ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ


দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ

চলতি বছরে রাজশাহী জেলার ৪৮৯টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের জন্য সরকার ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ করেছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানিয়েছেন, প্রতিটি মণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজশাহী শহরে ৮৫টি এবং নয়টি উপজেলায় ৪০৪টি মণ্ডপ রয়েছে।

বরাদ্দকৃত চাল ইতোমধ্যে জেলায় এসে পৌঁছেছে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের মাঝে তা বিতরণ করা হবে এক সপ্তাহের মধ্যে।

আরও পড়ুন: বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ভাড়াবাসায় সমকামিতা, কোরআন ছুঁয়ে ‘বিয়ে’ করল দুজন কিশোরী

জেলা ত্রাণ কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় এ বছর মণ্ডপের সংখ্যা ১৭টি বেড়েছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৭২টি।

সবচেয়ে বেশি ৮৬টি মণ্ডপ বাগমারা উপজেলায় রয়েছে। এরপর তানোরে ৫৯টি, পুঠিয়ায় ৫৫টি, বাঘায় ৪৮টি, গোদাগাড়ী ও চারঘাটে ৪২টি করে, মোহনপুরে ২৫টি, দূর্গাপুরে ২৪টি এবং পবায় ২৩টি মণ্ডপ রয়েছে।

এদিকে, পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবকে সামনে রেখে প্রতিমা শিল্পীরা দুর্গা প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে উৎসব শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটবে।

উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা ও মহানগর প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে চার সন্তানের কেউই ছিল না কাছে, দরজা ভাঙতেই সামনে এলো ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির জানিয়েছেন, মহানগর এলাকার ১০৯টি মণ্ডপে ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির স্থানগুলোতেও সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন মেসি

বুধবারে বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি প্রদান করেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল আইকন লিওনেল মেসিকে, বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে।

মেসি, যিনি গত ১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন, আজ ঘরের মাঠে বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছেন।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়, “আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিও মেসি আজ বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ডক্টর অনোরিস কসা’ উপাধি পেয়েছেন। অভিনন্দন, কিংবদন্তি!”

স্পেনের কাছে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের এক মাসেরও বেশি সময় পর এবং তার বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর কয়েক দিন পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। গত ৮ আগস্ট আর্জেন্টিনার মধ্যাঞ্চলীয় শহর রোসারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা যান মেসির বাবা।

মেসি দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ইতিহাসেও তিনিই সর্বোচ্চ গোলদাতা।

বহু বছর ধরে একের পর এক হতাশার পর, বিশেষ করে ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে হারের পর, ২০২২ সালে বিশ্বকাপের শিরোপার স্বাদ পান মেসি। ফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। এটি ছিল ৩৬ বছরের মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয় এবং ইতিহাসে তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা।

এর আগে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের ট্রফি-খরা শেষ করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি। বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৪ সালের আসরেও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।

২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর মেসি প্রথমবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি এবং ছয় বছর পর কাতারে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে নেতৃত্ব দেন।

কিংবদন্তি এই ফুটবলার ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ছয়টি ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। ৩৪ ম্যাচে করেছেন ২১ গোল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ফ্রান্সের এমবাপ্পে ২২ গোল করে রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন।

এ বছরের বিশ্বকাপে মেসি করেছেন আট গোল এবং চারটি গোলে সহায়তা করেছেন। ফলে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার ছিলেন তিনি। এর মধ্যে আলজেরিয়ার বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকও করেন তিনি। একসময় বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন মেসি। পরে এমবাপ্পে তাকে টপকে শীর্ষস্থান দখল করেন।

তবে ক্লাব ফুটবলে এখনো খেলে যাচ্ছেন মেসি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মায়ামির হয়ে তিনি খেলছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি-এইচএসসি পাসে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৭ জনের নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


এসএসসি-এইচএসসি পাসে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৭ জনের নিয়োগ

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্প্রতি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তির আওতায় কার্যালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসে মোট ৩৭ জনকে ৮টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে আবেদন করতে পারবেন নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থী। আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায়। প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

