে থাকে। এ কারণে শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মশকমুক্ত করার চেষ্টা করছি।

বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান একদিকে যেমন ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করবে অন্যদিকে ড্রেনসমূহের পানি প্রবাহ বাড়বে। ফলে জলাবদ্ধতা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

প্রশাসক মাদরাসা প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং এলাকাবাসীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, ২২নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান হাবিবুর রহমান, সমাজসেবক ইউসুফ হারুন মজনু, তরিকুল্লাহ খান, জাহিদ কামাল টিটু, জিয়াউর রহমান জিয়া, সিরাজুল ইসলাম লিটন, খান মঈনুল হাসান মিঠুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের লোয়ার যশোর রোড ও হাজী মহসিন রোড সংলগ্ন ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন, বর্জ্য ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভিক্টোরিয়া ইনফ্যান্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সানফাওয়ার স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, মশক নিধন ও পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান এবং যে কোনো প্রয়োজনে কেসিসি’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন। 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে তিরস্কার করলেন হাসানুল হক ইনু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে তিরস্কার করলেন হাসানুল হক ইনু

এজলাসে তোলার সময় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু দায়িত্বরত পুলিশকে শাসিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসে তোলার সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে হাজতখানা থেকে নেওয়া হয়। এদিন হাসিমুখের সঙ্গে কাঠগড়ায় উঠতে দেখা যায় ইনুকে।

ওই ঘটনার সময় ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আদালতে তোলার সময়ে ইনু একটি পুলিশ সদস্যকে আঙুল উঁচিয়ে শাসাচ্ছেন। যখন ওই পুলিশ সদস্য ইনুর হাত ধরতে যান, তখন ইনু উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘হাত ধরবেন না, ভদ্রতা শিখুন’।

এদিকে, এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেছেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের একমাত্র আসামি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল, এর মধ্যে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নাম্বার অভিযোগে আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%