ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগে এত উন্নয়নের কথা শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর


আগে এত উন্নয়নের কথা শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

দেশের বিরাজমান সমস্যা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, 'দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি এখনও বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছরে এগুলো সমাধান হওয়ার কথা ছিল। যদি সে সময় এগুলো সমাধান করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।'

তিনি আরও বলেন, 'আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের সরকারের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।'

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্য আসে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, প্রথম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগণের জন্য জাতীয় কনভেনশন, 'ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন। সভায় তিনি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিলেন।

তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের উদ্দেশ্যে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।'

তারেক রহমান বলেন, 'এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।'

দেশের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি এখনও বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছরে এগুলো সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান করা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।'

তিনি বলেন, 'আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের 정부ের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।'

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলোর কথাও বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, 'ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।'

তিনি অভিযোগ করেন, 'অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।'

প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ওপর কর হ্রাসের বিষয়েও কথা বলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে: কৃষিমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির দেশ। কুমিল্লার ইতিহাসও হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ইতিহাস।’

যুগে যুগে কিছু অসাধু ব্যক্তি সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলেও সচেতন জনগণের কারণে তারা কখনো সফল হতে পারেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় সফল হবে না। আমাদের পূর্বপুরুষরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে একসঙ্গে বসবাস করেছেন।’

সেই ঐতিহ্য ধরে রেখে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে জানান তিনি।

পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্যায়, হিংসা বা বিদ্বেষকে সমর্থন করে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মই মানুষকে ন্যায়, মানবকল্যাণ, সহনশীলতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়। তাই ধর্মকে বিভেদ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।’

রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে।

সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, জেলা প্রশাসক রোজী আকতার, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ নাহিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ নাহিদের

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি এবং দলের নেতাকর্মীরা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজ-খবর নেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের দাবি ছিল তিনটি- বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। আমরা দেখেছি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনও বাংলাদেশে জনগণ পায়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার যে রায়, তা আমরা পেয়েছি। কিন্তু সেই রায় এখনো কার্যকর হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তারা গণভোটের রায় কার্যকর করছে না। তারা বলছে, জুলাই সনদ মুখে মুখে কার্যকর করবে। এটা তাদের কেবলই মৌখিক প্রতারণা। তারা বলেছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন করবে, সেটিও তারা করেনি।’

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘জুলাই হত্যা মামলার রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। বহু মামলার রায় হয়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ সেই রায়গুলোর বাস্তবায়ন দেখতে চায়। শহীদ আবু সাঈদের হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে সরকার যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করে। অন্যান্য মামলার বিচারকাজও দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকর করা উচিত। এতে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন।’

সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সুত্রে পাওয়া এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি সরকার সত্যিকার অর্থে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা এই প্রশ্নে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করছি। সংস্কার, বিচার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি, বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি বিষয়গুলোতে আমরা সরকার এবং বিরোধী দল হিসেবে দেখি না। দেশের জনগণের পক্ষে, রাষ্ট্রের পক্ষে এক কাতারে দাঁড়ানো উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু সরকারের কোনো আচরণে সেরকম কোনো আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি না। ফলে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের নোট অব ডিসেন্টের আলোকে বাস্তবায়ন করলে সেখানে আমাদের কোনো সহযোগিতা তো থাকবেই না, কোনো অংশগ্রহণও থাকবে না।’

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে যা বলছে শিক্ষা বোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


এসএসসি ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে যা বলছে শিক্ষা বোর্ড

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই (সোমবার) প্রকাশ হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে এই তারিখের কথা জানালেও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণের বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। তবে সরকারের বেঁধে দেয়া লক্ষ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বলেই জানা যাচ্ছে।

রেওয়াজ অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সেই হিসাবে আগামী ২০ জুলাইয়ের দিকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের নজর রাখছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রস্তুতির কাজ করা হচ্ছে।

বোর্ডের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ফলাফল চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত ২০ জুলাইয়ের বিষয়টি মাথায় রেখেই সব কাজ এগোচ্ছে। দিনটি বা তার কাছাকাছি সময়ে আমরা প্রস্তুত করা ফল তুলে দিতে পারব বলে আশা করছি।’

অবশ্য ফলাফল চূড়ান্ত প্রকাশের প্রক্রিয়াটি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর। সুতরাং ২০ জুলাই চূড়ান্ত দিন কি না, তা আরও দু-এক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হবে।

চলতি বছর ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে, এবং দাখিল ও ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

ফলাফল প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই লাখ লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হয়ে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়ালালামপুরে নানা কর্মসূচিতে স্মরণ করা হলো জুলাই শহীদদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


কুয়ালালামপুরে নানা কর্মসূচিতে স্মরণ করা হলো জুলাই শহীদদের

মালয়েশিয়ায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত হয়েছে। রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবসটি পালিত হয়।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক,political ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৈরি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘জুলাই অনির্বাণ’ প্রদর্শন করা হয়।

এটি ছিল অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ মৌলিক মুহূর্ত যেখানে জুলাই আন্দোলনের প্রথম সারির শহিদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে যুক্ত হয়ে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বে অংশ নিয়ে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই শহিদ দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে এবং এই বীরগণের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে।

বর্তমান সরকার শহিদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি প্রবাসীদের বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া প্রবাসী কমিউনিটি ও বিভিন্ন সংগঠনের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন মাহবুব আলম শাহ, আলী হায়দার মোর্তজা, মো. জসিমউদ্দীন, সাংবাদিক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, শামসুল আলম সিকদার হেলাল, শেখ আসাদ আহমেদ মাসুম এবং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক প্রমুখ।

আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সর্বজনীন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, সাংবাদিক ও পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণের অসামান্য ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহিদের সাহসিকতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বক্তারা বলেন, এই অভূতপূর্ব গণজাগরণই ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

একটি মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%