পদের বিবরণ

১. অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ৯টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

২. লাইব্রেরি সহকারী

পদসংখ্যা: ১টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৩. হিসাব সহকারী

পদসংখ্যা: ৭টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৪. কপিস্ট

পদসংখ্যা: ৭টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৫. সার্টিফিকেট সহকারী

পদসংখ্যা: ৩টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৬. বেঞ্চ সহকারী

পদসংখ্যা: ৬টি

গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৭. অফিস সহায়ক

পদসংখ্যা: ২টি

গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা

৮. নিরাপত্তা প্রহরী

পদসংখ্যা: ২টি

গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা

প্রার্থী ও বয়স

নিয়োগটি অস্থায়ী ভিত্তিতে হবে। নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন, তবে প্রার্থীদের খুলনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২০২৬ সালের ১ আগস্ট তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের জন্য কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণ করা হবে না।

আবেদন ফি

১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য পরীক্ষার ফি ১১২ টাকা এবং ৭ ও ৮ নম্বর পদের জন্য ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন ফি টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়মে জমা দিতে হবে। আবেদন সম্পন্ন করার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ করা আবশ্যক।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সময় ৩০০×৩০০ পিক্সেল আকারের ছবি এবং ৩০০×৮০ পিক্সেল আকারের স্বাক্ষর স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

আবেদন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসকের নিয়োগ পোর্টাল দেখুন।

আবেদনের সময়সীমা

আবেদন শুরু: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০টা

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


আজ পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন উদযাপন

পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ সাধারণত কোনো অভিযোগ, সমস্যা বা জরুরি পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। তবে যদি অভিযোগ ছাড়াই এক টেবিলে বসে এক কাপ কফির সঙ্গে গল্প করা সম্ভব হয়, তাহলে সম্পর্কের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে।

মানুষ ও পুলিশের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন একটি উদ্যোগ। প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে এই দিনটি উদযাপন করা হয়। ২০২৬ সালে দিনটি পড়েছে ৭ অক্টোবর।

কফির আড্ডায় পুলিশের সঙ্গে সরাসরি কথা

এই দিনে বিভিন্ন এলাকার পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় মিলিত হন। সেখানে নিরাপত্তা, অপরাধ প্রতিরোধ, যান চলাচল এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সাধারণ মানুষ পুলিশের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন এবং এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন। এর ফলে দায়িত্ব পালনের সময়ের বাইরেও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মানুষের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

কীভাবে শুরু হলো এই আয়োজন

এই উদ্যোগের সূচনা ক্যালিফোর্নিয়ার হথর্ন শহরে হয়েছে। ২০১১ সালে সেখানকার পুলিশ সদস্যরা উপলব্ধি করেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগের একটি বড় অংশ ঘটে সমস্যা বা সংকটের পর।

তাহলে সমস্যা হওয়ার আগেই মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক পরিবেশে কথা বলার সুযোগ তৈরি করার জন্য পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কফি খাওয়ার আয়োজন করেন। এখান থেকেই ‘পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি’ উদ্যোগের উৎপত্তি ঘটে। পরে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে।

জাতীয় দিবস হলো ২০১৬ সালে

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের কমিউনিটি পুলিশিং কার্যালয়ের সহযোগিতায় অক্টোবরের প্রথম বুধবারকে জাতীয়ভাবে পুলিশের সঙ্গে এক কাপ কফি খাওয়ার দিন হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। প্রথম জাতীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৭ অক্টোবর ২০১৬।

এরপর প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম বুধবার বিভিন্ন পুলিশ বিভাগ ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে এই আয়োজন হয়ে আসছে।

ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন দেশেও

শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রিক হলেও উদ্যোগটি পরে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে যায়। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে পুলিশের সঙ্গে কফির আড্ডার আয়োজন হয়েছে।

তবে এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস। অন্যান্য দেশে একই ধরনের আয়োজন হলেও সেগুলোকে একই জাতীয় দিবস হিসেবে গণ্য করা ঠিক নয়।

