শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৯ পি.এম
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ২৫ বছর বয়সী বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এক নারীর ওপর ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল আওয়াল ওরফে রবিন (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক পলাতক রয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নারীর পিতা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত রবিন খলিশাউড় ইউনিয়নের কামাল উদ্দিন তালুকদার ওরফে কামাল মেম্বারের পুত্র।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই নারী জন্মগতভাবে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা এবং তার আট মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে প্রতিবেশী আব্দুল আওয়াল ওরফে রবিন ওই নারীকে বাড়ির পাশে একা পেয়ে একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সুযোগ নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে রবিন পালিয়ে যায়। তারা ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন শনিবার সকালে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভুক্তভোগী নারীকে পুলিশের নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রবিন পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আমেরিকান গেমসে ফুটবলের সোনা জয়ের স্বপ্ন আর্জেন্টিনার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য পূর্ণ হলো না। ফাইনালে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে ৫-৪ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো দিয়েগো প্লাসেন্তের দলের।
মার্সেলো বিয়েলসা স্টেডিয়ামে রোসারিওতে শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণ করার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। কিন্তু প্যারাগুয়ের শক্তিশালী রক্ষণ ভাঙতে তারা সক্ষম হয়নি। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ০-০।
শিরোপা নির্ধারণের জন্য ম্যাচটি টাইব্রেকারে চলে যায়। সেখানে প্যারাগুয়ের ভাগ্য বদলে যায়। তারা পাঁচটি শটের সবকটিই জালে পাঠিয়ে ৫-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। আর্জেন্টিনার একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় ট্রফিটি তাদের হাতছাড়া হয়।
এই আসরে প্যারাগুয়ের কাছে এটি আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় পরাজয়। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেও তারা প্যারাগুয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল। এরপর উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারানোর পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সেমিফাইনালের টিকিট পায় তারা। শেষ চারে পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় আর্জেন্টিনা।
দক্ষিণ আমেরিকান গেমসের ফুটবলে আর্জেন্টিনার সর্বশেষ সোনা ১৯৮৬ সালে এসেছিল। ঘরের মাঠে এবার ৪০ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের হতাশায় রুপা নিয়েই আসর শেষ করতে হলো আর্জেন্টিনাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা রেলস্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে ছেড়ে যায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৮)। এই সময় ট্রেনে উঠে পড়া সত্ত্বেও দুই শিশুর বাবা-মা ট্রেনে উঠতে পারেননি। সন্তানদের নিয়ে ট্রেনটি চলে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ট্রেনটি থামিয়ে ওই দম্পতিকে তাদের সন্তানদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের নিকট এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা রেলস্টেশনে পৌঁছায়। এখানে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি ছিল দুই মিনিট। এ সময় সিলেট যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক দম্পতি তাদের দুই শিশুসন্তানকে ট্রেনে তুলে দেন। কিন্তু সন্তানদের ট্রেনে তোলার পর তারা নিজেদের আর উঠতে পারেননি।
ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ওই দম্পতি চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করেন। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশের নজরে এলে ট্রেনটির পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ট্রেনটি থামানো হয়। সেখানে ওই দুই শিশুর বাবা-মাকে ট্রেনে তুলে দেওয়া হয়।
রেলওয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য এহসান বলেন, "আজ ট্রেনে অনেক যাত্রী ছিলেন। নির্ধারিত দুই মিনিটের মধ্যে অনেক যাত্রীই ট্রেনে উঠতে পারেননি।" ওই দম্পতি তাদের দুই সন্তানকে ট্রেনে তুলে দিয়েছিলেন। পরে তারা নিজেদের ট্রেনে উঠতে না পেরে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ট্রেনটির পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ট্রেন থামানো হয়। পরে তাদের সন্তানদের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার শেখ আনোয়ার হোসেন বলেন, "পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কুমিল্লা স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য থামে। এ সময় অনেক যাত্রী সাধারণ বগিতে না উঠে এসি বগিতে ওঠার চেষ্টা করেন।" ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর তারা সাধারণ বগিতে ওঠার জন্য দৌড়াদৌড়ি করেন। এ কারণে কেউ কেউ সময়মতো ট্রেনে উঠতে পারেন না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে সরকারি চাকরির জন্য প্রতিযোগিতার তীব্রতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেসরকারি খাতে চাকরির সুযোগ সংকুচিত হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের মূল মনোযোগ এখন সরকারি খাতের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সর্বশেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রবণতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ২১ লাখেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর চাপ সামাল দিতে পরীক্ষার আয়োজন করতে কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা শ্রমবাজারের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে আগেই সতর্ক করেছিলেন। গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত একটি গবেষণায় কর্মসংস্থানের এই দশাকে ‘কর্মসংস্থান জরুরি অবস্থা’ হিসেবে চিহ্নিত করে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান মন্তব্য করেছিলেন, বাংলাদেশের বেকারত্ব পরিস্থিতি এখন মহামারি আকার ধারণ করেছে।
এক বছর পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও সম্প্রতি জানিয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চমাধ্যমিকোত্তর বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ডিগ্রিধারী তরুণদের প্রায় ৩৬ শতাংশই বেকার। এই বাস্তবতায় সরকারি খাতের সীমিত ও নিশ্চিত চাকরির জন্য চাকরিপ্রার্থীদের লড়াই যে কতটা তীব্র, তা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আবেদনসংখ্যা থেকেই স্পষ্ট।
