০৩:২০ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই, এমনটি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।
সাংবাদিকদের সামনে এসে নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুন্দর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর এই উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
নির্বাচন কমিশনার বলেন, "নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা এখানকার প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তে আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। নির্বাচনী পরিবেশ খুব চমৎকার রয়েছে।"
এরপর সেনা মোতায়েনের প্রশ্নে তিনি বলেন, "আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি না। ধরে নিতে পারেন, সেনা মোতায়েন হবে না। কারণ, এখানে যে পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে, তা সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে প্রায় তিনগুণ। তাই এখানে বাড়তি কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন আছে বলে কমিশন মনে করে না।"
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নজরদারিতে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, "প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাব সদস্যদের শরীরে ধারণযোগ্য ক্যামেরা থাকবে। নজরদারিতে ব্যবহার করা হবে ড্রোনও। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।"
নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও প্রার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, "নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকি দুটি তদন্তাধীন।"
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আশাবাদ জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, "নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার কোনো কারণ নেই। একটি গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসী গর্ববোধ করবেন।"
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন