বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১১ পি.এম
দেশের বিভিন্ন রুটে সরকার গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ঘটনা শুরু হয়ে গেছে। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নৈরাজ্য শুরু হয়েছে এবং এখনও অব্যাহত রয়েছে। এ সময় ঢাকার বিভিন্ন বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসে ৫০ থেকে ১০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটেও ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ের কারণে কোথাও কোথাও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।
গত রোববার রাতে সরকার ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর ফলে পরদিন সোমবার সকাল থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার বাস, মিনিবাস ও লেগুনায় বাড়তি ভাড়া আদায় শুরু হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালেও রাজধানীর রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান, পল্টন ও শাহবাগ এলাকার বিভিন্ন বাসে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার বিকালে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।
মঙ্গলবার দুপুরে সায়েন্সল্যাব থেকে সাভার পরিবহণের একটি বাসে রায়সাহেব বাজারে পৌঁছান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তিনি জানান, আগে ২০ টাকা ভাড়া দিলেও মঙ্গলবার ২৫ টাকা চাওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাসের স্টাফদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা-কাটাকাটিও হয়।
তিনি আরও বলেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তার আগেই বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীদের ওপরই এর চাপ পড়ছে। নতুনবাজার থেকে ভিক্টর পরিবহণের একটি বাসে গুলিস্তানে আসেন আফতাব আহমেদ। তার কাছ থেকে ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা নেওয়া হয়। তিনি মনে করেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে নিয়ম মেনে বাড়ানো উচিত। কিন্তু সিদ্ধান্তের আগেই বেশি টাকা নেওয়া ঠিক নয়।
এ দিন মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশন থেকে ৮ নম্বর বাসে ওঠেন বেসরকারি চাকরিজীবী মহিউদ্দিন। তিনি দৈনিক বাংলা মোড়ে নামেন। এই পথে এতদিন ১০ টাকা ভাড়া দিতেন। কিন্তু ২০ টাকার নোট দেওয়ার পর কন্ডাক্টর তাকে ফেরত দেন ৫ টাকা। কন্ডাক্টর দাবি করেন, সর্বনিম্ন ভাড়া ১৫ টাকা করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেন, সরকার বাসভাড়া বাড়িয়েছে কিনা। এক কিলোমিটারের কম পথের জন্য কেন ৫ টাকা বেশি নেওয়া হবে? এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়।
সাইনবোর্ড থেকে নতুনবাজারগামী ইকবাল পরিবহণের এসি বাসে ১০০ টাকার পরিবর্তে ১২০ টাকা নেওয়া হয়। ওই বাসের যাত্রী ইব্রাহিম খলিল জানান, তিনি প্রতিদিন ১০০ টাকা দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু এবার তার কাছ থেকে ১২০ টাকা রাখা হয়েছে। মহাখালী থেকে বিজয় সরণি পর্যন্ত বৈশাখী ও ভূঁইয়া পরিবহণে ১০ টাকার পরিবর্তে ১৫ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুলিস্তান থেকে বিমানবন্দরগামী পরিবহণেও ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
চিটাগাং রোড থেকে গুলিস্তানগামী বাসে ৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ ও সাইনবোর্ড থেকে চলাচলকারী মৌমিতা, ঠিকানা, অনাবিল ও লাভলী পরিবহণেও গন্তব্য অনুযায়ী ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। চিটাগাং রোড থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত লেগুনায় ২০ টাকার ভাড়া ২৫ টাকা এবং ২৫ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা করা হচ্ছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটের বন্ধন ও উৎসব পরিবহণেও ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে। এই রুটে ৫৫ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, চকবাজার, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বাস, টেম্পো ও হিউম্যান হলারে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে যাত্রী ও পরিবহণকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হচ্ছে। হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। কাজীর দেউড়ি থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত এক কিলোমিটার পথে মিনিবাসের ভাড়া ছিল ৭ টাকা। সেখানে ১৫ টাকা আদায় করা হচ্ছে। কোতোয়ালি মোড় থেকে জামালখান পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বহদ্দারহাট থেকে নতুন সেতু পর্যন্ত বাসের ভাড়া ছিল ১০ থেকে ১২ টাকা। সেখানে ১২ থেকে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। একই পথে মাহিন্দ্রার ১৪ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা করা হচ্ছে।
কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ৩৫ টাকার ভাড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বহদ্দারহাট থেকে শিকলবাহা ক্রসিং পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত ভাড়া ২২ টাকা হলেও আদায় করা হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। পটিয়া রুটে ৫৯ টাকার ভাড়া ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এবং কেরানীহাট পর্যন্ত ১১২ টাকার ভাড়া ১৫০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসযাত্রী নাসির উদ্দিন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমলে গণপরিবহণের ভাড়া কমানো হয় না। কিন্তু দাম বাড়লে রাতারাতি ভাড়া বেড়ে যায়। গ্যাসচালিত গাড়িতেও ডিজেলচালিত বাসের মতো বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনকারী লঞ্চ মালিকদের সংগঠন। সংগঠনটি প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৫০ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধির দাবি করেছে।
১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৪ টাকা ২ পয়সা করার দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন, রেলপথ ও সেতু বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে একটি চিঠির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার পক্ষ থেকে। চিঠিতে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট গোলাম নবী আলমগীর স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত লঞ্চগুলো সম্পূর্ণরূপে ডিজেল ও মবিলচালিত হওয়ায় পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
লঞ্চ মালিকরা জানান, বিআইডব্লিউটিএ ইতোমধ্যে বিভিন্ন ফি ও চার্জ বৃদ্ধি করেছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ এবং বার্দিং চার্জ ১১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফরমের ফিও ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি নৌযানের বিশেষ অনুমতি ফি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল চার্জ এবং মালিকানা, নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুনভাবে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, শ্রমিকদের মজুরি, ডিজি শিপিংয়ের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশন ফি, নাম পরিবর্তন ফি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর ও ভ্যাটও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া লঞ্চ নির্মাণ ও পরিচালনায় ব্যবহৃত প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্টসের দাম এবং ডকিংসহ বিভিন্ন খরচ ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি করেছেন লঞ্চ মালিকরা।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সারাদেশে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে যাত্রীরা এখন সড়কপথে বেশি যাতায়াত করছেন। এর ফলে লঞ্চের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। এতে লঞ্চ মালিকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
লঞ্চ মালিকরা জানান, ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা, ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ৪ টাকা ২ পয়সা এবং যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় বর্ধিত ডিজেলের দাম বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে।
সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। নতুন দামে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির ফলে ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। এজন্য নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) অনুযায়ী নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে-
জোহর- ১১:৫৫ মিনিট
আসর- ৪:১৪ মিনিট
মাগরিব- ৫:৫৯ মিনিট
এশা- ৭:১৩ মিনিট
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪:৩৩ মিনিটে।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ-
যোগ করতে হবে:
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
বিয়োগ করতে হবে:
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার প্রয়োজনে কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তারিখে কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে, তা দেখে নিন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট
পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স এবং উত্তরার মাসকট প্লাজা।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক এবং উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃদ্বয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের কাছে ৮২১ ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সহকারী প্রেস সচিবের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
তিনি জানান, আলোচনার সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
দুই নেতা বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