সমাজসেবা অধিদপ্তর গত মে মাসে ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের ৫২ ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৪৮৫টি স্থায়ী ও অস্থায়ী শূন্য পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ২ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়, যেখানে টেলিটকের মাধ্যমে ৫০ থেকে ১০০ টাকা ফি দিয়ে মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন।
হিসাব অনুযায়ী, প্রতি পদের বিপরীতে এবার আবেদন করেছেন ১ হাজার ৪৩০ জন প্রার্থী। দেশের শীর্ষ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা— বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস পরীক্ষার সঙ্গে তুলনা করলেও এই প্রতিযোগিতার অনুপাত নজিরবিহীনভাবে বেশি।
আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়ে প্রায় তিন মাস হতে চললেও অতিরিক্ত প্রার্থীর কারণে কর্তৃপক্ষ এখনও পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করতে পারেনি। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান, দ্রুততম সময়ে নিয়োগ সম্পন্ন করার উপায় প্রস্তাব করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।
প্রত্যাশিত পরিমাণের চেয়ে বহুগুণ বেশি আবেদন পড়ায় বড় ধরনের লজিস্টিক ও আর্থিক সংকটে পড়েছে অধিদপ্তর। কারণ, এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের নেই। বিশাল সংখ্যক পরীক্ষাকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা, প্রশ্নপত্র ছাপানো, পরিদর্শক নিয়োগ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়ন—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ কীভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং প্রার্থীদের কীভাবে বাছাই করা উচিত, সে বিষয়ে এখন জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
এখনও পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এর আগে কোনো নিয়োগে এত বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়নি।
প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় কতজনকে রাখা হবে— এ বিষয়ে এখন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে অধিদপ্তর। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে তিন ধাপে: লিখিত, ব্যবহারিক (যদি প্রযোজ্য হয়) ও মৌখিক পরীক্ষা।
পরীক্ষা গ্রহণের ব্যয় ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই পরীক্ষার কেন্দ্র ও তারিখ ঘোষণা করবে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব বলেন, "আমরা আবেদন গ্রহণ করে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছি, যেন স্বচ্ছতা ও দ্রুততম সময়ে নিয়োগ সম্পন্ন করতে পারি।" বিপুলসংখ্যক আবেদন পাওয়ায় এখন করণীয় কী হতে পারে, সেই বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
বেসরকারি খাতের দুর্বলতার লক্ষণ
অর্থনীতিবিদ ও কর্মসংস্থান বিশ্লেষকদের মতে, বেসরকারি খাতের স্থবিরতার বিপরীতে সরকারি চাকরির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহেরই প্রতিফলন এই রেকর্ডসংখ্যক আবেদন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, "বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ যেখানে থমকে আছে, সেখানে প্রতিযোগিতামূলক বেতন, চাকরির নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা প্রার্থীদের সরকারি চাকরির দিকে ঝুঁকতে উৎসাহিত করছে।" সরকারি চাকরিতে পদ কম হলেও চাকরিপ্রত্যাশীদের আগ্রহ বেশি, যা অর্থনীতির জন্য একটি ফলস সিগন্যাল দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "কর্পোরেট খাতের সম্প্রসারণ হলে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এত বেশি চাপ পড়তে না। বর্তমানে বিনিয়োগ সংকুচিত হওয়া, বিশ্ববাজারের পণ্য বিক্রির অনিশ্চয়তার কারণে কর্পোরেট খাতের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে না। এ কারণে বেসরকারি খাতে চাকরির প্রতি মানুষের আগ্রহ কম, আবার কর্পোরেট খাতও সরকারি চাকরির মতো উচ্চ বেতন দিতে পারছে না।"
তিনি বলেন, "যেসব পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর কার্যত প্রয়োজন আছে কি না, সেটাও সরকারের ভেবে দেখা উচিত। অনেক ক্ষেত্রে শূন্যপদ থাকার কারণেই উৎপাদনশীলতা কম হওয়া সত্ত্বেও সরকারের অনেক পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়।"
এক্ষেত্রে তিনি কর্পোরেট মানদণ্ডের মতো উৎপাদনশীলতা মূল্যায়নের পরামর্শ দেন।
নিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্যেও বেসরকারি খাতের কর্মীদের চাহিদার এই নিম্নগতি স্পষ্ট। বিডিজবস ডটকমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও একেএম ফাহিম মাশরুর ২০২৫ সালের জুনে জানিয়েছিলেন, প্ল্যাটফর্মটিতে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে চাকরির বিজ্ঞপ্তি ১০ শতাংশ কমেছে।
ফাহিম মাশরুর সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছেন, গত কয়েক বছর ধরেই এই প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।
তিনি বলেন, "বিগত কয়েক বছর ধরেই দেখছি, বেসরকারি খাতের চাকরিতে আবেদন কমছে আর সরকারি চাকরিতে আবেদনের পরিমাণ বাড়ছে।"
এর কারণ হিসাবে তিনি মনে করেন, বেসরকারি চাকরিতে সুযোগ সুবিধা খুব বেশি বাড়ে না। এছাড়া সরকারি চাকরিতে নতুন করে পে-স্কেল হওয়ায় বেতন-ভাতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেনে ওঠার সময় পা পিচলে পড়ে দুই পা হারানো রাবেয়া খাতুন (৩৭) নামে এক যাত্রী মারা গেছেন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে। তিনি রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামি কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে স্টেশন থেকে বিরতির পর যাত্রা শুরু হলে ওই নারী ট্রেনে উঠতে যান। এ সময় অসাবধানতার কারণে পা পিচলে তিনি নীচে পড়ে যান। প্লাটফর্ম থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া তার একটি হাত এবং শরীরের বিভিন্ন অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাবেয়া খাতুন ঢাকার খিলক্ষেত জোয়ার সাহারা এলাকার ইকবাল হোসেনের মেয়ে।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের মাস্টার নয়ন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। যশোর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে চুডা মন কাঠি নামক স্থানে পৌঁছালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অ্যাম্বুলেন্সের ভিতর মারা যান। লাশ কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে রাখা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