বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:২৫ পি.এম
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই (সোমবার) প্রকাশ হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে এই তারিখের কথা জানালেও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণের বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। তবে সরকারের বেঁধে দেয়া লক্ষ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বলেই জানা যাচ্ছে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সেই হিসাবে আগামী ২০ জুলাইয়ের দিকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের নজর রাখছেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রস্তুতির কাজ করা হচ্ছে।
বোর্ডের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ফলাফল চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত ২০ জুলাইয়ের বিষয়টি মাথায় রেখেই সব কাজ এগোচ্ছে। দিনটি বা তার কাছাকাছি সময়ে আমরা প্রস্তুত করা ফল তুলে দিতে পারব বলে আশা করছি।’
অবশ্য ফলাফল চূড়ান্ত প্রকাশের প্রক্রিয়াটি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর। সুতরাং ২০ জুলাই চূড়ান্ত দিন কি না, তা আরও দু-এক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হবে।
চলতি বছর ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে, এবং দাখিল ও ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
ফলাফল প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই লাখ লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হয়ে যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত হয়েছে। রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবসটি পালিত হয়।
মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক,political ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৈরি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘জুলাই অনির্বাণ’ প্রদর্শন করা হয়।
এটি ছিল অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ মৌলিক মুহূর্ত যেখানে জুলাই আন্দোলনের প্রথম সারির শহিদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে যুক্ত হয়ে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বে অংশ নিয়ে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই শহিদ দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে এবং এই বীরগণের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে।
বর্তমান সরকার শহিদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি প্রবাসীদের বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া প্রবাসী কমিউনিটি ও বিভিন্ন সংগঠনের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন মাহবুব আলম শাহ, আলী হায়দার মোর্তজা, মো. জসিমউদ্দীন, সাংবাদিক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, শামসুল আলম সিকদার হেলাল, শেখ আসাদ আহমেদ মাসুম এবং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক প্রমুখ।
আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সর্বজনীন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, সাংবাদিক ও পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণের অসামান্য ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহিদের সাহসিকতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বক্তারা বলেন, এই অভূতপূর্ব গণজাগরণই ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
একটি মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কৃষ্ণরামপুর গ্রামে মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক ব্যক্তির বসতঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার ফলে পুরো বসতঘরটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাবুলের বসতঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবুল এবং তার বোন সুমির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা বারবার তাদের সতর্ক করলেও তারা মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভের কারণে বুধবার রাতে বাবুলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো বসতঘর পুড়ে যায়।
অভিযোগের বিষয়টি জানতে বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। এর ফলে তার কোনও বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) কামাল হোসেন জাহেদ জানিয়েছেন, বুধবার রাতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন কৃষ্ণরামপুর গ্রামের কয়েক যুবক রাস্তায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় পুলিশের ডিবি সদস্যরা তাদের লাঠিচার্জ করে। পরে ওই যুবকেরা বাবুলের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। যুবকদের অভিযোগ ছিল যে বাবুলের মাদক ব্যবসার কারণে পুলিশ এলাকায় আসে এবং মাঝে মাঝে তাদেরকে নাজেহাল হতে হয়। এক পর্যায়ে তারা বাবুলের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাজগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, তবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা কোনো অভিযোগ দেয়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বাবুল এবং তার বোন সুমি এলাকায় মাদক ব্যবসা করতেন এবং এই অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় লোকজন তাদের বসতঘরে আগুন লাগিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার আতাইকুলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় মারা গেছে আরও একজন। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪ জনে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী কড়ইতলা এলাকায় ঢাকা–পাবনা মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, গুরুতর আহত শিশু নাফিস (৭)-কে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল ৩ টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের পুত্র।
এর আগে রাজশাহী নেওয়ার পথে নাটোরে পৌঁছানোর পর সকাল ১১ টার দিকে মারা যান ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামের একজন। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের ছেলে। এর আগে, সকালে দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮)।
এ ঘটনায় আহত দুজন, ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্স চালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানি বুলু খাতুন নিহত হন। এ সময় আরো চারজন গুরুতর আহত হয়।
খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।
তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ৮২ গ্রাম সমন্বিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দিরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ রথযাত্রা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৬ই জুলাই দুপুর ২টায় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ টানা শুরু হয়। শত শত ভক্তের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি মধ্যনগর কেন্দ্রীয় বাজার প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ ভক্তরা ভক্তিমূলক সঙ্গীত, কীর্তন ও ধর্মীয় স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বরুণ সরকার বলেন, “রথযাত্রা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অত্যন্ত পবিত্র একটি ধর্মীয় উৎসব। ভগবান জগন্নাথের আশীর্বাদ লাভ এবং সকলের শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনায় প্রতিবছরের মতো এবারও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উদযাপন করা হয়েছে। আগামী সাত দিন পর যথাযোগ্য মর্যাদায় উল্টো রথযাত্রা (ফেরার রথ) অনুষ্ঠিত হবে।”
মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শম্ভু রায় বলেন, “রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভক্তদের আত্মিক মিলনমেলা। সকল ভক্তের আন্তরিক সহযোগিতায় উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আগামী সাত দিন পর অনুষ্ঠিতব্য উল্টো রথযাত্রায়ও সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের পাশাপাশি সকলের সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করছি।”
উৎসব উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণ ও শোভাযাত্রা এলাকায় ধর্মপ্রাণ ভক্তদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবক ও উপস্থিত সকল ভক্তের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