বাংলাদেশেও হতে পারে এমন আয়োজন

বাংলাদেশে এই দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয় কি না, সেটি একটি ভিন্ন বিষয়। তবে এর মূল ধারণাটি বাংলাদেশেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নিয়মিত অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হলে এলাকার নিরাপত্তা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ যত বৃদ্ধি পাবে, ততই একে অপরের কাজ ও প্রয়োজন সম্পর্কে বোঝাপড়া তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে। আর কখনো কখনো সেই যোগাযোগের সূচনা হতে পারে খুব সাধারণ একটি বিষয় দিয়ে—এক কাপ কফির আড্ডা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবরার ফাহাদের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


আবরার ফাহাদের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার

আজ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে পরদিন ভোরে আবরার মারা যান। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করলেও, ৭ বছর পরও তা কার্যকর হয়নি। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় আবরারের পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ ও হতাশা অনুভব করছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে কুষ্টিয়ার পিটিআই সড়কের বাড়িতে পুরোনো শোক ফিরে এসেছে। সাত বছর আগে যে ঘর থেকে আবরার মাকে বিদায় জানিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন, সেই ঘরেই আজও সাজানো রয়েছে তাঁর ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, বই-খাতা, পড়ার টেবিলসহ ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র। তবে পরিবারের মেধাবী সন্তানটি সেখানে নেই।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসে ওঠার আগে মা রোকেয়া খাতুন নিজ হাতে ছেলেকে খাইয়ে দিয়েছিলেন। সেটিই ছিল মায়ের সঙ্গে আবরারের শেষ দেখা। পরদিন ভোরে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের মধ্যে যে শোকের ছায়া নেমে আসে, তা ৭ বছরেও কাটেনি।

আবরারের ১০৫ বছর বয়সী দাদা আব্দুল গফুর নাতির হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "বাঁচতে বাঁচতেই যেন আবরার ফাহাদের ঘাতকদের শাস্তি কার্যকর দেখে যেতে পারি।"

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তিনি আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করছেন। বড় ভাই হত্যার পর ফাইয়াজও বুয়েটে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে ভাইয়ের স্মৃতি ও অসমাপ্ত স্বপ্নকে বয়ে নিয়ে চলছেন তিনি।

কুষ্টিয়ার বাড়িতে এখনও সংরক্ষিত রয়েছে আবরারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। শো কেসে রাখা ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন, পড়ার টেবিল, বই-খাতা সহ প্রতিটি জিনিস পরিবারের কাছে হয়ে আছে স্মৃতির শেষ আশ্রয়। এসবের মধ্যেই সন্তানকে খুঁজে ফেরেন মা-বাবা।

আবরারের স্মৃতি ধরে রাখতে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা সুলতান মারুফ তালহাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

২০১৯ সালের ওই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের সন্তানকে কেড়ে নেয়নি, বরং দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ সৃষ্টি করেছিল। আদালতের রায় হওয়ার পরও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় ৭ বছর পরও আবরারের পরিবারের কাছে বিচার প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে।

প্রতিবছর মৃত্যুবার্ষিকী ফিরে আসে, ফিরে আসে সেই শেষ বিদায়ের স্মৃতি। মা রোকেয়া খাতুনের হাতে খাওয়া শেষ খাবার, বাবার সঙ্গে শেষ কথা এবং বাসে উঠে ঢাকার পথে ছুটে যাওয়া সেই তরুণের মুখ। পরিবারের একটাই প্রত্যাশা, আদালতের দেয়া সাজা দ্রুত কার্যকর হবে এবং আবরার হত্যার বিচার পূর্ণতা পাবে।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ জানান, দীর্ঘ ৭ বছর ধরে তারা সন্তানের হত্যার বিচার পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

তিনি বলেন, "৭ বছর কেটে গেল, অথচ এখনও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়নি। যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য আবরারের মৃত্যু হয়েছে, সেই স্বপ্নের রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি আমরা আসামিদের দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর দেখতে চাই।"

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%